মাইক্রোর সিএনজি সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পিতা কন্যাসহ একই পরিবাররের নিহত ৪॥ আহত ৮

সৌদি ফেরত চাচাকে রিসিভ করা হলো না নাহিদা, জুয়েল ও মেহেদীর
শনিবার দুপুরে দেড়টায় মাইক্রেবাসের সিএনজি সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে পিতা ও কন্যাসহ একই পরিবারের চার আরোহী জীবন্ত অগ্নি দগ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে। গজারিয়া থানার ওসি আরজু মিয়া জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া উপজেলার বলুয়াকান্দি শেরআলী পেট্রোল পাম্পের কাছে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতরা হচ্ছেন ব্রাম্মনবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাসগাড়ী গ্রামের রমজান আলীর পুত্র ফুল মিয়া (৫৫) ও কন্যা নাহিদা (৮) এবং ভাতিজা জুয়েল (১০) ও মেহেদী (১০)।

এই সময় গাড়িতে থাকা রুবেল (২১), শাহিন (১২), জিহাদ (৭), মিজান (২৫), গাজী আবুল হোসেন(৪০), সরুজ মিয়া (৩০) ও গাড়িচালকসহ ৮জন লাফিয়ে রক্ষাপান। তারা সকলেই কমবেশী আহত হয়েছে। স্থানীয় হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

নিহত জুয়েলের পিতার নাম রফিক মিয়া এবং মেহেদীর পিতা অহিদ মিয়া। ফুল মিয়া ছোট ভাই আব্দুল হান্নানকে বিমান বন্দরে রিসিভ করতে যাচ্ছিল। সৌদি আরব থেকে আব্দুল হান্নান দীর্ঘ দিন পরে দেশে ফিরেই এই আপন ভাই ও তিন ভাতিজা ভাতিজির করুন মৃত্যুর খবরে হতবিহ্বল হয়ে পড়েন। আব্দুল হান্নান বার বার মুর্ছা যান। এদিকে সন্ধ্যায় মানবিক কারণে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি সাপেক্ষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতদের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম জানান, এই পাম্প থেকে গ্যাস নিয়ে মাইক্রোটি (ঢাকা মেট্রো চ-১১-৩৫০৩) ইউ টার্ন করে ঢাকার দিকে যা”িচ্ছল। এই সময় ডিবাইডারের (আইল্যান্ড) সাথে ধাক্কা লেগে প্রচন্ড শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং মাইক্রোটিতে আগুন ধরে যায়। মাইক্রোটিতে চালকসহ ১২ জন আরোহী ছিলেন। বাকীরা লাফ দিয়ে বেড়িয়ে রক্ষা পায়।

স্বজনকে রিসিভ করতে মাইক্রোটি নিয়ে ব্রাম্মনবাড়িয়া থেকে তারা ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে যাচ্ছিল।

সৌদি ফেরত প্রিয় চাচাকে রিসিভ করার জন্য উন্মুখ ছিলো শিশু নাহিদা, জুয়েল ও মেহেদী। বিমান বন্দর দেখারও অনেক ইচ্ছে ছিল তাদের। তাই আব্দুল হান্নান বলেছেন তাদের বিমান বন্দরে নিতে আসতে। কিন্তু সবই এখন স্বপ্ন। বিমানবন্দর দেখা হলো না, চাচাকেও রিসিভ করা হলো না।

বিক্রমপুর সংবাদ
———————————————-

গাড়ির গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ৪

মুন্সীগঞ্জে দুর্ঘটনার পর একটি মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত হয়েছে তিন শিশুসহ চারজন। শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে গজারিয়া উপজেলার বলুয়াকান্দিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশের সিএনজি স্টেশন শেরআলী’র সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে। নিহতরা হলেন- নাহিদা (৮), জুয়েল (১০), মেহেদী (১০) ও ফুল মিয়া (৫৫)। তারা সবাই এক পরিবারের সদস্য। ফুল মিয়ার মেয়ে হচ্ছে নাহিদা, অন্য দুই শিশু তার ভাস্তে। জুয়েলের বাবা রফিক মিয়া এবং মেহেদীর বাবা অহিদ মিয়া।

