মুন্সিগঞ্জে যুবক খুন (আপডেট)

শনিবার রাতে (সাড়ে নয়’টায়) নিহত ওমর শিকদারের লাশ নিয়ে রবিবার বিকালে শহরে মিছিল হয়েছে। ওমর শিকদারকে যুবলীগ কর্মী দাবী করে মিছিলে বিভিন্ন স্লোগান দেয়া হয়।এর আগে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে তার ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়। জানাজা শেষে শহরের কাটাখালী কবরাস্থানে নানার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

সদর থানার দারোগা হুমায়ুন কবীর জানান, ওমরের পিতা মো.সফর মল্লিক শিকদার বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামী করে মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।এই মামলায় প্রধান আসামী করা হয়েছে মাদক ব্যবসায়ী আরিফকে।

মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন নিয়ে শনিবার রাতে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ওমর খুন হয়। ওমরকে যুবলীগনেতা দাবী করে শনিবার রাতে এবং রবিবার বিকালে লাশ নিয়ে মিছিল করার ব্যাপারে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক জেলা যুবলীগ সভাপতি মো. জামাল হোসেন বলেছেন, ওমর যুবলীগ বা দলের কেউ নয়। তাকে যুবলীগ কর্মী বলে দাবী করে মিছিল করার ঘটনাটি দলের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার ষড়যন্ত্র মাত্র। তিনি জানান ওমর একজন মাদক ব্যবসায়ী নামে পরিচিত।

সদর থানার দারোগা মো. সুলতান জানান,হত্যার কারণ উদঘাটিত হয়েছে এবং হত্যাকারীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

বিক্রমপুর সংবাদ, মোহাম্মদ সেলিম, মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি। ০১৯১১১৪২৬৭০
১৯.০৯.১০
====================

মুন্সীগঞ্জে যুবলীগকর্মী খুনের নেপথ্যে ইয়াবা বাণিজ্য

ইয়াবা বিক্রির আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মাদক বিক্রেতাদের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জের ধরে মুন্সীগঞ্জ শহরে যুবলীগকর্মী মো. ওমর (২৫) হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটেছে। ওমর খুনের ঘটনায় মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে শহরে দফায় দফায় যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ইয়াবা বিক্রিতে শহরের কাছে পঞ্চসার ইউনিয়নের নতুনগাঁও এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মাদক বিক্রেতাদের দুগ্রুপের ঝগড়ার পরই সমবয়সী মাদক বিক্রেতাদের ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছে যুবলীগকর্মী ওমর। গত শনিবার বিকালে নতুনগাঁও এলাকায় ইয়াবা বিক্রেতা যুবলীগকর্মী মো. ওমর ও অপর ইয়াবা বিক্রেতা গণকপাড়ার আরিফের দুগ্রুপের মধ্যে ঝগড়া বাধে। এর ঘণ্টা খানেক পর মাদক বিক্রেতা আরিফ বাহিনী যুবলীগ কর্মীকে ছুরিকাঘাত করে।

অন্যদিকে শনিবার রাত ১১টায় শহরের থানারপুল এলাকা থেকে ২নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি গোলাম মাসুদ রানার নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের কাচারী, মালপাড়া, বাজার এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এ ছাড়া গতকাল দুপুরে শহরের মানিকপুর এলাকা থেকে কাটাখালী এলাকা পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ যুবলীগকর্মীরা ওমর খুনের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে নিহতের লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে। পরে বিকাল ৩টার দিকে কাটাখালী এলাকায় নানাবাড়িতে তার লাশ দাফন করা হয়। গত শনিবার রাতেই নিহতের বাবা সফর মল্লিক বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যা মামলার ৫ আসামি আরিফ, শাকিল, আক্তার, হাসান ও রিপনের বাড়ি শহরের গণকপাড়া এলাকায়।

শনিবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির কাছে কেন্দ্রীয় শ্মশানঘাটের রাস্তায় সন্ত্রাসীরা তাকে ছুরিকাঘাত করে। রাত ৯টায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথিমধ্যে সে মারা যায়। নিহত ওমর মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড যুবলীগের কার্যকরী সদস্য। মুন্সীগঞ্জ সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ শহীদুল ইসলাম বলেন, আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। মাদক বিক্রির টাকা লেনদেন নিয়ে সমবয়সী ইয়াবা বিক্রেতার দুগ্রুপের দ্বন্দ্ব থেকে ওই হত্যাকা- ঘটে।

ডেসটিনি 20-09-2010

————————————

মুন্সীগঞ্জে যুবলীগ কর্মী হত্যার নেপথ্যে টাকা ও মাদক বিক্রি

কাজী দীপু, মুন্সীগঞ্জ থেকে: টাকা ও মাদকদ্রব্য বিক্রির ঘটনাকে কেন্দ্র করেই মুন্সীগঞ্জে যুবলীগ কর্মী ওমর ফারুক খুন হয়েছে। গতকাল এই বিষয়গুলোই শহরজুড়ে আলোচনায় উঠেছিল। পুলিশ, যুবলীগ নেতাকর্মী ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা তাই মনে করছেন। নিহতের মা ফাতেমা বেগম জানান, গনকপাড়া এলাকার সন্ত্রাসী আরিফ, হাসান, রিপনসহ অপর সন্ত্রাসীরা ফারুককে হত্যা করে। নিহত যুবলীগ কর্মী ফারুক হাসানের কাছে ২টি মোবাইল বিক্রির ২৭ হাজার টাকা পাওনা ছিল। ওই টাকা চাওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়। যুবলীগ কর্মীরা জানায়, হত্যার ঘটনায় জড়িতরা সকলেই ওমর ফারুকের বন্ধু। তারা এক সঙ্গেই মাদক কেনাবেচা ও সেবন করত। মাদক ও টাকা নিয়ে গত ২ দিন ধরে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। পুলিশ জানায়, নিহত যুবলীগ কর্মী ফারুক মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। হত্যার কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

আমাদের সময় 20-09-2010

[ad#co-1]