অধ্যাপক শামসুল হুদার ইন্তেকাল

সাবেক গণপরিষদ সদস্য, জাতীয় সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাতীয় কমিটির সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অধ্যাপক কে এম শামসুল হুদা (৭৫) বুধবার ঢাকার সিটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিলস্নাহেঃ রাজেউন)। তিনি স্ত্রী, ২ মেয়ে, ১ ছেলে রেখে গেছেন। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ পস্নাজায় তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় সংসদের স্পিকার অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ, চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ, হুইপ আ.স.ম ফিরোজ, ইদ্রিস আলী এমপি, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপিসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, উপ-দপ্তর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি এমপি উপস্থিত ছিলেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় তার জন্মস্থান মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার পাইলট হাইস্কুল মাঠে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে। শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বাদ আছর মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। তার মৃতু্যতে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

ইত্তেফাক
————————————

সাবেক সাংসদ শামসুল হুদা মারা গেছেন

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক গণপরিষদ ও সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যাপক কেএম শামসুল হুদা (৭৫) আর নেই। পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, বার্ধক্যজনিত কারণে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু লালমাটিয়া সিটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর এই ঘনিষ্ঠ সহচর স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরীর বোনজামাই।

শামসুল হুদা ১৯৭০ সালে গণপরিষদ সদস্য ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নম্বর সেক্টরের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ছিলেন; সম্মুখযুদ্ধে তিনি গ্রেনেডের স্লিন্টারে আহতও হন।

শামসুল হুদা ১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদে মুন্সীগঞ্জ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৭৩ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

অধ্যাপক হুদার প্রথম নামাজে জানাজা বাদ জোহর লালমাটিয়া বিবির মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকেল ৩টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দ্বিতীয় জানাজা ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়া হবে।

বাদ মাগরিব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় জানাজা শেষে তাকে ঢাকার মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

অধ্যাপক হুদার মেয়ে ড. জিনাত হুদা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক, সিনেট সদস্য ও নীল প্যানেলের সহ-আহবায়ক। মেয়ে ফাজরিন হুদা একই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব ধর্ম বিষয়ের অধ্যাপক এবং ছেলে মুসাইড আমিরুল হুদা ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকে কর্মরত আছেন।

বিডি নিউজ 24 ১৫-১২-২০১০
————————————————

[ad#bottom]