সিরাজদিখানে নির্মাণের ছয় মাস পরই রাস্তার দুরবস্থা

নির্মাণের ছয়মাস পরই মরণ ফাঁদ হিসাবে দেখা দিয়েছে মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার ইমামগঞ্জ-বাসাইল-গুয়াখোলা-রামকৃষ্ণদী রাস্তার গুয়াখোলা দেওয়ানবাড়ী হতে বাগবাড়ি কবরস্থান পর্যন্ত রাস্তাটি। এলজিইডি বিভাগের নতুন এক কিলোমিটার এ রাস্তার নির্মাণ ব্যয় হয়েছে প্রায় সাতাশ লক্ষ টাকা। গত জুনে রাস্তার নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। ইমামগঞ্জ হইতে রামকৃষ্ণদী পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তার মধ্যবতর্ী এই এক কিলোমিটার রাস্তা বেহাল দশা হওয়ায় এখন পুরো প্রকল্পটি নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। হিসাব অনুযায়ী রাস্তাটির উপরের অংশ ১৬ ফুট প্রশস্ত হওয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ জায়গাই দশ ফুটের বেশী প্রশস্ত হয় নাই। এমনকি রাস্তার উচ্চতাও প্রথম অংশ হতে শেষ অংশ প্রায় ২/৩ ফুট নিচু। তাই এ বর্ষা মৌসুমে রাস্তার প্রায় অর্ধেক অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। ইট বিছানো (এইচবিবি) রাস্তায় বর্তমানে ইটাগুলি বিভিন্ন জায়গায় দেবে যাওয়ায় পায়ে হাটাও অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

এলাকাবাসীর রাজধানী ঢাকাসহ স্কুল-কলেজ,হাট-বাজার ও নিত্যদিনের যাতায়াতের এটাই একমাত্র রাস্তা। বর্তমানে রাস্তার এ দুরবস্থার কারণে এলাকাবাসীর চলাচলের ক্ষেত্রে দুর্ভোগ চরমে পেঁৗছেছে।

এব্যাপারে সিরাজদিখান উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ শাহজাহান আলী জানান, বর্তমানে রাস্তা নির্মাণকারী ঠিকাদারের সিকিউরিটির টাকা জমা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঠিকাদারকে সঠিকভাবে রাস্তাটি মেরামত করার জন্য বলা হয়েছে ।

[ad#bottom]