বিমানবন্দর স্থাপনের বিরোধিতা করছে আড়িয়াল বিল জবরদখলকারীরা

গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা
মুন্সিগঞ্জের আড়িয়াল বিলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর স্থাপনের দাবি জানিয়েছে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির নেতৃবৃন্দ। গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. মনিরুজ্জামান ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে গোলটেবিল আলোচনায় এডভোকেট সানজিদা খানম এমপি, আশরাফুন নেছা মোশাররফ এমপি, আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক বদিউজ্জামান ভুঁইয়া, সমিতির মহাসচিব ডা. জাহাঙ্গীর আলম, কর্নেল (অব:) মীর মো. মোতাহার হাসান, আওয়ামী যুবলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জাকির হোসেন খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

গোলটেবিল আলোচনায় এডভোকেট সানজিদা খানম এমপি বলেন, আড়িয়াল বিলের যে অংশে বিমানবন্দর নির্মাণের কথা বলা হচ্ছে তার শতকরা ৯০ ভাগই সরকারী খাস জমি। আর বাকি ১০ ভাগ জমি হল ব্যক্তি মালিকানাধীন। এসব জমির মালিকদের বাজার মূল্যের চেয়ে বেশি দাম দেয়া হবে। সরকার কাউকে ভূমিহীন, গৃহহীন করতে চায় না। কারো বাড়ি ভাঙা পড়লে সরকার অন্যত্র তার বাড়ি বানিয়ে দেবে। তিনি বলেন, এ প্রকল্প হলে মুন্সিগঞ্জের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি বদলে যাবে। মুন্সিগঞ্জ এক আন্তর্জাতিক শহরে পরিণত হবে।

আলোচনায় বলা হয়, যারা বিমানবন্দর স্থাপনের বিরোধিতা করছে তারা কেউ আড়িয়াল বিলের লোক নয়। এরা অনেকেই সুবিধাভোগী। আবার অনেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ প্রকল্পের বিরোধিতা করছে। জমির প্রকৃত মালিককেই সরকার দাম দেবে। যাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই তারা কোন অর্থ পাবে না। বক্তারা আরো বলেন, অনেক লোক আড়িয়াল বিলে জবর-দখল করে ফায়দা নিচ্ছে। এসব দখলকারী নিজেদের স্বার্থে বিমানবন্দর স্থাপনের বিরোধিতা করছে। এ প্রকল্প মুন্সিগঞ্জের উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত। মানববন্ধন, বিক্ষোভ-মিছিল করে এ বিমানবন্দর স্থাপন বন্ধ করা যাবে না। বিগত কোন সরকার মুন্সিগঞ্জের উন্নয়নে পদক্ষেপ নেয়নি। এ সুযোগ হারালে মুন্সিগঞ্জ উন্নয়নের অগ্রযাত্রা থেকে পিছিয়ে পড়বে।

ইত্তেফাক
——————————————–

গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা মুন্সীগঞ্জে বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দর স্থাপনের সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী

মুন্সীগঞ্জের আড়িয়ল বিলে ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ স্থাপনের সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী। দেশ ও জাতির স্বার্থে সরকারি এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে মুন্সীগঞ্জের সাধারণ মানুষ। গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতি’ আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে আলোচকরা এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ডা. মোঃ মনিরুজ্জামান ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ মুন্সীগঞ্জের আড়িয়াল বিলে স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানানো হয়। গোলটেবিল বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন ডা. বদিউজ্জামান লাভলু, মাহবুব উদ্দিন বীরবিক্রম, মোঃ জাকির হোসেন, এনায়েত উল্লা চৌধুরী, জামাল হোসেন, লে. কর্নেল (অব) মীর মোতাহার হোসেন, আফজাল হোসেন ঢালী, ডা. আবু ইউসুব ফকির, ওমর ফারুক, আবদুল হামিদ, আবদুর রহমান প্রমুখ।

সংসদ সদস্য আশরাফুন্নেছা মোশাররফ বলেন, সরকারের এ সিদ্ধান্তে আড়িয়াল বিলের সাধারণ মানুষের ভাগ্য খুলে যাবে। তাদের কর্মসংস্থান হবে। সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ সিদ্ধান্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়েরই অংশ। তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মুন্সীগঞ্জবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হবে।

সমকাল
———————————————-

ঢাকায় সমাবেশ করতে দেয়নি পুলিশ

আড়িয়ল বিলের মানুষ ফুঁসে উঠেছে

আড়িয়ল বিলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের ঘোষণায় ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। একজোট হয়েছে ঢাকা ও মুন্সিগঞ্জের তিন উপজেলার অন্তত ২৫ গ্রামের মানুষ। বিমানবন্দর নির্মাণ ঠেকাতে হাজার হাজার মানুষ গতকাল পূর্বনির্ধারিত সমাবেশে যোগ দিতে রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে আসছিল। কিন্তু পুলিশ তাদের বাধা দিয়েছে, সমাবেশ করতে দেয়নি।

