মুন্সীগঞ্জে রাতভর সংঘর্ষ-গোলাগুলি

মুন্সীগঞ্জের চরাঞ্চলে স্থানীয় দুটি পক্ষের মধ্যে রাতভর সংঘর্ষ ও গোলাগুলির খবর পাওয়া গেছে। সোমবার দিবাগত রাত মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের আমঘাটায় এই সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত একজন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছে ২০ জন। স্থানীয়রা বলেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে শাহ আলম মল্লিক ও রিপন মল্লিকের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দুটি গ্র”পই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমর্থক।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে সদর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. হান্নান জানান।

তিনি সাংবাদিকদের জানান, রাতেই পুলিশ বাদি হয়ে ৫০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রাতভর হামলা পাল্টা হামলা, বোমা বিস্ফোরণ ও গোলাগুলিতে চরাঞ্চল রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। তবে পরে আবার দুপক্ষই বিচ্ছিন্নভাবে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালাতে থাকে। এক পর্যায়ে ওই এলাকার কংসপুড়া গ্রামের হাশেম আলীর ছেলে কালাম (২৩) গুলিবিদ্ধ হন।

তাকে প্রথমে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঢাকায় নেওয়ার পথে কালাম মারা গেছেন- এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুপক্ষের মধ্যে আবার গোলাগুলি ও বোমা ফাটানোর ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত গোলাগুলি ও বোমা ফাটানোর ঘটনা ঘটে। এতে আতঙ্কিত হয়ে এলাকার লোকজন নিরাপদ স্থানে সরে যায়।

সংঘর্ষে আহতরা গ্রেপ্তার এড়াতে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে না এসে গোপনে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছে বলেও এলাকাবাসী জানায়।

এএসআই হান্নান জানান, সকালে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে বলেও জানান তিনি।

বিডি নিউজ 24
————————————————–

মুন্সিগঞ্জের চরাঞ্চরণ ক্ষেত্র ॥ রাতভর গোলাগুলি ॥ আহত ২০, গ্রেফতার ১১

মুন্সিগঞ্জের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের আমঘাটায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ১১ জনকে। সোমবার গভীর রাতে পুলিশ বাদী হয়ে দুই গ্রুপের ৫০ জনকে আসামী করে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছে বলে এএসআই মো.হান্নান জানান। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত বলে তিনি জানান।

রাতভর হামলা পাল্টা হামলা ও মুহুর্মুহু ককটেল বিষ্ফোরণ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। আহতরা গ্রেফতার এড়াতে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে না এসে স্থানীয় চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। পরে দুপক্ষের লোকজনই গুপ্ত হামলা শুরু করে। এতে কংসপুড়ার হাসেম আলী মোল¬ার ছেলে কালাম (২৩) গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। আহত অবস্থায় মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে আশংকাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা পাঠানো হয়। পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়েছে এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের মধ্যে আবার গোলাগুলি ও ককটেল বিষ্ফোরণের ঘটানা ঘটে।

মঙ্গলবার দিনেও দুগ্রুপের সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। সকাল থেকেই পুলিশের উচ্চ পদস্থ কর্মকতারা সেখানে অবস্থান করছে। তাদের সামনেই ককটেল বিষ্ফোরণ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে বলে এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শাহ আলম মল্লি¬ক ও রিপন মল্লি¬কের লোকজন এ ঘটনা ঘটায়। ককটেল ও গুলির শব্দে আতংকিত লোকজন সকাল হতেই ছুটোছুটি করে পাশ্ববর্তী গ্রামও সহ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়। রাতেই এলাকা পুরুষ শূন্য হয়ে যায়।

বিক্রমপুর সংবাদ

[ad#co-1]