তিন পাকসেনা খতম করলাম, স্বামী তাড়িয়ে দিল নির্যাতিতা বলে

একাত্তরের বিজয়িনী
কাঞ্চনমালা, মুন্সীগঞ্জ
আমার শ্বশুরবাড়ি ছিল নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে। কয়েক দিনের জন্য ঢাকায় বাপের বাড়ি বেড়াতে এসেছিলাম। ঢাকায় পরিস্থিতি খারাপ। তাই স্বামী খেপে গিয়ে বলে, ‘বাপের বাড়ি মজা করতে আসছ। এখন মজা বোঝ। তাই তাড়াহুড়া করে লঞ্চ রিজার্ভ করে রাতেই মুন্সীগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দিই।’ ফিরে দেখি পরিস্থিতি আসলে কোথাও ভালো না। চারদিকেই গুজব, পাকিস্তান আক্রমণ করবে। সেদিন ছিল ২৫ মার্চ। বিকেল প্রায় ৩টার মতো হবে। আমরা খেতে বসছি। জা বলল, ‘রান্নাঘর থেকে ডালের ডেকচিটা নিয়ে আসো।’ ডেকচি আনতে যেতেই বড় জায়ের চিৎকার, ‘ওই বাড়িতে মিলিটারি আইছে। পালা পালা…।’

মুহূর্তের মধ্যে যে যার মতো পালাই গেল। আমি পারলাম না। আমি এক দৌড়ে বড় ভাশুরের কক্ষে লুকাই। দেখি আমাদের বাড়িতে ঢুকে ওরা বলতাছে, এই বাড়ির পুরুষ লোক কোথায়? মনে মনে ভাবলাম, আমারে তো নিয়ে যাবে। তখন তো মরব। তাই খেজুরগাছ কাটার দা-টা হাতে নিয়ে দরজার পাশে দাঁড়িয়ে রইলাম। ওরা যখন ঘরে ঢুকে উঁকি দিচ্ছে, তখন গর্দানে কোপ দিলাম। এভাবে তিনজনকে ফেলার পর মেজর এসে দেখল। বলল, ‘তোরা সর, যা-গা।’ এরপর সে আমার হাত ধরে টেনে-হিঁচড়ে তার গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে গেল নেত্রকোনা জেলার বিরিসিরি ক্যাম্পে। একটি কক্ষে আটকে রেখে তালা দিয়ে চলে গেল। ভয়ে আধা মরা হয়ে যাই। কক্ষের ভেতরে সুন্দর একটি খাট। সেখানে ওই মেজর থাকত। তার নাম জাহিদ, ব্যাজ দেখে বুঝেছিলাম। দেখি দেয়ালে একটি মহিলার ছবি। মনে হচ্ছিল বাঙালি মহিলা। রাতে খট খট করে দরজার তালা খোলার শব্দে ভয় পেয়ে আরো কুঁকড়ে যাই। দরজা খুলে খাবার দিয়ে গেছে। আমারে কিছু বলল না। ভাবলাম, মেজরের আন্ডারে বলেই এই খাবার। এরপর রাত ৮টার দিকে হাতে মোটা একটি লাঠি নিয়ে সেই মেজর ঢুকল। প্রথমেই বলল, ‘এই খুনি, তুই তো মার্ডার কেসের আসামি। তোকে কারেন্টের শক দেব।’ ভয়ে আমি থর থর করে কাঁপতে কাঁপতে কাপড় নষ্ট করে ফেলি। নিচে পড়ে যাই। মেজর টান দিয়ে বলে, ‘হেই দাঁড়া।’ এরপর দেয়ালের ছবিটি দেখিয়ে বলে, ‘দেখত এই ছবি কার?’ আমি ভয়ে কাঁপছি দেখে বলে, ‘কাঁপিস কেন?’ ভয়ে তাকাতে পারছিলাম না। শরীর অবশ লাগছিল। এবার সে আমাকে বলে, ‘তোকে পাকিস্তান পাঠাব। আমার মা বাঙালি, বাবা বিহারি। আমার মায়ের আদেশ, কোনো মেয়েকে অত্যাচার করবি না। তো তুই আমাকে বিয়ে করবি?’ বাঁচার জন্য বললাম, করব। সত্যি বলতে কি বাঁচার জন্য মেজরের কাছে আত্মসমর্পণ করি। এরপর সে আমার সঙ্গে পুরা স্বামীর অভিনয় করা শুরু করল। আমার পাশের কক্ষে অনেক মেয়েকে বন্দি করে নির্যাতন করত। ওদের চিৎকার শুনতাম। একদিন মেজরকে বললাম, আমি এই মেয়েদের দেখব। সে আমাকে নিয়ে গেল। দেখি অনেক মেয়ে_পাক আর্মিরা নির্যাতন করছে। ঘরে এসে মেজরের কলার ধরে বলি, এসব কী হচ্ছে? কিন্তু ওই সব দেখার ফলে সে আরো উত্তেজিত হয়ে আমাকে অত্যাচার করা শুরু করল।

