ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক অবরোধ ॥ যানজট

মুন্সিগঞ্জে পরিবহন মালিক প্রহৃত
শনিবার ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের শ্রীনগর উপজেলার বেজগাঁও নামকস্থানে পরিবহন ব্যবসার বিরোধ নিয়ে আপন পরিবহনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা প্রহৃত হয়েছেন। এই নিয়ে মহাসড়কটিতে উত্তেজনার ছড়িয়ে পড়ে। এই মহাসড়কে চলাচলকারী আপন পরিবহনের লোকজন রাস্তায় র‌্যারিকেট সৃষ্টি করে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটিতে সৃষ্টি হয় যানজট। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত আধা যান চলাচল বন্ধ থাকার পর প্রশাসনের হস্তক্ষেপে যানচলাচল শুরু স্বাভাবিক হয়।

শ্রীনগর থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন জানান, আপন পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বকুল খানকে মহানগর পরিবহনের লাইনম্যান হারুন বেপারী লোকজন নিয়ে লাঞ্ছিত করে। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। মহাসড়কটির লৌহজং উপজেলার খানসাহেবের বাড়ির কাছে এলোপাথারিভাবে বাস রেখে ব্যারিকেট সৃষ্টি করা হয়।

মহানগর পরিবহনের হারুন বেপারী লোকজনের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, এক মাস আগে মহানগর পরিবহনের ২টি বাস তার পরিবহনের ব্যানারে চলার সুযোগ করে দিলে এতে মহানগর পরিবহনে বাস সংকট সৃষ্টি হয়ে ব্যবসায় ধস নামার জন্য বকুল খানকে দায়ী করে সকাল ১০ টায় এই ঘটনা ঘটায়। এই সময় আপন পরিবহন থেকে বকুল খান মাওয়ায় আসছিল।

অপর দিকে বকুল খান দাবি করেছেন, হারুন বেপারী পরিবহন চাঁদাবাজ, তার নিজস্ব কোন পরিবহন নেই। মহানগর পরিবহনের লাইনম্যান ছিল। আহমদ কমিশনার মারা যাবার পর মহানগর পরিবহন ভেঙ্গে গেলে এসকল গাড়ীগুলো আমার পরিবহনসহ বিভিন্ন পরিবহনে যোগ দেয়।

তিনি অভিযোগ করেন, আপন পরিবহন হতে সে দীর্ঘ দিন ধরে বেজগাঁও পয়েন্টে চাঁদাবাজি করে আসছিল।
শনিবার বিকালে এক সালিশ বৈঠক বিষয়টি সমাধান হয়েছে বলে শ্রীনগর থানার ওসি সন্ধ্যায় জানিয়েছেন।

[ad#co-1]