টঙ্গীবাড়িতে ব্রিজ নির্মাণের পর ধস, পাশের সেতুতে পারাপার

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার ভাঙ্গুনিয়া খালের ওপর ব্রিজ নির্মাণের কিছু পরেই ধসে পড়ে। ব্রিজ ধসে পার্শ্ববতর্ী ৪টি ইউনিয়নের ২৫ হাজার মানুষ ভোগানত্মির মধ্যে পড়ে। উপজেলার হাসাইল-দীঘিরপাড় সড়কের কামারখাড়া ইউনিয়নের ভাঙ্গুনিয়া খালের ওপর নির্মিত ৩৩ ফুট দীর্ঘ ব্রিজটি ২০০৭ সালে ধসে পড়ে। ২০০৩ সালে ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে উপজেলা প্রকল্প বাসত্মবায়ন কর্মকর্তার অফিস থেকে ১৬ লাখ ২২ হাজার টাকা ব্যয়ে ওই পাকা সেতুটি নির্মিত হয়েছিল। মাত্র ৪ বছরের মাথায় সেতুটি ধসে পড়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে হাসাইল বানারী, কামারখাড়া, দিঘিরপাড়, পাঁচগাঁও ইউনিয়নের লোকজনসহ স্কুল কলেজগামী ছাত্রছাত্রীদের। ব্রিজ ধসে পড়ার এক বছর পর হাজার হাজার মানুষের কষ্ট ও দুভের্াগের কারণে ২০০৮ সালে ব্যক্তি উদ্যোগে ২৭৫ হাত দীর্ঘ এবং ৪ হাত প্রস্থ কাঠ ও বাঁশের সেতু নির্মাণ করে দেন। কিন্তু সেটিও বিকল হয়ে পড়ে। পরবতর্ী ব্যক্তি উদ্যোগেই মহসিন মিয়া নামের ঢাকা বারের এক আইনজীবী সেতুটি সংস্কার করেন। এখন আবার জনসাধারণের যাতায়াত শুরম্ন হয়েছে। এই সেতুটির এখন আইনজীবী সেতু নামে পরিচিত। কিন্তুু নির্মাণকাজের ত্রম্নটির কারণে সেতু ভেঙ্গে পড়লেও রহস্যজনক কারণে এর ঠিকাদারের বিরম্নদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। স্থানীয়রা জানায়, ব্রিজটি ভেঙ্গে পড়ার পর দেখা যায় চিকন রড এবং হাতের টোকাতেই ঢালাই খুলে যাচ্ছে। বেরিয়ে আসছে বালু। এলাকাবাসীরা আরও জানায়, ঠিকাদারের নির্মাণকাজ চলার সময় নিম্ন মানের কাজের অভিযোগ এনে বাধা দেয়। কিন্তু প্রভাব আর কর্তৃপক্ষের ছত্রছায়ায় নির্মাণকাজ চালানো হয়। স্থানীয় সংসদ সদস্য হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি জানায়, এখানে ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় এলজিইডি সূত্র জানায়, এই অঞ্চলে এর চেয়েও কম অর্থে ব্রিজ করা হয়েছে কিন্তু কোনটিই ধসে পড়েনি। পি আই ও অফিস সূত্র জানায়, পানির স্রোতের কারণে এটি ভেঙ্গে যায়। তবে সঠিকভাবে নির্মিত হলে স্রোতে ভেঙ্গে পড়ার কারণ নেই বলে জানিয়েছে এলজিইডি।

[ad#co-1]