এর প্রায় ১০-১৫ দিন পরে বলি, বন্দিজীবন ভালো লাগছে না, একটু বাইরে ঘুরিয়ে আনো। তখন দুর্গাপুরের ভেতরে ঘোরাতে নিয়ে যায়। দেখি বিরান হয়ে গেছে দুর্গাপুর। ঘুরে আসার পর বলল, ‘কাল তোমাকে পাকিস্তানে আমার মায়ের কাছে পাঠিয়ে দেব।’ তখন অভিনয় শুরু করি। হাতে-পায়ে ধরে বলি, তোমারে ছাড়া তো আমি থাকতে পারব না। গেলে দুজন একসঙ্গে যাব। তুমি যদি আমাকে পাঠিয়ে দাও, তাহলে আমি আত্মহত্যা করব। এমন অভিনয় শুরু করি, বেটার পায়ের জুতাটা পর্যন্ত খুলে দিতাম। যেন সে বুঝে যে আমি তার জন্য পাগল। আমি বলি, আমাকে তুমি একা একটু ঘুরতে দিতে পারো না? মেজর বলল, ‘আচ্ছা যেয়ো। কিন্তু কক্ষে তালা মেরে যেয়ো। এক পাকসেনাকে দেখিয়ে ওর কাছে চাবি দিয়ে যেতে বলল। মনে হলো, এই সুযোগে পালাতে পারব। দুই দিন ঘুরে এসেছি। পেছনে যে চর দিত, আমি টের পাইনি। তৃতীয় দিন বাড়ি ঘুরতে বের হয়েছি, দেখি ১০-১২ জন আমার পেছনে গার্ড দিচ্ছে। মাথায় রাগ উঠে গেল। বাঁশ দিয়ে একজনরে এমন জোরে একটি বাড়ি মারলাম সঙ্গে সঙ্গে মরে গেল। মেজর আমাকে ধরে এনে অনেক মারল। এরপর আমার পেটে একটি গুলি করল। মরে গেছি মনে করে ফেলে দিল বিরিসিরি নদীর কাছে। সেখানে আরো অনেকের লাশ ছিল। জোয়ার আসার পর সব ভেসে যায়। আমাকে নদীর কিনার থেকে এক হিন্দু বুড়ি উদ্ধার করেন। তাঁর ছেলে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন বলে বুড়িকে গৃহবন্দি করে রেখেছিল।

বুড়ির ছেলের নাম কাঞ্চন। ছেলে কোথায় এটা জানার জন্য বুড়ির ওপর নির্যাতন করছিল ওরা। বুড়ি বলছিলেন, ‘আমাকে এমনিতেই মেরে ফেলবে কিন্তু আমার ছেলে তো দেশের জন্য যুদ্ধ করছে। তাকে কেন বিপদে ফেলব।’ তখন আমার সারা শরীরে অত্যাচারের দাগ, অনেকটা আধা মরা। ওই বাড়িতে দুই দিন ছিলাম। ওদের সেবায় কিছু সুস্থ হলাম। তিন দিন পর রাতে বুড়ির ছেলেকে নিয়ে শিবগঞ্জ বাজারের দিকে লুকিয়ে হাঁটতে হাঁটতে ভবানীপুর ক্যাম্পে গিয়ে উঠি। মুক্তিযোদ্ধারা আমাকে দেখে বললেন, এইটা তো বাঁচব না! তার পরও তাঁরা সেবা দিয়ে সুস্থ করে তুললেন। কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর তাঁদের বললাম, আমাকে অস্ত্র চালনা শেখান। মুক্তিযুদ্ধে যাব। তাঁরা বলেন, মহিলা মানুষ_কী যুদ্ধ করবেন? আমি বললাম, ‘আমি তো চাইরটা মাইরা আইছি। এক যুদ্ধ তো কইরাই আইছি। আপনারা দেইখেন আমি ট্রেনিং নিয়া যুদ্ধ কইরা আপনাদের সামনে আসব।’ তারপর মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তায় আমি ভারতে যাই। সেখানে বাগমারায় প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে কাদের সিদ্দিকীর বোন রহিমা সিদ্দিকীর কাছে প্রশিক্ষণ নিই। তিনি আমাকে এলএমজি ও গ্রেনেড ছোড়ার প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন। প্রায় দেড় মাস ট্রেনিং নিই। দুই মাস ১২ দিন পর দেশে এসে বীরপ্রতীক ফজলুল হকের কাছে যাই। তিনি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানায় কাদেরিয়া বাহিনীর আন্ডারে ছিলেন।

