ইছামতি নদীতে ট্রলার ডুবি: সাংবাদিকসহ ৪ জনের লাশ উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখান উপজেলার টেঙ্গুরিয়াপাড়ার নেছারাবাদ মাদ্রাসার কাছে ইছামতি নদীতে নিখোঁজ সাংবাদিকসহ চারজনের মৃতদেহ শনিবার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে টেকেরহাটে লালন উৎসবে যাওয়ার পথে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। দৈনিক বাংলাদেশ সময়ের স্টাফ রিপোর্টার মহিউদ্দিন ছোটন সাব্বির (২৮), ব্যবসায়ী গোলাম কিবরিয়া কনক (৩০), ইলেক্ট্রনিক্স ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম আজাদ (৩৮) এবং গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মো. ওয়াহিদ ইমরানের (৩০) লাশ উদ্ধার করা হয়।

বিকেল পাঁচটা ৪০ মিনিটে চতুর্থ লাশ পাওয়ার পর উদ্ধার তৎপরতা শেষ হয়।

এর আগে দমকল বাহিনীর উদ্ধারকর্মীরা দড়ি দিয়ে বেঁধে ট্রলারটি উদ্ধার করে।

দুপুর ১২টা ৭ মিনিটে উদ্ধার হয় বাংলাদেশ সময়ের স্টাফ রিপোর্টার মহিউদ্দিন ছোটন সাব্বিরের লাশ। এরপর শহিদুল ইসলাম আজাদ, গোলাম কিবরিয়া। সর্বশেষ ইমরানের লাশ উদ্ধার করা হয়।

উপজেলার টেকেরহাটে লালন উৎসবে যোগ দিতে ৬০ জন যাত্রী ভর্তি ট্রলারটি সিরাজদিখান থেকে রওনা হয়ে রাত সাড়ে ৯টায় ওই দুর্ঘটনায় পড়ে। এতে যাত্রীদের অধিকাংশই তীরে উঠতে সক্ষম হলেও চারজন নিখোঁজ হন।

এ ঘটনায় অন্তত ১০ ব্যক্তি আহত হন। তাদের স্থানীয় ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সিরাজদীখান থানার ওসি মাহবুব আলম শনিবার সকালে বাংলানিউজকে জানান, গভীর রাত পর্যন্ত ডুবুরিরা অভিযান চালান। এরপর কিছুক্ষণ বন্ধ রেখে সকাল ৮টা থেকে আবার উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

ঘটনার প্রত্যদর্শী সাংবাদিক সৈকত সাদিক রাত পৌনে ১২টায় ঘটনাস্থল থেকে বাংলানিউজকে জানান, একটি বালির জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষে কাঠের ট্রলারটি ভেঙে গিয়ে পানিতে ডুবে যায়। এর ৬০ যাত্রীর মধ্যে ১৫ জন ছিলেন ঢাকার যাত্রী। অধিকাংশ যাত্রী তীরে উঠতে পারলেও সাঁতার না জানার কারণে ৪ জন অথৈ পানিতে তলিয়ে যান। ট্রলার এবং বালির জাহাজে কোনো আলো ছিল না।

ট্রলারের যাত্রী সুনীল পাল বাংলানিউজকে জানান, জনৈক যাত্রীকে হাল ধরতে দিয়ে মাঝি টাকা তুলছিলেন। এসময় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

ট্রলার ডুবি সম্পর্কে সিরাজদিখান থানার ওসি মাহবুব আলম বাংলানিউজকে জানান, ‘বালুর জাহাজটি আটক করা হয়েছে। তবে কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।’

দুর্ঘটনার খবরে লালন উৎসবেও শোকের ছায়া নেমে আসে।

মুহিব জামান ও ফারহানা মির্জা
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডি
বাংলাদেশ সময়: ১৭৫০ ঘণ্টা, অক্টোবর ২৩, ২০১০

————————————————————–
নিখোঁজ সাংবাদিকসহ তিনজনের লাশ উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় ইছামতি নদীতে শুক্রবার রাতে ট্রলারডুবে নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের লাশ শনিবার দুপুরে উদ্ধার হয়েছে। আরেকজনের সন্ধানে অভিযান চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। উদ্ধার করা লাশ তিনটি হচ্ছে বাংলাদেশ সময়ের স্টাফ রিপোর্টার মহিউদ্দিন ছোটন (২৬), ব্যবসায়ী গোলাম কিবরিয়া কনক (৩০) ও ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম আজাদের (৩৮)। নিখোঁজ রয়েছেন ব্যবসায়ী মো. ইমরান। তার বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