জানা যায়, শত শত যানবাহনে চেপে গ্রামবাসী মুক্তাঙ্গনের দিকে আসার চেষ্টা করলে ঢাকার প্রবেশমুখ দ্বিতীয় বুড়িগঙ্গা সেতুতে তাদের আটকে দেয় পুলিশ। কিছু মানুষ বিচ্ছিন্নভাবে গুলিস্তান পর্যন্ত এলেও পুলিশ লাঠিপেটা করে তাদের হটিয়ে দেয়। ক্ষুব্ধ জনতা দুই ঘণ্টা বুড়িগঙ্গা সেতু অবরোধ করে রাখে। তারা স্লোগান দেয়, ‘আড়িয়ল বিলে বিমানবন্দর চাই না’, ‘রক্ত দিব তবু জমি দিব না’।

এ ছাড়া মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরের ষোলঘর এলাকায় বিমানবন্দরের পক্ষে-বিপক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এখানে লাঠিপেটা, কাঁদানে গ্যাস ও গুলি ছোড়ে পুলিশ। এ সময় গ্রামবাসী একটি বাস জ্বালিয়ে দেয় ও কিছু যানবাহন ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় পুলিশসহ অন্তত ৮০ জন আহত হয়।

বিল রক্ষা কমিটির নেতারা জানিয়েছেন, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) লিখিত অনুমতি নিয়েই তাঁরা কর্মসূচির আয়োজন করেন। অনুমতি নেওয়া হয়েছে ঢাকা সিটি করপোরেশনেরও। তবে ডিএমপি অনুমতি দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছে।

বিল রক্ষা কমিটির বিবৃতি: আড়িয়ল বিল রক্ষা কমিটি পূর্বঘোষিত সমাবেশ করতে না দেওয়ায় নিন্দা জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা সিটি করপোরেশন ও ডিএমপির লিখিত অনুমতি থাকার পরও মুক্তাঙ্গনে সমাবেশ করতে দেওয়া হয়নি। মুক্তাঙ্গনমুখী আড়িয়লবাসীর যানবাহনের বহরগুলোকে বাবুবাজার সেতু, শ্রীনগরের ষোলঘর বাসস্ট্যান্ড ইত্যাদি এলাকায় আটকে দেওয়া হয়।

তবে বাবুবাজার সেতুতে উপস্থিত ডিএমপির লালবাগ বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. কামরুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, মুক্তাঙ্গনে সমাবেশ করার অনুমতি না থাকায় তাদের সেতুর ওপর আটকে দেওয়া হয়েছে। একই কথা জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (জনসংযোগ) মাসুদুর রহমান।

আড়িয়ল রক্ষা কমিটির বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, সরকারদলীয় সাংসদ সুকুমার রঞ্জন ঘোষ উপস্থিত থেকে ষোলঘর এলাকায় পুলিশকে দিয়ে আন্দোলনকারী মানুষের ওপর লাঠিপেটা করিয়েছেন।

তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হাঁসাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন মৃধা প্রথম আলোকে বলেন, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন সৃষ্টি না হয়, সে জন্য সাংসদ সেখানে পুলিশ নিয়ে যান। তিনি সেখানে উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।

জিরো পয়েন্টে লাঠিপেটা: মুন্সিগঞ্জের বাসিন্দা আন্দোলনকারী শিপ্লু গাজী জানান, এক হাজারেরও বেশি বাস, ট্রাক, পিকআপ ভ্যান, মাইক্রোবাস ইত্যাদি যানে ঢাকার দিকে রওনা হয়েছিল আড়িয়ল বিল এলাকার হাজার হাজার মানুষ। বেলা একটার দিকে দ্বিতীয় বুড়িগঙ্গা সেতুর (বাবুবাজার) ওপর তাদের বহনকারী গাড়িগুলো আটকে দেয় পুলিশ ও র‌্যাাব। এর মধ্যেই কেউ কেউ নিজ উদ্যোগে মুক্তাঙ্গন পর্যন্ত আসতে পারে। এ রকম কয়েক শ লোক মুক্তাঙ্গনে সমাবেশ ও মানববন্ধন করার উদ্যোগ নিলে পুলিশ তাদের দাঁড়াতেই দেয়নি। পুলিশের ধাওয়ায় ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় তারা। বাবুবাজার সেতুতে আটকেপড়া আন্দোলনকারীরা বেলা একটা থেকে তিনটা পর্যন্ত সেতু অবরোধ করে রাখে। এতে বাবুবাজার থেকে গুলিস্তান পর্যন্ত এবং মাওয়া সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।

আড়িয়ল বিল এলাকার বাসিন্দা মতিউর রহমান (৩৫) জানান, বাবুবাজার সেতুতে বাধা পেয়ে মুন্সিগঞ্জ ও নবাবগঞ্জের কয়েক শ লোক রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে জমায়েত হয়। সেখান থেকে তারা মুক্তাঙ্গনের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে জিরো পয়েন্টে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে লাঠিপেটা করে। এতে অন্তত ৫০ জন আহত হয়। কয়েকজন নেতা প্রেসক্লাবের ভেতরে ঢুকলে সেখানেও পুলিশ চড়াও হয়।

কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, গতকাল বেলা একটা থেকে তিনটা পর্যন্ত বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতু অবরোধ করে বিক্ষোভ করে আড়িয়ল বিলসংলগ্ন মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান, শ্রীনগর, ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জের কয়েক হাজার মানুষ। এ সময় ঢাকা-মাওয়া ও ঢাকা-নবাবগঞ্জ রুটে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। হাজারো মানুষের স্রোত পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি পালন করতে মুক্তাঙ্গনের দিকে যেতে থাকলে বেলা একটার দিকে পুলিশ বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতুর ওপর তাদের আটকে দেয়।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশার জানান, বিক্ষোভকারীরা সেতু অবরোধ করলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিলে বেলা তিনটার দিকে তারা অবরোধ তুলে নেয়।

সেতুর ওপর তাৎক্ষণিক সমাবেশে আড়িয়ল এলাকার বাসিন্দারা ‘জীবন দিয়ে হলেও বিল রক্ষার’ প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

শ্রীনগরে সংঘর্ষ: মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, গতকাল বিকেলের দিকে ঢাকা-মাওয়া সড়কের ষোলঘর বাজার (মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলাধীন) এলাকায় বিমানবন্দরের পক্ষে-বিপক্ষের লোকজন এবং পুলিশের সংঘর্ষে সাত পুলিশসহ ৩০ জন আহত হয়। এ সময় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী একটি যাত্রীবাহী বাস জ্বালিয়ে দেয় এবং ২০-২৫টি গাড়ি ভাঙচুর করে। বেলা দেড়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক বন্ধ থাকে। পুলিশ ১৬টি কাঁদানে গ্যাসের শেল ও ১৭টি শটগানের গুলি ছোড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মুক্তাঙ্গনে সমাবেশে যোগ দিতে শ্রীনগরের বিভিন্ন ইউনিয়নের লোকজন বাস ভাড়া করে যাচ্ছিল। শ্রীনগরের ষোলঘর এলাকায় বিমানবন্দরের পক্ষের ১৫-২০ জন একটি বাস আটকে চালকসহ কয়েকজন যাত্রীকে মারধর করে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিল রক্ষা কমিটির পক্ষে গ্রামের আরও প্রায় দুই হাজার মানুষ লাঠিসোঁটা ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্র হাতে ষোলঘরে আসে। তারা মহাসড়ক অবরোধ করে আনন্দ পরিবহনের একটি বাস জ্বালিয়ে দেয়। ভাঙচুর করে আরও ১৭-১৮টির মতো বাস। পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষ হয়। পুলিশ গ্রামবাসীর ওপর কাঁদানে গ্যাস ও গুলি ছোড়ে।
এদিকে একই সময় ষোলঘর থেকে দুই কিলোমিটার দূরে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের ছনবাড়িতে সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে বিমানবন্দরের পক্ষের লোকজন মহাসড়কে অবস্থান নেয়। তারা মহাসড়কে সাত-আটটি বাস ভাঙচুর করে।

মুন্সিগঞ্জ পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী সুপার দেওয়ান লালন আহমেদ জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১৭টি শটগানের গুলি ও ১৬ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে।

নবাবগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, আড়িয়ল বিলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণে জরিপ করতে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মো. মোস্তফার নেতৃত্বে একটি দল ২৩ জানুয়ারি মরিচপট্টি গ্রামে গেলে স্থানীয় লোকজন তাদের মারপিট করে ভিডিও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। এ অভিযোগে নবাবগঞ্জ থানায় ৫০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলার বাদী মো. মোস্তফা জানান, লোকজন সরকারি কাজে বাধা দিয়েছে এবং সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মারপিট করে ক্যামেরাসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ছিনিয়ে নিয়েছে।

গোলটেবিল: আড়িয়ল বিলে বিমানবন্দর নির্মাণের পক্ষে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা বলেন, যেকোনো মূল্যে সেখানে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠা করা হবে। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অবহেলিত মুন্সিগঞ্জ জেলার চেহারা বদলে যাবে। বক্তারা বলেন, আড়িয়ল বিলের ৯০ শতাংশ জমি সরকারি খাস। অবৈধ দখলদারেরা দীর্ঘদিন ধরে এ জমি ভোগ করছে।

গোলটেবিল আলোচনার প্রধান অতিথি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খান অবশ্য আসেননি। আর এসেই চলে গেছেন বিশেষ অতিথি হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে গতকাল বুধবার এ অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতি। সাংসদ সানজিদা খানম ও আশরাফুননেছা মোশাররফ প্রধান আলোচক হিসেবে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। আলোচনায় আরও অংশ নেন বদিউজ্জামান ভূঁইয়া, মাহাবুবুর রহমান, মোহাম্মদ মোতাহার হাসান, আফজাল হোসেন আবু ইউসুফ প্রমুখ।

প্রথম আলো
————————————————

[ad#bottom]

One Response

Write a Comment»
  1. no more politics please.we should look forward,some people do not try to understand future value of our loving munshigonj.god bless them.