মাওয়ায় ফেরি বিকল

পারাপারে অচলবস্থা : ভয়াবহ যানজট
ঢাকা-মাওয়া-খুলনা মহাসড়কের মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ রুটের ১৩টি ফেরির মধ্যে ২টি রো রো ফেরিসহ ৫টি ফেরি এবং ২টি আইটি (ফেরি টেনে নেয়ার জাহাজ) বিকল হয়ে পড়েছে। একদিকে পদ্মা নদীতে নাব্যতা সঙ্কটে পারাপারের দূরত্ব দ্বিগুন হয়ে উঠেছে। এদিকে ফেরির স্বল্পতায় কারণে এ পথের লাখো যাত্রীদের দুভোর্গ চরম আকার ধারণ করছে। নানা কারণে মাওয়ায় ৫ কিলো মিটার এলাকায় যানজটের পাহাড় গড়ে উঠেছে। মাওয়া থেকে শ্রীনগর উপজেলার দোগাছী পর্যন্ত যানজট ছড়িয়ে পড়েছে। এতে মহিলাসহ শিশু যাত্রীরা পড়েছে মহা বিপাকে।

মাওয়ায় শত শত গাড়ী পারাপারের অপেক্ষায় দিনভর প্রহর গুনছে। এর প্রভাব পড়েছে একই মাওয়ার ওপারের কাওড়াকান্দি এলাকায়। প্রচন্ড গরমে দিনভর পারাপারের অপেক্ষায় থাকা হাজার হাজার মানুষ এখন দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার মাওয়ায় অপেক্ষা করতে করতে ত্যক্তবিরক্ত উঠেছে।

বিআইডব্লিউটিসি’র ম্যানেজার (মেরিন) আব্দুস সোবহান জানান, বর্তমানে ৭টি ডাম ফেরি রানীগঞ্জ, রানীক্ষেত, রামশ্রী, টাপলো, থোবাল, যমুনা ও লেন্টিং এবং ছোট ফেরি কর্ণফুলী ও যশোর নদী পথে চলাচল করেছে। তবে নদীতে নাব্যতার কারণে দ্বিগুন পথঘুরে পারাপারে এক একটি ফেরির সময় লাগছে সোয়া ৩ঘন্টা করে। এদিকে ফেরি ফরিদপুরে গত শুক্রবার হঠাৎ করে বিকল হয়ে পড়ে। এছাড়াও ডাম ফেরিকে টেনে নেয়ার জাহাজ আটি ৩৯০ ও আইটি ৩৯৪ গত শুক্রবার থেকে বিকল হয়ে পড়ে।

এছাড়া এই রুটের মূল চালিকা শক্তি রো রো ফেরি ২টি বিকল হয়ে নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডে থাকায় সমস্যা আরো প্রকট আকার ধারণ করেছে। মেরামতের পথ ধরে কিশোরী ও কাকলীও রয়েছে বর্তমানে নারায়ণগঞ্জে।

ভূক্তভোগীরা জানান, রো রো ফেরি ভাষা শহীদ বরকত ঈদের ২দিন পর ডকইয়ার্ডে চলে যায়। এটি মেরামত হয়ে না আসতেই ২৮ সেপ্টেম্বর অপর রো রো ফেরি শাহ মকদুমকেও ডকইয়ার্ডে পাঠানোর পরই এখানকার অবস্থা চরম আকার ধারণ করে। যা ছুটির দিন শনিবার প্রবল আকার ধারণ করে। তবে কবে নাগাদ বিকল ফেরিগুলো মেরামতের পর এই রুটে যুক্ত হবে তা জানাতে পারেননি কেউ।

মোহাম্মদ সেলিম, মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি। ০১৯১১১৪২৬৭০
০২.০৯.১০

[ad#co-1]