যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেই ঘরে ফিরবো

লৌহজংয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এবি তাজুল ইসলাম তাজ (অবঃ) বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করেই ঘরে ফিরবো। সকল মুক্তিযোদ্ধারাদেরও একই প্রতিজ্ঞা। ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে বাংলাদেশকে এক শ’ বছর পিছিয়ে দিয়েছে । বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছেন ঠিক সেই মুহুর্তে বিরোধী দলীয় নেত্রী দুর্নীতিবাজ নিজের দুই ছেলেকে বাঁচাতে আন্দোলনের ডাক দিচ্ছেন। যা হাস্যকর।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লৌহজং উপজেলা পরিষদ মাঠে লৌহজং, সিরাজদিখান ও টঙ্গীবাড়ি ৩ উপজেলার ২শ’১৯ জন মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে ১৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ভাতা বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিশেষ অতিথি জাতীয় সংসদের হুইপ সাগুফতা ইয়াসমীন এমিলি এমপি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে যাঁরা অবস্থান নিচ্ছে তারা জাতির শত্রু, তারাই যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়ে জাতীয় পতাকা গাড়িতে উড়ানোর সুযোগ করে শহীদদের রক্তের সাথে বেইমানী করেছে।

লৌহজং মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের কমান্ডার মাহবুবউল আলম বাহারের সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হেলাল মোর্রশেদ, জেলা প্রশাসক মো. আজিজুল আলম, পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম, তিন উপজেলা চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহম্মেদ, ওসমান গনি তালুকদার, ইঞ্জিনিয়ার কাজী ওয়াহিদ, মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট ঢালী মোয়াজ্জেম হোসেন, ফকির মোহাম্মদ আঃ হামিদ, এনামুল হক চৌধুরী, সাংবাদিক শাহজাহান মিয়া ও আবুল বাসার প্রমুখ।

প্রতিমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, যে নারী নিজের দুই সন্তানকে মানুষ হিসেবে সুন্দর করে গড়ে তুলতে পারেনি তিনি কিভাবে দেশের ১৬ কোটি মানুষের সুন্দর জীবন গড়বেন? তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সুন্দর জীবন গড়তে সব রকম ব্যবস্থা আওয়ামীলীগ সরকার গ্রহন করেছে। প্রত্যেকটি উপজেলায় একটি করে মুক্তিযোদ্ধা ভবন নির্মান করা হবে।

[ad#co-1]