মাওয়ায় নিখোঁজ ৩ লঞ্চযাত্রীর এখনও সন্ধান মিলেনি

ফেরি-লঞ্চ সংঘর্ষ
লৌহজং উপজেলার মাওয়ায় ফেরি ও লঞ্চের সংঘর্ষে ছিটকে পড়ে পদ্মায় নিখোঁজ ৩ যাত্রীর এখনও সন্ধান মিলেনি। বৃহস্পতিবার রাতের নিখোঁজ যাত্রীর স্বজনরা পদ্মায় এখন চষে বেড়াচ্ছে। এদিকে এই দুর্ঘটনার খবরে শুক্রবার দুপুরে নৌ পরিবহনমন্ত্রী মাওয়া ঘাট পরিদর্শন করে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। নিখোঁজের মধ্যে রয়েছে শরীয়তপুর জেলার পালং উপজেলার দক্ষিণ কেবলনগর গ্রামের মৃত হাসেম ঢালীর পুত্র শিকান্দর ঢালী (৩৫) ও জাজিরা উপজেলার ছাব্বিস পাড়া গ্রামের সামসু মাদবরের পুত্র মানিক মাদবর (৩৫) এবং এক কুয়েত প্রবাসী। লঞ্চটি শরীয়তপুরের উদ্দেশ্যে মাওয়া ঘাট থেকে ছাড়ামাত্র প্রচন্ড স্রোতে একটি ফেরির সঙ্গে ধাক্কা লাগে।

নিখোঁজ শিকান্দর ঢালীর বড় ভাই সায়েম ঢালী ভাইয়ের সন্ধানে পদ্মা ঘুরে বেড়াচ্ছে। নিখোঁজ মানিক মাদবরের ভাতিজা ফারুক চারা খোঁজ না পেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। নৌ পরিবহনমন্ত্রী স্বজনদের সান্তনা দেন এবং নিখোঁজদের সন্ধাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মাওয়া বন্দর কর্মকর্তা বাবু লাল বৈদ্য জানান, রাত সাড়ে ৭টার দিকে “এমভি পারভীন” মাওয়া লঞ্চ ঘাট থেকে ছাড়তেই প্রচন্ড স্রোতে পূর্বপাশের ৩নং ফেরিঘাটে নোঙ্গর করা টাপলু নামের ফেরির সাথে সজোরে ধাক্কা লাগে। এই সময় লঞ্চের কয়েকযাত্রী ছিটকে পড়ে পদ্মায় পড়ে যায়। বন্দর কর্মকর্তা জানান, দুর্ঘটনা কবলিত লঞ্চটির সার্ভে সনদ থাকলেও রুট পারমিট ছিল না। মাওয়া থেকে শরীয়তপুর ও মাদারীপুর নৌ রুটে শতাধিক লঞ্চ চলাচল করে এরমধ্যে অধিকাংশেরই বৈধ পরিপূর্ণ কাজ নেই বলে অভিযোগ রয়েছে।

মোহাম্মদ সেলিম, মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি। ০১৯১১১৪২৬৭০
২৪.০৯.১০

[ad#co-1]