গ্যাস সঙ্কটে সাহরি-ইফতার করতে পারছেন না মুন্সীগঞ্জবাসী

পবিত্র মাহে রমজানে তীব্র গ্যাস সঙ্কটের কারণে রান্নাবান্না নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন মুন্সীগঞ্জের গৃহিণীরা। এর ফলে রোজাদাররা ঠিকমতো সাহরি ও ইফতারি করতে পারছেন না। এনিয়ে মুন্সীগঞ্জের সাধারণ মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তবে গ্যাস না পেলেও প্রতি মাসে ৪৫০ টাকা গ্যাসবিল পরিশোধ করায় ক্ষোভের মাত্রা আরও বেড়েছে।

এছাড়া গ্যাসের চাপ না থাকায় জেলার ৪২টি শিল্প-কারখানার বেশিরভাগের উত্পাদন বন্ধ হয়ে গেছে। কারখানা মালিকদের মতে, এখানে ১ কোটি ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে মাত্র ২০/২৫ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। বিকল্প জ্বালানিতে বাড়তি খরচ হওয়ায় উত্পাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

তিতাস গ্যাস অফিস সূত্রমতে, ১৯৯২ সালের প্রথম দিকে মুন্সীগঞ্জে গ্যাস সংযোগ চালু হয়। বর্তমানে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প কলকারখানার ৮ হাজার ১৭০ গ্রাহক রয়েছেন। বর্তমান অবস্থায় গ্যাসের চাপের চাহিদা রয়েছে ৩০ পিএসআইজি। আবাসিক এলাকায় ৫ পিএসআইজি হলেও রান্নাবান্নার কাজ চালিয়ে নেয়া সম্ভব। এর বিপরীতে গ্যাসের চাপ থাকে মাত্র ১-২ পিএসআইজি আবার কখনও শূন্য।

গ্যাস সঙ্কট সস্পর্কে তিতাস গ্যাস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ম্যানেজার মাধবচন্দ্র বিশ্বাস আমার দেশকে বলেন, গ্যাস সঙ্কট প্রতিকারে আমাদের কিছুই করার নেই। আমাদের দায়িত্ব শুধু নতুন সংযোগ দেয়া এবং লাইনে কোনো সমস্যা হলে তা দূর করা।

[ad#co-1]