টঙ্গীবাড়ীতে কম্বাইন্ড হিমাগারের আলুতে পচন

মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার কম্বাইন্ড কোল্ড ষ্টোরেজের সংরক্ষিত আলুতে ব্যাপক পচন দেখা দিয়েছে । এতে এ অঞ্চলের কয়েক’শ কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়েছে। আলু রোপনের মৌসুমে আলু বীজ বের করতে গিয়ে আলুতে পচন দেখে হতাশ হয়ে পড়েছে কৃষকরা। এই আলু রোপন অনুপযোগী হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে নামে মাত্র মূল্যে আলু বিক্রি করছে। দেখা যায় হিমাগারের সামনে সেডে কৃষক আলুর বস্তা খুলে বেছে পঁচা আলু অন্যত্র সরিয়ে ফেলছে। আলুর রং শুকিয়ে কালো হয়ে গেছে এবং আলুর মধ্যে বড় বড় শিকড় গজিয়েছে ফলে এ সমস্ত আলু রোপন করা যাচ্ছে না। কৃষক ওয়াহিদ হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, বীজ হিসাবে রোপন করার জন্য ১ হাজার ৫’শ বস্তা আলু এই হিমাগারে মজুদ রেখেছিলাম। কিন্তু পচন দেখা দেওয়ায় বর্তমানে বাধ্য হয়ে ২’শ টাকা বস্ত হিসাবে বিক্রি করে দিচ্ছি। তিনি আরও বলেন হিমাগার কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় কিছু দিন আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল, তখন আমরা ম্যানেজার আঃ হারুন মিয়াকে জেনারেটর এর মাধ্যমে হিমাগারের বিদ্যুৎ সচল রাখতে বললে সে জানায় তেল কিনার পয়সা নেই। ৮-১০দিন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় আলুতে এই ব্যাপক পচন দেখা দিয়েছে। এদিকে হিমাগার কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে গেলে ম্যানেজার জানায় আমরা কি করব মালিকের কাছে যান। কৃষকদের অভিযোগ হিমাগার মালিক শাখাওয়াত হোসেন ষ্টোরের কোঠা অগ্রিম বিক্রি করে টাকা নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে। ইতিপূর্বে বিদ্যুৎ বিলের জন্য কর্তৃপক্ষ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে শাখাওয়াত হোসেন কৃষক শহীদ হাওলাদার, বাবুল খান ও দেলোয়ার বেপারী সহ অন্যান্য কৃষকদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার কথা বলে ৩-৪ হাজার বস্তা আলু বিক্রি করে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।

[ad#co-1]