মুন্সিগঞ্জ পুলিশের ম্যানেজ বাণিজ্য, গ্রেপ্তার হচ্ছে না প্রকৃত আসামিরা

পরকীয়ায় গার্মেন্টস মালিক খুন
শহরের লিচুতলাস্থ নতুন বাসস্ট্যান্ডে গ্রিস প্রবাসী গার্মেন্টস মালিক হত্যাকাণ্ডে নিহত মোঃ মোশারফ হোসেনের (৪০) তার স্ত্রী রেশমার পরকীয়ার বিষয়টি পুলিশের কাছে পরিষ্কার হলেও রহস্যজনক কারণে পুলিশ প্রেমিকা রেশমাকে গ্রেপ্তার করছে না। চাঞ্চল্যকর ওই হত্যাকাণ্ডের পরের দিনই মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ওবায়েদ নিহত মোঃ মোশারফ হোসেনের ঢাকাস্থ ২৪/বি উত্তর যাত্রাবাড়ীর বাসভবনের আশপাশসহ তার বাসভবনে বেশ কয়েকবার তদন্তে গিয়ে হত্যাকাণ্ডের মূল বিষয় উদঘাটন করেন এবং তারা সাংবাদিকদের তাৎক্ষণিকভাবে জানান, নিহত প্রবাসী শিল্পপতি মোশারফের স্ত্রী রেশমা বেগমের সঙ্গে তারই সৎ ভাই বেলায়েতের পরকীয়ার গভীর সম্পর্ক ছিল। প্রবাসী শিল্পপতি নিহত মোশারফ দেশে ফেরায় কাঁটা হয়ে দাঁড়ান স্ত্রীর পরকীয়ার সম্পর্কের মাঝে। আর এ কারণেই খুন হতে পারেন মোশারফ।

গতকাল শুক্রবার সকালে নিহতের মা বাদী হাজেরা বেগম মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় আসলে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হন। তিনি তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামি না ধরার ব্যাপারটিকে পুলিশের ম্যানেজ বাণিজ্য বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন।

উল্লে­খ্য, গত ১০ আগস্ট বিকেলে মুন্সিগঞ্জ শহরের লিচুতলাস্থ বাসস্ট্যান্ডে মোটরবাইক আরোহীর গুলিতে খুন হন শিল্পপতি মোশারফ। নিহত শিল্পপতি ২৪/বি উত্তর যাত্রাবাড়ীর আমির হোসেনের ছেলে। ৮ বছর আগে তিনি মুন্সিগঞ্জ শহরের পাঁচঘরিয়াকান্দি এলাকার মোঃ হোসেন সরকারের মেয়ে রওশন আরাকে বিয়ে করেন। রেশমা-মোশারফ দম্পতির ২টি সন্তান রয়েছে।

[ad#co-1]