প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে চূড়ান্ত হবে

পদ্মা সেতুতে সাহায্য
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন জাপান সফরে পদ্মা সেতু নির্মাণে আর্থিক ও কারিগরি সাহায্যের বিষয়টি চূড়ান্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আগামী ২৮ নভেম্বর তিনদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি সোমবার বলেন, “এসময় দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে।”

বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু নির্মাণে বড় আকারের সহায়তা দিয়েছিলো জাপান। পদ্মা সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাই সমীক্ষা করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। জাইকা পদ্মা সেতু নির্মাণে অর্থ সহায়তা দিতে আগ্রহী বলে গত সেপ্টেম্বরে জানান যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন।

আগামী বছরের জানুয়ারিতে পদ্মা সেতুর নির্মাণ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণে চীনসহ অন্য প্রতিবেশি দেশ থেকে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা পেতেও সরকার আগ্রহী বলে জানান দীপু মনি। তিনি বলেন, “প্রতিবেশী দেশগুলো ব্যবহার না করলে গভীর সমুদ্রবন্দরকে অর্থনৈতিকভাবে কাজে লাগবে না। তাদের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা বন্দরটির যথার্থ ব্যবহার নিশ্চিত করবে।”

বহুল আলোচিত ট্রানজিটের ফি নির্ধারণে অর্থ মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও জানান দীপু মনি।

তিনি জানান, গত সপ্তাহে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ত্রিপুরা সফরের সময় সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি বিষয়ে তার আগ্রহের কথা আবারো প্রকাশ করেন।

দীপু মনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন পেলে ত্রিপুরা তার অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে রপ্তানিতে আগ্রহী।” ত্রিপুরায় নির্মাণাধীন সাতশ ২৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ওই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রপ্তানি করবে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যটি। ২০১২ সালের এপ্রিলের মধ্যে এ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরু হবে।

দুই দেশের মধ্যে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন স্থাপনে স¤প্রতি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ ও ভারত।

[ad#bottom]