প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর আমার একটাই জেদ আসে, ‘অগো মাইরা ফেলতে পারলে দেশটা তাড়াতাড়ি স্বাধীন হইব।’ অস্ত্র চালনার বিষয়ে কাদের ভাই বলতেন, ‘ওই ছেরি জোরে চালা।’ এতে আমি বেশ সাহস পাইতাম মনে। বেশ কিছু অপারেশনে অংশ নিই। এ সময় আমাদের খাকি প্যান্ট ও গেঞ্জি পরতে হতো। তখন ১৫ থেকে ২০ বার অপারেশন করেছি। অপারেশনে গিয়ে আমাদের লিডার কাদের সিদ্দিকী ও ফজলু ভাইয়ের সাহসের কথা ভুলতে পারিনি।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর টাঙ্গাইলের গোপালপুরের মুক্তিযোদ্ধা ভাই নান্নু মিয়া, ডা. আলতাফ, সাইফুল_তাঁদের বাড়িতে ছিলাম। কিছুদিন পর ভাশুর জাহেদ আলীর সহায়তায় শ্বশুরবাড়ি আসি। আমার ভাশুর আওয়ামী লীগ করতেন, মুক্তিযোদ্ধাদের অনেক সহায়তা করেছিলেন। তবে স্বামী আমার সঙ্গে কথা বলতেন না। আমি শাশুড়ির সঙ্গে থাকতাম। সবাই বলল, ‘ওর সাথে মিশ, কথা বল, বাচ্চা নে, সব ভুইলা যাইব।’ এরপর আমাদের তিন সন্তান হলো। কিন্তু সে কিছুই ভোলেনি। আমার প্রশ্ন, আমি কি ইচ্ছা করে কিছু করেছি? আমি তো যুদ্ধের শিকার! আমার স্বামী মাঝেমধ্যে দু-একটা কথা বললেও তা ছিল খোঁচা। অনেক আপত্তিকর ও বাজে কথা বলত। এসিড মেরে চেহারা নষ্ট করার হুমকি দিত। একদিন রাতে একটি ব্লেড নিয়ে এসে বলে, ‘তোর শরীর আমি কাইট্যা দিমু।’ এরপর আমাকে চারটি ঘুমের বড়ি খাওয়ায়। কিন্তু ভয়ে আমার আর ঘুম আসেনি। আল্লাহ আল্লাহ করে সকাল হওয়ার অপেক্ষায় থাকি। সকাল হলে দেখি সে টয়লেটে যাওয়ার সময় আমাকে তালা মেরে যাচ্ছে। বড় ছেলে এটা দেখে পাশের বাড়িতে খবর দেয়। তখন আমার ভাশুর এসে উদ্ধার করে বলেন, ‘তুই পালাই যা।’ আমি এক কাপড়ে বের হয়ে দুর্গাপুরের কুমিদগঞ্জের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিই। সেখান থেকেও স্বামী আমাকে ধরে নিয়ে আসে এবং স্বর্ণালংকার যা ছিল, সব কেড়ে নেয়। মারল জন্মের মার।

এই পরিস্থিতিতে আমার ভাশুর বললেন, ‘তুই আমাদের ঘরের মেয়ের মতো। এখানেই থাক যত দিন বাঁইচা থাকবি।’ তখন আমার স্বামী রটিয়ে দিল, আমার ভাশুর নাকি আমার দিকে চোখ দিচ্ছেন…। বিষয়টি ভাশুরের মানসম্মানের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াল। তিনি আমাকে বললেন, ‘আমি হাইরা গেলাম রে বইন। তুই তোর কাপড়-চোপড় বাইন্ধা ল। তোকে তোর বাপের বাড়ি পাঠাই দেই।’ আমি ছোট চারটি সন্তান ফেলে ঢাকায় বাপের বাড়ি চলে আসি। যুদ্ধে অংশগ্রহণের অপরাধে আমার ৯ বছরের সংসার শেষ হয়ে গেল। দায়ের কোপে তিন পাকসেনা খতম করলেও স্বামীর ঘরে ঠাঁই হলো না!

আমি আমার ছোট ছোট বাচ্চা ফেলে এসে পাগলের মতো হয়ে উঠি। পরে সবাই বলে, ওরে পাবনা ভর্তি করিয়ে দাও। আমার ভাই বলল, ‘আমার বোন পাগল হয়নি। আমি ওর বাচ্চাদের নিয়ে আসি, বাচ্চাদের পেলে সুস্থ হয়ে যাবে।’ ভাই গিয়ে আমার ভাশুরের সহায়তায় বাচ্চাদের নিয়ে আসে। ওদের পেয়ে আমি এমনিতেই সুস্থ হয়ে উঠি। আমার ভাই মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, মামা আবদুল জলিল শেখ, আব্দুল মান্নান_তাঁদের সহায়তায় আমি এখনো বেঁচে আছি। কিন্তু তাঁরা কত দিন দেখবেন?

