দুই বাংলার লালন সাধকদের নিয়ে সাধুসঙ্গ

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে আজ শুরু হচ্ছে ‘পঞ্চম লালন শাহ বটতলা মধুপূর্ণিমা সাধুসঙ্গ’। পদ্মহেম ধামের উদ্যোগে আয়োজিত এই সাধুসঙ্গ শুরু হবে আজ বিকেল তিনটায়। চলবে ২৩ অক্টোবর ভোররাত পর্যন্ত। এবারের ভাবনা—‘এমন মানবজনম আর কী হবে, মন যা করো ত্বরায় করো এই ভবে’।

সাধুসঙ্গের আহ্বায়ক কবির হোসেন জানান, এবারের সাধুসঙ্গে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের দরবেশ নহীর শাহ, টুনটুন বাউল, রব বাউল, রাজ্জাক বাউল, আনুশেহ আনাদিল, সুমী, রিংকু, কোনাল, বাউল তকবির হোসেন, বজলু শাহ, বুড়ি ফকিরানী, সমীর বাউল, আরিফ বাউল, রমজান ফকির, গোলাপী ফকিরানী। ভারতের কলকাতা থেকে আসছেন খিজমত ফকির, সম্রাট বাউল, দিলীপ দাস, সুমন্ত বাউল, ভজন দাশ বৈরাগী প্রমুখ।

কবির হোসেন বলেন, ‘এবার আমরা পঞ্চমবারের মতো এই আয়োজন করছি। লালনের গান ও তাঁর বাণী সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতেই এ আয়োজন।’

প্রথম আলো
——————————————————————

দুই বাংলার লালন সাধকদের নিয়ে মধুপূর্ণিমা সাধুসঙ্গ

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে শুরু হতে যাচ্ছে পঞ্চম ‘লালন শাহ বটতলা মধুপূর্ণিমা সাধুসঙ্গ’। ২২ ও ২৩ অক্টোবর এ সাধুসঙ্গ অনুষ্ঠিত হবে। সাধুসঙ্গে দুই বাংলার সাধুগুরুরা লালন সঙ্গীত ও লালনের বাণী পরিবেশন করবেন। বাংলাদেশের লালন শিল্পীদের মধ্যে থাকবেন দরবেশ নহীর শাহ, টুনটুন বাউল, রব বাউল, রাজ্জাক বাউল, আনুশেহ আনাদিল, সুমী, রিংকু, কোনাল, বাউল তকবির হোসেন, বজলু শাহ, বুড়ি ফকিরানী, সমীর বাউল, আরিফ বাউল, রমজান ফকির, গোলাপী ফকিরানী। আর কলকাতা থেকে আসছেন খিজমত ফকির, সম্রাট বাউল, দীলিপ দাস, সুমন্ত বাউল, ভজন দাশ বৈরাগী প্রমুখ।

২২ অক্টোবর শুক্রবার বিকেল ৩টায় সাধুসঙ্গ শুরু হবে। চলবে ২৩ অক্টোবর শনিবার ভোররাত পর্যন্তপ্রতিদিন রাত ৮টা থেকে শুরু হবে লালন সঙ্গীতের মূল আসর। সাধুসঙ্গের আহ্বায়ক কবির হোসেন জানান, ‘লালনের গান ও বাণী মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আমাদের এ আয়োজন। অন্য বছরের মতো এবারও আমরা শান্তিপূর্ণভাবেই সাধুসঙ্গ পালন করতে পারব বলে আশা করছি।’

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডি

[ad#co-1]

One Response

Write a Comment»
  1. আমি লালনের গান ভালবাসি। ঠিক কবে তাঁর গানের সঙ্গে আমার যোগসূত্র হয়েছে ঠিক মনে করতে পারছি না।

    ‘‘কবে সাধুর চরণওধূলি
    মোর লাগবে গায়
    ভোজন সাধু আমাতে নয়
    কেবল মহৎ নামে দেয়গো দোয়া”

    দুনিয়ার কোন লোভ-লালসা যে মানুষকে আকর্ষন করতে পারেনি তিনি হচ্ছেন ফকির লালন শাহ। ধন-দৌলত কোন কিছুর প্রতি তার আগ্রহ নেই। মানুষ হয়ে মানুষের প্রতি ভালবাসা-দরদে তার কমতি নেই। কিন্তু দুনিয়ার ঘর-বাড়ি, রাজ-প্রাসাদ কোনকিছুতেই তার আর্কষন নেই। কেননা কোন একদিন সাঁইজীর নির্দেশে তাকে ইহকাল থেকে পরকালে চলে যেতে হবে। তিনি সাঁইজির সাইরেন বাজানোর সাথে সাথে সেখানে পৌঁছে যাবেন। তাকে সে সাঁইজির কাছে যেতেই হবে। ফলে এ দুনিয়ার কোন কিছুতেই তার লোভ নেই।