মুন্সিগঞ্জে মহিলা কাউন্সির একটি পদের বিপরীতে পাঁচজন প্রার্থী

মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলার (১, ২ ও ৩নং ওর্য়াড) এর একটি পদের জন্য পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পাঁচজনের মধ্যে চারজনই নতুন মুখের প্রার্থী। এসব প্রার্থীদের পক্ষে ভোট প্রার্থনায় নিকট আতীয় স্বজনরা কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে দুইজন আ’লীগের সমর্থনে নির্বাচনে প্রচারণা চালাচ্ছেন। অন্য তিনজন বিএনপির সমর্থনে অনুরূপ প্রচারণা করচ্ছেন। এই পদের প্রার্থীদের মধ্যে দ্বিমুখী লড়াই হবে। এই লড়াইয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় বর্তমান কাউন্সিলার রয়েছেন।

প্রতিদ্বন্দ্বি কাউন্সিলাররা হচ্ছেন নার্গিস আক্তার। তার প্রতীক হচ্ছে বই। বর্তমান কাউন্সিলার জাহানারা বেগম। তার প্রতীক হচ্ছে টিউবওয়েল। সাফিয়া খানম। তার প্রতীক হচ্ছে সেলাই মেশিন। রওশন আরা রানী তার প্রতীক হচ্ছে পান। বছিরুননেছা। তার প্রতীক হচ্ছে কলস।

মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডে তিন তিনবার কাউন্সিলার নির্বাচিত হন প্রয়াত মো. জালালউদ্দিন আহমেদ। এর মধ্যে শেষবার তিনি বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনের একদিন আগে মুন্সিগঞ্জ পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জালালউদ্দিন আহমেদকে দিন দুপুরে সন্ত্রাসীরা গুলি করে হত্যা করে। পিতার ইমেজকে পুঁজি করে এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন তার বড় মেয়ে নার্গিস আক্তার। তার এলাকায় নিজস্ব ভোট ব্যাংক রয়েছে। এ নির্বাচনে আওয়ামী সমর্থন পেলে তার বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
বর্তমান কাউন্সিলার জাহানারা বেগম বিএনপি নেত্রী। তিনি কোটগাঁও গ্রামের মেয়ে। এই গ্রামের ভোট পেলে তার বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিএনপি নেত্রী সাফিয়া খানম ভোট যুদ্ধের লড়াইয়ে তৃতীয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ নির্বাচনে তিনি নতুন মুখ।
নতুন মুখের কাউন্সিলার প্রার্থী রওশন আরা রানী নির্বাচনে আওয়ামীলীগের সমর্থনে ভোট প্রার্থনায় ব্যস্ত রয়েছেন।
বছিরুননেছা এ নির্বাচনে নতুন মুখ। তিনি নির্বাচনে বিএনপির সমর্থন আশা করছেন।

[ad#bottom]