শ্রীনগরে অগ্নিদগ্ধ গৃহবধূর মৃত্যু

পারিবারিক কলহের জের ধরে মুন্সিগঞ্জে অগ্নিদগ্ধ গৃহবধু লিপি আক্তার মঙ্গলবার ভোর ৪ টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। জানা যায়, মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার কামারগাঁও গ্রামের জসিম খানের স্ত্রী লিপি আক্তর সোমবার নিজের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এ ঘটনায় আধা ঘন্টা আগেও তাকে মারধর করা হয়। এটি হত্যা না আত্মহত্যা এ ব্যাপারে এলাকায় নানা গুঞ্জন রয়েছে।

শ্রীনগর থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন জানান, আপাতদৃষ্টিতে যে সকল প্রমানাদি পাওয়া গেছে তাতে মনে হচ্ছে আত্মহত্যা। এ ব্যাপারে অনুসন্ধান চলছে । প্রয়োজনীয় সকল আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

২ সন্তানের জননী হিন্দু মেয়ে লিপি ৫ বছর আগে প্রেম করে বিয়ে করে সবজল খাঁনের পুত্র জসিম খানকে। এরপর তিনি মুসলমান ধর্ম গ্রহন করেন। এরপর আর বাবার বাড়ির সাথে কোন যোগাযোগ ছিল না লিপির।

এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায় বিয়ের পর থেকেই লিপির উপর নির্যাতন চালানো হত। এ নিয়ে কয়েক দফা সালিশ বৈঠকও হয়েছে । লিপিকে বাড়ী থেকে বেরও করে দেওয়া হয়েছিল। থানায় অভিযোগ পত্র দাখিলের পর সালিশের মাধ্যমে তাকে শ্বশুর বাড়ীতে তুলে দেওয়া হয়। স্বামী বিদেশ থেকে দেশে আসার পর ২ মাস আগেও এ নিয়ে সালিশ বৈঠক হয়েছিল।

শ্রীনগর থানার ওসি জানান, নর্থ বেঙ্গলের মেয়ে লিপির বাবার বাড়ির ঠিকানা এখনও জানা যায়নি। খোজ নেয়া হচ্ছে। ময়না তদন্তের পর লাশ লিপির স্বামীর হাতে তুলে দেয়া হবে।

বিক্রমপুর সংবাদ
——————————————–

মুন্সীগঞ্জের অগ্নিদগ্ধ গৃহবধূর মৃত্যু

পারিবারিক কলহের জেরে মুন্সীগঞ্জে অগ্নিদগ্ধ গৃহবধূ লিপি আক্তার মঙ্গলবার ভোরে মারা গেছেন।

সোমবার কেরোসিনের আগুনে দগ্ধ হওয়ার পর তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিসাধীন ছিলেন।

লিপি আক্তার জেলার শ্রীনগর উপজেলার কামারগাঁও গ্রামের জসিম খানের স্ত্রী। জসিম স¤প্রতি বিদেশ থেকে এসেছেন।

শ্রীনগর থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য থেকে মনে হচ্ছে এটি আতœহত্যা। এ ব্যাপারে অনুসন্ধান চলছে।

পুলিশ কর্মকর্তা জানান, দুই সন্তানের জননী লিপি পাঁচ বছর আগে নিজের পছন্দে বিয়ে করেন সবজল খাঁনের ছেলে জসিম খানকে।

হিন্দু স¤প্রদায়ের মেয়ে লিপি বিয়ের পর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর বাবার বাড়ির সঙ্গে সাথে যোগাযোগ ছিল না।

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা জানান, বিয়ের পর থেকেই লিপির ওপর নির্যাতন চালাত শ্বশুর বাড়ির লোকজন। এ নিয়ে কয়েক দফা সালিশ বৈঠকও হয়েছে।

এক পর্যায়ে লিপিকে শ্বশুর বাড়ি থেকে বের করে দিলে তিনি থানায় অভিযোগ করেন। এরপর সালিশের মাধ্যমে আবার ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

ওসি আরো জানান, উত্তরবঙ্গের কোনো এক জেলায় লিপির বাবার বাড়ি। তবে ওই ঠিকানা এখনও জানা যায়নি। খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

ময়নাতদন্তের পর লাশ লিপির স্বামীর হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

বিডি নিউজ 24
———————————————-

[ad#co-1]