টাকার জন্য একটি ছেলেকেও এসএসসির চেয়ে বেশি পড়ালেখা করাতে পারিনি। শুধু মেয়েকে এইচএসসি পাস করিয়েছি। বিয়ে দিয়েছি। মাঝেমধ্যে মেয়ের বাড়ি যাই; ছেলেরা বিয়ে করে যে যার মতো থাকে। আমি এখন ঢাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আঞ্জুর ওয়ার্ড অফিসে টেবিল মোছা, সার্টিফিকেটের ওপর তারিখ লেখা এবং সিল মারার কাজ করি। বেতন পাঁচ হাজার টাকা। এর থেকে ঘর ভাড়া দিতে হয় তিন হাজার টাকা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গত টার্ম থেকে ৩০০ টাকা করে ভাতা পাচ্ছি। তারপর বিএনপি এসে ২০০ টাকা বাড়িয়ে দিল। এবার আওয়ামী লীগ এসে দেড় হাজার টাকা বাড়াল। তা পাই ছয় মাস পর পর। লৌহজং সোনালী ব্যাংক থেকে গিয়ে তুলে আনতে হয়। এ দিয়ে কোনোমতে চলছি। এটা আসলে চলা না। জীবনও না। আমার দুইবার স্ট্রোক হয়েছে। গলায় টিউমার হয়েছে। অপারেশন করাতে নাকি ৪০ হাজার টাকা লাগবে। তাই আর ডাক্তারের কাছে যাই না। টাকা পাব কথায়? ৪০ বছর ধরে একটি বাড়ির জন্য কাগজপত্র দিচ্ছি। সব সরকারের আমলেই দিয়েছি। এই কাগজপত্র কোথায় যায় জানি না। এবার ঈদের দিন আপার (শেখ হাসিনা) সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে সেখানেও দিয়ে এসেছি। কিন্তু ওই কাগজ গেল কই? এই ঢাকা শহরে রাজাকারদের পাঁচ-ছয়টি বাড়ি। অথচ আমাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই। অথচ আমি একজন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা। দুই পায়ে গুলির আঘাত। এটা সহ্য হয় না।
যুদ্ধে নির্যাতিতা বলে এখনো অনেকে তাচ্ছিল্য করে। অপমান লাগে। একটি কথা আজও মনে পড়ে, ১৯৭২ সালে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ফজলু ভাইয়ের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে যাই। তিনি আমাদের এক হাজার টাকা এবং একটি সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন। তখন বঙ্গবন্ধুকে বলি, আমাদের তো সবাই অন্য চোখে দেখে! বঙ্গবন্ধু মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলেছিলেন, ‘কে কইছে তোরা বীরাঙ্গনা_তোরা তো বঙ্গমাতা।’

বঙ্গবন্ধু (দেয়ালে টাঙানো বঙ্গবন্ধু পরিবারের বেশ কয়েকটি ছবির ওপর পরম মমতায় হাত বুলিয়ে) আমার বাবা, শেখ হাসিনা আমার বোন। তাঁর কাছে আমার দাবি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। মনে হয় আরেকটা যুদ্ধ করতে হবে। সেটা হচ্ছে জয়ের যুদ্ধ। এখনো রাজাকারে ভরে আছে দেশ। জয় বাংলার পতাকা কেন রাজাকারের গাড়িতে উড়ব? আর একটি কথা, যে দা দিয়ে তিন পাকসেনাকে খতম করেছি, সেটি আমি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে দিতে চাই।

পরিচিতি : কাঞ্চনমালা, বাবা কালু খান, গ্রাম-গৌরগঞ্জ, ডাকঘর-ধাইরা, থানা-লৌহজং, জেলা-মুন্সীগঞ্জ, মুক্তিবার্তা নম্বর ০১০৩০৪০০৫৯, গেজেট নম্বর ৮৬৮, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সনদপত্র নম্বর স্মারক নং-মু.বি.ম/সা/মুন্সীগঞ্জ প্র.-৩/৩/২০০২/৬০৪, ম-৮৬৪০৪। বর্তমানে তিনি বাড়ি নম্বর ২৩, রোড-২, ব্লক-এইচ, সেকশন-২, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬ ঠিকানায় সাবলেট হিসেবে আছেন।

অনুলিখন : শরীফা বুলবুল

[ad#bottom]