পুলিশ জানিয়েছে, ছোট ভাই সৌদি প্রবাসী আব্দুল হান্নানকে আনতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাসগাড়ি গ্রামের ফুল মিয়া পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকা শাহজালাল বিমানবন্দরে যাচ্ছিলেন।

মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “সিএনজি স্টেশনে গ্যাস নিয়ে মাইক্রোবাসটি বের হওয়ার সময় রোড ডিভাইডারের সঙ্গে এর ধাক্কা লাগে। সঙ্গে সঙ্গে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে মাইক্রোবাসটিতে আগুন ধরে যায়।”

গজারিয়া থানার ওসি আরজু মিয়া বলেন, গাড়িটিতে চালকসহ ১২ জন আরোহী ছিলেন। অন্যরা লাফিয়ে নামতে পারলেও চার জন বের হতে পারেনি। তারা পুড়ে মারা যায়।

লাশগুলো মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। বিদেশ থেকে ফিরে সেখানে ছুটে যান হান্নান। ভাই, ভাস্তে ও ভাস্তির লাশ দেখে বারবার মূর্চ্ছা যাচ্ছিলেন তিনি।

সন্ধ্যায় মানবিক কারণে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।

বিডি নিউজ 24

———————————————————-

মুন্সীগঞ্জে গ্যাসসিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৪ মাইক্রেবাস আরোহী নিহত

মুন্সীগঞ্জে মাইক্রোবাসের গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে শনিবার দুপুরে তিন শিশুসহ চারজন দগ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন।

গজারিয়া থানার ওসি আরজু মিয়া বাংলানিউজকে জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া উপজেলার বলুয়াকান্দি শেরআলী পেট্রোল পাম্পের কাছে এ ঘটনাটি ঘটে।

নিহতরা হলেন নাহিদা (৮), ফুল মিয়া (৫৫), জুয়েল (১০) ও মেহেদী (১০)।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বাংলানিউজকে জানান, পাম্প থেকে গ্যাস নিয়ে মাইক্রোটি (ঢাকা মেট্রো চ-১১-৩৫০৩) ইউ টার্ন করে ঢাকার দিকে যচ্ছিল। এই সময় ডিভাইডারের সঙ্গে ধাক্কা লেড়ে প্রচন্ড শব্দে গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। এতে মাইক্রোবাসটিতে আগুন ধরে যায়।

মাইক্রোবাসটিতে চালকসহ আটজন আরোহী ছিলেন। অন্যরা লাফ দিয়ে বেড়িয়ে রা পান।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

—————————————-

মুন্সীগঞ্জে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে গাড়িতে আগুন, একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

কাজী দীপু ও ফয়েজ আহমদ তুষার:
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় গতকাল শনিবার সিএনজি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ফুল মিয়া, মাহফুজ, জুয়েল ও নাহিদা নামের একই পরিবারের ৪ মাইক্রোবাস যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় রুবেল, শাহিন, গিয়াস, মিজান, আবুল হোসেন ও সুরুজ মিয়া নামে ৬ জন অগ্নিদ্বগ্ধ হয়েছেন। তাদের সবার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাশগাড়ী গ্রামে। অগ্নিদগ্ধদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাশগাড়ী এলাকা থেকে মাইক্রোবাস নিয়ে শিশুসহ ১০ যাত্রী রমজান মিয়ার ছেলে সৌদি আরব প্রবাসী হান্নানকে এগিয়ে নেয়ার জন্য ঢাকা বিমানবন্দরে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে মাইক্রোবাসটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বালুয়াকান্দি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন শাহ শের আলী সিএনজি পাম্প থেকে গ্যাস নিয়ে বের হওয়ার সময় গ্যাস সিলিন্ডারের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আগুনে মাইক্রোবাসটি পুড়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানায়, দুপুর ১টার দিকে মাইক্রোবাসটিতে আগুন লাগার এক ঘণ্টা পর দমকল বাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায়। দমকল কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ৪ জনকে বাঁচানো যেত বলে অনেকে মনে করছেন। অগ্নিদগ্ধ হয়ে আহত মিজান জানান, চাচাতো ভাই হান্নান ৪ বছর পর সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরায় ভাই, ভাতিজা ও ভাতিজিকে নিয়ে বিমানবন্দরে যাচ্ছিলাম। কিন্তু ভাই হান্নানকে এক নজর দেখার আগেই আগুনে পুড়ে মৃত্যুর শিকার হলেন বড় ভাই ফুল মিয়া, ভাতিজি নাহিদা ও ভাতিজা জুয়েল ও মাহফুজ। গজারিয়া থানার ওসি আরজু মিয়া জানান, মৃত ব্যক্তিদের লাশের যে অবস্থা তাতে ময়নাতদন্ত করা সম্ভব হবে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আমাদের সময়
———————————————————-

