মুন্সীগঞ্জে সন্তানকে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যা করেছে মা

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার আউটশাহী ইউনিয়নের বুরুন্ডা গ্রামে এক মা তার দেড়মাসের পুত্রসন্তানকে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যা করেছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে শিশু নীরবের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মা পুতুলকে টঙ্গীবাড়ী থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গ্রামবাসী জানান, নীরবকে পুকুরের পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করার পর থেকেই পাগলের মতো আচরণ শুরু করেন মা পুতুল। তবে হত্যার বিষয়টি লাশ খুঁজে পাওয়ার পর জানা যায়। গত সোমবার নীরবকে পাওয়া না গেলে সবখানে খোঁজাখুঁজি করা হয়। এ সময় নীরবকে খুঁজে না পাওয়ায় পুতুল অস্বাভাবিক আচরণ করলে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয় তাকে। এর পরদিন মঙ্গলবার ভোরে মসজিদের পুকুরে নীরবের লাশ ভেসে ওঠে।

ওইদিন বিকাল ৪টায় টঙ্গীবাড়ি উপজেলার ধামারন গ্রামের বাপের বাড়ি থেকে পুতুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। থানা হাজতে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে পুতুল সন্তানকে পুকুরের পানিতে ভাসিয়ে দেয়ার কথা জানান। টঙ্গীবাড়ি থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো. আব্দুল্লাহ বলেন, পুতুলের কথাবার্তা অসংলগ্ন। তার কাছ থেকে প্রকৃত ঘটনা জানা যাচ্ছে না। তবে পুতুল সন্তানকে পুকুরে ভাসিয়ে দেয়ার কথা বলছে। এ ঘটনায় পুতুলের স্বামী মো. টুলু গতকাল মঙ্গলবার বিকালে নীরবকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যার অভিযোগ এনে একটি এজাহার জমা দিয়েছে টঙ্গীবাড়ি থানায়।

ডেসটিনি
———————————————-

টঙ্গীবাড়িতে শিশুর লাশ উদ্ধার

টঙ্গীবাড়ি উপজেলার খিলপাড়া গ্রাম থেকে মঙ্গলবার পুলিশ রোমান নামের দেড় মাসের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে। শিশুটির পিতার নাম সাগর ইসলাম টুলু। তার বাড়ি একই উপজেলার বোরন্ডা গ্রামে। হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ শিশুটির মা রেহেনা আক্তার পুতুলকে গ্রেফতার কারেছে।

পুলিশ জানায়, শিশুটিকে তার মা রেহানা আক্তার পুতুল হত্যা করে নিজের পড়নের কাপর দিয়ে পেচিয়ে খিল পাড়ার একটি ডোবায় ফেলে রাখে। এঘটনায় রোমানের পিতা বাদি হয়ে টঙ্গীবাড়ি থানায় মামলা দায়ের করেছে।

বিক্রমপুর সংবাদ

[ad#co-1]