আবুল হোসেন

সাংবাদিকতা পেশায় আবুল হোসেন অতি পরিচিত মুখ। দীর্ঘকাল সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত থাকার পাশা-পাশি প্রতিভাধর, তারুণ্য-নির্ভর এই সাংবাদিক শিল্প, সাংস্কৃতি, মেধাসম্পূর্ণ একজন লেখক। সাহিত্য চর্চায় তার প্রবেশ ঘটে ১৯৮৪ সালে বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় ছোট ছোট গল্প লেখার মাধ্যমে। নাটক, গান, বাজনা এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিটি স্তরেই রয়েছে তার পদার্পণ। নাট্যায়ন নামে একটি গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন এর সভাপতি হিসেবেওস দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, বাংলার বাণী ইউনিটের ইউনিট চীফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ৯২, ৯৩, ৯৪ সালে।

অপরাধ বিষয়ক কর্মশিবিরে অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে লেখক. জুন ১৯৯০(পিছনের সারীতে দ্বিতীয়)

স্থায়ী নাট্যমঞ্চ এবং এরশাদ শাসনামলে নাটকের উপর আরোপিত সেন্সরশীপ বাতিলের দাবিতে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের বিভিন্ন আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। মঞ্চে মনাপাগলা, লালসূর্যের কলঙ্ক, একটি ধাবমান ট্রেনের গল্প নাটকে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়ান। যুবনেতা দৈনিক বাংলার বাণী, টাইমস ও সাপ্তাহিক সিনেমা প্রত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক শেখ ফজলুল হক মনি প্রতিষ্ঠিত শিশু সংগঠন শাপলা কুঁড়ির আসরের কেন্দ্রীয় কমিটিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন একনিষ্ঠভাবে। ১৯৯৮ সালে পল্লী চিকি­সক সমাজ পদক, ৯৯ সালে বাংলাদেশ ছাত্র পরিষদের বিজয় দিবস পদক, ২০০০ সালে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক পরিষদ পদক, ২০০৯ সালে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন কর্তৃক সম্মামনা পদক লাভ করেন।

মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার মেদিনীমন্ডল ইনিয়নের ছেলে আবুল হোসেন ১৯৮৪ সাল থেকে সাংবাদিকতা পেশার সাথে যুক্ত। ১৮ বছর নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন দৈনিক বাংলার বাণী পত্রিকায়। ৯৬ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা দায়েরের পর থেকে এই মামলার সংবাদ সংগ্রহ ও লেখার দায়িত্ব পালন করে প্রমাণ করেছেন যোগ্যতা। ২০০৯ সালের একুশে গ্রন্থ মেলায় প্রকাশিত হয়েছে লেখকের ইতিহাসমূলক তথ্য সমৃদ্ধ গ্রন্থ ‘বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা তদন্ত ও বিচার’। ‘বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা ডেথ রেফারেন্স’ নামে এই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হলো ২০১০ একুশে গ্রন্থ মেলায়। গ্রন্থটিতে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় কার্যকরের ক্ষেত্রে সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগের শুনানী ও যুক্তিতর্ক তথ্য উপাত্ত তারিখ অনুযায়ী প্রকাশ করে লেখক বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্য নির্ভর একটি গ্রন্থ দেশবাসীর নিকট উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন। গ্রন্থটি নি:সন্দেহে বঙ্গবন্ধুর উপরে যে কোন ধরনের লেখা-লেখি কিংবা গবেষণার ক্ষেত্রে অবদান রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।যা বর্তমান ও ভবিষৎ প্রজন্মের কাছে একটি প্রামাণ্য দলিল হিসেবে কাজ করবে বলে আমি মনে করি। এছাড়াও গ্রন্থটিতে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর বেশ কিছু দুর্লভ চিত্র।

সোর্স

[ad#bottom]