মুন্সীগঞ্জে মাইক্রো’র সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৪ জন নিহত

মুন্সীগঞ্জে দুর্ঘটনার পর একটি মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে তিন শিশুসহ চারজন জীবন্ত দগ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে গজারিয়া উপজেলার বলুয়াকান্দিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশের সিএনজি স্টেশন শেরআলী’র সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে। নিহতরা হলেন- নাহিদা (৮), জুয়েল (১০), মেহেদী (১০) ও ফুল মিয়া (৫৫)। তারা সবাই এক পরিবারের সদস্য। ফুল মিয়ার মেয়ে নাহিদা, আর অন্য দুই শিশু তার ভাতিজা। জুয়েলের বাবা রফিক মিয়া এবং মেহেদীর বাবা অহিদ মিয়া। ফুল মিয়ার ছোট ভাই আব্দুল হান্নানকে হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রিসিভ করতে যাচ্ছিলেন তারা।

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরজু মিয়া ইত্তেফাককে জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া উপজেলার বলুয়াকান্দি শেরআলী পেট্রোল পাম্পের কাছে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহতদের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাসগাড়ী গ্রামে। এই সময় গাড়িতে থাকা রুবেল, শাহিন, জিহাদ, মিজান, গাজী আবুল হোসেন, সরুজ মিয়া ও গাড়িচালকসহ ৮ জন লাফিয়ে প্রাণে রক্ষা পান। তারা সকলেই কমবেশী আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পরে তারা বাড়ি ফিরেছেন বলে পুলিশ জানায়।

সৌদি আরব থেকে আব্দুল হান্নান দীর্ঘদিন পর দেশে ফিরেই আপন ভাই ও তিন ভাতিজা-ভাতিজির করুন মৃতু্যর খবরে হতবিহ্বল হয়ে পড়েন। তিনি বারবার মূছর্া যান। এদিকে সন্ধ্যায় মানবিক কারণে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে ময়না তদন্ত ছাড়াই নিহতদের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে পুলিশ কর্মকর্তারা জানান। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম জানান, সিএনজি স্টেশন থেকে গ্যাস নিয়ে মাইক্রোবাসটি (ঢাকা মেট্রো চ-১১-৩৫০৩) ইউ টার্ন করে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। এই সময় ডিভাইডারের (আইল্যান্ড) সাথে ধাক্কা লেগে প্রচণ্ড শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং মাইক্রোবাসটিতে আগুন ধরে যায়। তখন মাইক্রোবাসে চালকসহ ১২ জন আরোহী ছিলেন। ৮ জন লাফ দিয়ে মাইক্রোবাস থেকে বেরিয়ে প্রাণে রক্ষা পেলেও চারজন নিহত হন।

নিহতদের আত্মীয়-স্বজন বলেন, সৌদি ফেরত প্রিয় চাচাকে রিসিভ করার জন্য উন্মুখ ছিলো শিশু নাহিদা, জুয়েল ও মেহেদী। বিমানবন্দর দেখারও অনেক ইচ্ছে ছিল তাদের। তাই আব্দুল হান্নান বলেছেন, তাদের বিমানবন্দরে নিতে আসতে। কিন্তু সবই এখন স্বপ্ন। বিমানবন্দর দেখা হলো না, চাচাকেও রিসিভ করা হলো না।

ইত্তেফাক
———————————————————–

[ad#bottom]