শনিবার রাতে উপজেলার টেকেরহাটে লালন উৎসবে যোগ দিতে আরো ৫৬ জনের সঙ্গে ট্রলারটিতে করে যাচ্ছিলেন তারা।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে সিরাজদিখান থানার ওসি মাহবুব আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, উপজেলা সদর থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে টেঙ্গুরিয়াপাড়ার কাছে ইছামতি নদীতে একটি বালুবোঝাই জাহাজের সঙ্গে কাঠের ট্রলারটি সংঘর্ষ হলে সেটি ভেঙে ডুবে যায়। তখন অন্যরা সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন ছোটন, আজাদ, কনক ও ইমরান।

তিনি বলেন, দুর্ঘটনাস্থলের কিছু দূর থেকে দুপুরে লাশ তিনটি উদ্ধার করা হয়েছে। সেগুলো তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নিখোঁজ ইমরানের সন্ধানে অভিযান চলছে।

ওসি আরো জানান, ট্রলারযাত্রীদের মধ্যে ১৫ জন ছিলেন ঢাকার। দুর্ঘটনার সময় ট্রলার ও জাহাজ কোনোটিতেই বাতি জ্বালানো ছিলো না। বালুর জাহাজটি আটক করা হয়েছে। তবে কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

দুর্ঘটনায় আহত ১০ জনকে স্থানীয় ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার কামরুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, ঢাকা থেকে আসা দমকল বাহিনীর ডুবুরীরা রাত আড়াইটার দিকে ট্রালারটির অবস্থান সনাক্ত করেন। তবে তাতে কোনো লাশ পাওয়া যায়নি।

শনিবার সকাল থেকে স্থানীয়ভাবে নিখোঁজদের সন্ধানে এবং ট্রলারটি উদ্ধার অভিযান শুরু হয় বলেও তিনি জানান।

বিডি নিউজ 24
—————————————————

মুন্সিগঞ্জে নৌকাডুবি
৪ জনের লাশ উদ্ধার
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার টেঙ্গুরিয়াপাড়ায় ইছামতি নদীতে ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ ৪ জনের লাশ আজ শনিবার বিকেলে ঢাকা থেকে ডুবুরিদল এসে উদ্ধার করেছে। পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া লাশ ৪ টি হচ্ছে বাংলাদেশ সময়ের স্টাফ রিপোর্টার মহিউদ্দিন ছোটন (২৮), কাপড় ব্যবসায়ী গোলাম কিবরিয়া কনক (৩০) ও ইলক্ট্রনিক্স ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম আজাদ (৩৮) ও ওয়াহিদ ইমরান (২২)।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, লাশ ৪ টিই তাদের স্বজনেরা বাড়িতে গেছে। এই সময় লাশ দেখে স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। ইছামতি নদীতে তীরে নিহতদের স্বজন ছাড়াও ব্যাপক লোক সমাগম ঘটে। মহিউদ্দিন ছোটন ঢাকায় থাকলেও তার গ্রামের বাড়ি ব্রাক্ষনবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর গ্রামে। সে বাংলাদেশ সময়ের ঢাকায় স্টাফ রিপোটার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গোলাম কিবরিয়ার বাড়ি ঢাকা দোহারে এবং শহিদুলের বাড়ি সবুজবাগ এলাকায়। ওয়াহিদের বাড়ি নারায়নগঞ্জে পাইকপাড়াতে।

পুলিশ সুত্রে জানাযায়, গতকাল শুক্রবার রাত ১০ টার দিকে সিরাজদিখান থানার কাছ থেকে একটি অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার উপজেলার দোসরপাড়ায় লালন মেলায় যাওয়ার পথে বালুবাহী একটি ট্রলারের ধাক্কায় যাত্রীবাহি ট্রলারটি ডুবে যায়। এতে সাংবাদিকসহ ৫ জন নিখোঁজ হয়। পুলিশ ঘাতক ট্রলারটিকে রাতেই আটক করে।
জানাযায়, গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে দমকল বাহিনীর ডুবুরীদল ঢাকা থেকে এসে ট্রলারটি সনাক্ত করতে পারলেও লাশ উদ্ধার করতে পারেনি। পরের দিন সারাদিন বিকেল সাড়ে ৫ টা পর্যন্তÍ তল্লাশি চালিয়ে নিখোঁজ ৪ জনের লাশ উদ্ধার করে।

এ প্রসঙ্গে সিরাজদিখান ওসি মাহবুবুল আলম জানান, ৪ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ তাদের স্বজনরা নিয়েও গেছে। ট্রলারটি সনাক্ত করা গেলেও প্রয়োজনীয় জনবলের কারণে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

বিক্রমপুর সংবাদ

—————————————

ইছামতিতে ট্রলার ডুবি: নিখোঁজ ৩ জনের লাশ উদ্ধার
ফারহানা মির্জা, জেলা প্রতিনিধি
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডি

মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখান উপজেলার টেঙ্গুরিয়াপাড়ার নেছারাবাদ মাদ্রাসার কাছে শুক্রবার রাতে ইছামতি নদীতে ট্রলার ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ চার জনের মধ্যে শনিবার দুপুরে তিন জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

