টঙ্গীবাড়িতে অর্ধ শতাধিক কাকের মৃত্যু॥ আতঙ্ক

টঙ্গীবাড়ি উপজেলার নয়ানন্দ গ্রামে অর্ধ শতাধিক কাক মারা গেছে। প্রাণী সম্পদ বিভাগের লোকজন বৃহস্পতিবার মৃত দু’টি কাক পরীক্ষার জন্য ঢাকার কেন্দ্রীয় গবেষণাগারে পাঠিয়েছে। জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা.মৃনাল কান্তি ঘোষ বৃহস্পতিবার রাতে জানান, মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার আলমাজ হাজীর বাড়ির পাশে ৪টি গরু জবাই করে প্রায় চার হাজার মানুষকে খাওয়ানো হয়। বাড়ির পাশে একটি ডোবায় গরুর রক্তগুলো জমা হয়েছিল। এই ডোবায় বুধবার থেকে কিছু কাক মারা যাচ্ছে। আশাপাশের প্রায় আধা কিলোমিটার দূরেও কাক মরে থাকতে দেখা গেছে। এতে এখানে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থল ঘুরে এসে তিনি বলেন, “আতঙ্কের কোন কারণ নেই। কাকের কখনও এ্যানথ্রাক্স হয়না। হয়ত রক্তে সাথে অন্যকোন ব্যাক্টেরিয়া মিশে গিয়ে ফুড পয়জনিংয়ে কাকগুলো মারা যেতে পারে।

তবে যারা এই গরুর মাংস খেয়েছেন তাদের কোন সমস্যা হয়নি। টঙ্গীবাড়ি উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকতা ডা.এসএম উকিল উদ্দিন জানান, রক্ত খাওয়া সাথে সাথে কাকগুলো মারা যায়নি। জবাই করার পরদিন ঘটনাটির সূত্রপাত। বাড়ির লোকজন ভয়ে গরুর রক্তের স্থানগুলো ধুয়ে দিয়েছে। তাই রক্তের কোন নমুনা সংগ্রহ করা যায়িনি। গরুর মাংসও অবশিষ্ট নেই। টঙ্গীবাড়ি উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা আব্দুল জলিল জানান, প্রথমে আতঙ্ক সৃষ্টি হলেও এখন এখানে স্বাভাবিক অবস্থা রয়েছে। এলাকাবাসী মো. সোহাগ জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে গিয়ে কোন মৃতকাক দেখা যায়নি। সব সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে যারা এই মৃত্যুবার্ষিকীর দাওয়াত খেয়েছে তাদের মধ্যে কিছুটা শঙ্কা রয়ে গেছে।

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা জানান, মুন্সিগঞ্জ জেলা এখনও এ্যানথ্রাক্স ফ্রি এলাকা।

[ad#co-1]