মুন্সীগঞ্জে আনসার ক্যাম্পের রাইফেল লুট, চিরুনি অভিযান

গজারিয়ার এসকোয়ার ইলেক্ট্রনিক্সের গুদামে আনসার ক্যাম্পের রাইফেল লুটের ঘটনায় কর্তব্যকালীন আনসার ও ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী অঞ্চলের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের সন্দেহ করা হচ্ছে। আনসারদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে রাইফেল ও গুলিভর্তি ম্যাগাজিন লুটের সঙ্গে এরাই জড়িত বলে পুলিশ প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছে। তবে এ ঘটনার তেমন কোন অগ্রগতি নেই বলে জানিয়েছেন গজারিয়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ আরজু মিয়া।

তিনি জানান, গতকাল পর্যন্ত লুণ্ঠিত ১টি রাইফেল ও ৫ রাউন্ড গুলিসহ রাইফেলের ম্যাগাজিন উদ্ধার হয়নি। ঘটনা খতিয়ে দেখতে ৩ আনসার সদস্য পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে রয়েছে। আনসার সদস্য জুলহাস, মনির হোসেন, আরিফকে গতকাল সকাল থেকে একাধিকবার থানা হাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, লুণ্ঠিত রাইফেল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাঠে পুলিশের একাধিক টিম রাইফেল উদ্ধারে চিরুনি অভিযান চালিয়েছে গজারিয়া উপজেলার একাধিক স্থানে। অন্যদিকে, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ৩ আনসার সদস্য তেমন কোন তথ্য দেয়নি। তারপরও রাইফেল লুটের সঙ্গে আনসার সদস্যদের জড়িত থাকার প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। এ প্রসঙ্গে জেলা পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, রাইফেল লুটের ঘটনায় পুলিশ অনুসন্ধানী তদন্ত চালাচ্ছে।

গজারিয়া থানায় দায়েরকৃত মামলার সূত্র ধরে ওই তদন্ত করছে পুলিশ। আনসার ক্যাম্পের রাইফেল লুটে আনসার সদস্যরা ও ঘটনাস্থল জামালদী বাস স্ট্যান্ড অঞ্চলের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের সন্দেহ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, রাইফেল লুটের ঘটনায় আনসার ও ভিডিপির পক্ষ থেকে কোন তদন্ত কমিটি গঠিত হয়নি। তবে ঘটনাটি নিয়ে সেখানে কর্তব্যকালীন আনসার সদস্যদের সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ করা হয়েছে বলে গজারিয়া উপজেলার আনসার ও ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন খান জানিয়েছেন। তিনি বলেন- আনসার ও ভিডিপি কোন ঘটনার তদন্ত কমিটি গঠনের এখতিয়ার রাখে না। এ ঘটনায় কেবল পুলিশ তদন্ত চালাবে। উল্লেখ্য, বুধবার ভোর ৪টার দিকে জেলার গজারিয়া উপজেলার জামালদী বাস স্ট্যান্ড এলাকার এসকোয়ার ইলেক্ট্রনিক্সের গুদামে দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে দুর্বৃত্তরা ২টি রাইফেল ও ১০ রাউন্ড গুলি ভর্তি ২টি রাইফেলের ম্যাগাজিন লুটে নিয়ে যায়।

[ad#co-1]