দুপুর ১২টা ৭ মিনিটে উদ্ধার হয় বাংলাদেশ সময়ের স্টাফ রিপোর্টার মহিউদ্দিন ছোটন সাব্বিরের (২৬) লাশ।

অপর দুটি লাশ হচ্ছে গার্মেন্ট ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম আজাদ (৩৮) ও ইলেক্ট্রনিক পণ্য ব্যবসায়ী গোলাম কিবরিয়া।

এ ঘটনায় ঢাকার এক শিল্পপতির ছেলে মো. কনক (৩০) নিখোঁজ রয়েছেন।

উপজেলার টেকেরহাটে লালন উৎসবে যোগ দিতে ৬০ জন যাত্রী ভর্তি ট্রলারটি সিরাজদিখান থেকে রওনা হয়ে রাত সাড়ে ৯টায় ওই দুর্ঘটনায় পড়ে। এতে যাত্রীদের অধিকাংশই তীরে উঠতে সক্ষম হলেও চারজন নিখোঁজ হন।

এ ঘটনায় অন্তত ১০ ব্যক্তি আহত হন। তাদের স্থানীয় ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সিরাজদীখান থানার ওসি মাহবুব আলম শনিবার সকালে বাংলানিউজকে জানান, গভীর রাত পর্যন্ত ডুবুরিরা অভিযান চালান। এরপর কিছুক্ষণ বন্ধ রেখে সকাল ৮টা থেকে আবার উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

ঘটনার প্রত্যদর্শী সাংবাদিক সৈকত সাদিক রাত পৌনে ১২টায় ঘটনাস্থল থেকে বাংলানিউজকে জানান, একটি বালির জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষে কাঠের ট্রলারটি ভেঙে গিয়ে পানিতে ডুবে যায়। এর ৬০ যাত্রীর মধ্যে ১৫ জন ছিলেন ঢাকার যাত্রী। অধিকাংশ যাত্রী তীরে উঠতে পারলেও সাঁতার না জানার কারণে ৪ জন অথৈ পানিতে তলিয়ে যান। ট্রলার এবং বালির জাহাজে কোনো আলো ছিল না।

ট্রলারের যাত্রী সুনীল পাল বাংলানিউজকে জানান, জনৈক যাত্রীকে হাল ধরতে দিয়ে মাঝি টাকা তুলছিলেন। এসময় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

ট্রলার ডুবি সম্পর্কে সিরাজদিখান থানার ওসি মাহবুব আলম বাংলানিউজকে জানান, ‘বালুর জাহাজটি আটক করা হয়েছে। তবে কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।’

দুর্ঘটনার খবরে লালন উৎসবেও শোকের ছায়া নেমে আসে।

বাংলাদেশ সময়: ১২৩০ ঘণ্টা, অক্টোবর ২৩, ২০১০
—————————————————

ইছামতি নদীতে ট্রলারডুবি

সাংবাদিকসহ ৩ জনের লাশ উদ্ধার

কাজী দীপু, মুন্সীগঞ্জ থেকে:
মুন্সীগঞ্জে সিরাজদিখানের টেকেরহাটে গত শুক্রবার রাতে লালন উৎসবে যাওয়ার পথে ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ ৩ জনের লাশ গতকাল শনিবার উদ্ধার করা হয়েছে। তারা হচ্ছেন দৈনিক বাংলাদেশ সময়ের স্টাফ রিপোর্টার মহিউদ্দিন ছোটন, ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম আজাদ ও গোলাম কিবরিয়া। এ ঘটনায় কনক নামের ঢাকার এক যুবক নিখোঁজ রয়েছে এবং আহত হয়েছে ১০ যাত্রী। এদিকে ট্রলার ডুবির খবর পেয়ে লালন উৎসবেও শোকের ছায়া বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

সিরাজদিখান থানার ওসি মাহবুব আলম জানান, শুক্রবার রাতে ডুবুরি দিয়ে সন্ধান করলেও না পেয়ে গতকাল অভিযান চালিয়ে নিখোঁজদের লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘাতক কার্গোটি আটক করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী দৈনিক আমাদের সময়ের স্টাফ রিপোর্টার সৈকত সাদিক জানান, সিরাজদিখান ট্রলার ঘাট থেকে একই উপজেলার টেকেরহাটে লালন উৎসবে যাওয়ার পথে ইছামতি নদীর টেঙ্গুরিয়াপাড়া নামকস্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবাহী কার্গোর মুখোমুখি সংঘর্ষে যাত্রীবাহী ট্রলারটি দুই ভাগ হয়ে যায়।

এতে সকলে সাঁতরিয়ে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও ৪ জন নিখোঁজ হন। অপর একটি সূত্র জানায়, ঘটনার সময় চালক এক যাত্রীকে ট্রলার চালাতে দিয়ে ভাড়া তুলছিল।

আমাদের সময়

[ad#co-1]

One Response

Write a Comment»
  1. Khub e dukkho jonok!