মাওয়ায় ২ লঞ্চযাত্রীর লাশ উদ্ধার

মাওয়ায় নিখোঁজ দুই লঞ্চযাত্রীর লাশ শনিবার উদ্ধার হয়েছে। তবে এখনও নিখোঁজ অন্য যাত্রীদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। লৌহজং থানার ওসি হেলাল উদ্দিন জানান, দুপুরে লৌহজংয়ের শিমুলিয়া ঋসি বাড়ির কাছে হতভাগ্য মানিক মাদবরের (৩৫) লাশ ভেসে উঠে। সে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার ছাব্বিস পাড়া গ্রামের সামসু মাদবরের পুত্র।

এর আগে মাওয়া ৩নং ফেরিঘাটের কাছ থেকে নিখোঁজ শিকান্দর ঢালীর (৩৫) ভাসমান লাশ উদ্ধার করে স্বজনরা বাড়ি নিয়ে যায়। সে শরীয়তপুর জেলার পালং উপজেলার দক্ষিণ কেবলনগর গ্রামের মৃত হাসেম ঢালীর পুত্র।

স্বজনরা লাশ সনাক্তের সময় কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। দুজনই ব্যবসায়ী। কর্মস্থল ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে লঞ্চ থেকে পদ্মায় পড়ে যান।

বৃহস্পতিবার রাতে এমভি পারভীন নামের একটি লঞ্চ শরীয়তপুরের উদ্দেশ্যে মাওয়া ঘাট থেকে ছাড়ামাত্র প্রচন্ড স্রোতে একটি ফেরির সঙ্গে ধাক্কা লেগে কয়েক লঞ্চ যাত্রী ছিটকে পদ্মায় পড়ে যায়। এদের মধ্যে এখনও ১ যাত্রী নিখোঁজ রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়।

বিক্রমপুর সংবাদ
————————————————————–
মাওয়ায় নিখোঁজ লঞ্চযাত্রীর লাশ উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়ায় পদ্মা নদীতে বৃহস্পতিবার রাতের দুর্ঘটনায় নিখোঁজ তিন লঞ্চযাত্রীর একজনের লাশ উদ্ধার হয়েছে শনিবার। নিহত মানিক মাদবর (৩৫) শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার ছাব্বিসপাড়া গ্রামের শামসু মাদবরের ছেলে। ঢাকায় পোশাক ব্যবসায় জড়িত ছিলেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার দুপুরে লৌহজংয়ের ঋসিবাড়ির কাছে মানিকের লাশ ভেসে ওঠে। নিখোঁজ অপর দু’জনের সন্ধান এখনো মেলেনি।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে এমভি পারভীন নামের লঞ্চটি শরীয়তপুরের উদ্দেশ্যে মাওয়া ঘাট থেকে ছাড়ামাত্র প্রচণ্ড স্রোতে একটি ফেরির সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে কয়েকজন লঞ্চযাত্রী ছিটকে পদ্মায় পড়ে যান। কয়েকজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও নিখোঁজ ছিলেন তিনজন।

লৌহজং থানার ওসি হেলাল উদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, মানিক কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে সেদিন ওই লঞ্চে উঠেছিলেন। দুর্ঘটনার সময় তিনি নদীতে পড়ে যান। সনাক্তের পর মানিকের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিডি নিউজ 24

[ad#co-1]