ফাঁসির দাবিতে আজ মানববন্ধন, বখাটে জেলহাজতে

মুন্সীগঞ্জে সিনথিয়ার আত্মহনন
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী সিনথিয়ার আত্মহননের জন্য দায়ী গ্রেফতারকৃত বখাটে জাহাঙ্গীর শেখকে গতকাল শুক্রবার জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তবে মামলার অপর দুই আসামি বখাটের বাবা জামাল শেখ ও ভাই জাকির শেখকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। অপরদিকে সিনথিয়া আত্মহননের ঘটনায় বখাটের ফাঁসির দাবিতে বাড়ৈখালী উচ্চবিদ্যালয়ের তার সহপাঠী ও শিক্ষার্থীরা আজ শনিবার ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে শ্রীনগর উপজেলার হাষাড়া এলাকায় মানববন্ধন করবে।

শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন জানান, শুক্রবার ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে বখাটে জাহাঙ্গীর শেখকে মুন্সীগঞ্জ সদর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় মুন্সীগঞ্জের ৩নং আমলি আদালতে বখাটের রিমান্ডের শুনানি হয়নি। পরে আদালত আগামী সোমবার ওই রিমান্ডের শুনানির দিন ধার্য করে তাকে জেলহাজতে পাঠায়।

বখাটের উৎপাত সহ্য করতে না পেরে গত বুধবার রাতে নিজ বাড়ির পাশে আপন চাচা মো. রুস্তম শেখের বসতঘরে পরিহিত ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। ওই রাতেই মাদকাসক্ত বখাটে জাহাঙ্গীরকে বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। বৃহস্পতিবার বিকালে শ্রীনগর থানায় বখাটে জাহাঙ্গীর শেখ (২৭), তার বাবা জামাল শেখ (৫০) ও ভাই জাকির শেখকে (৩০) আসামি করে মামলা করেন সিনথিয়ার চাচা শেখ মো. রুস্তম। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় কবরস্থানে সিনথিয়াকে দাফন করা হয়েছে।

ডেসটিনি
———————————————————-

‘জাহাঙ্গীর আমার মেয়ের জীবনে আজরাইল হয়ে এসেছিল’

মুন্সীগঞ্জে ইভটিজিংয়ের বলি সিনথিয়ার মায়ের আহাজারি
মীর নাসিরউদ্দিন উজ্জ্বল, মুন্সীগঞ্জ ॥ “ও (জাহাঙ্গীর) আমার মেয়ের জীবনে আজরাইল হয়ে এসেছিল। এত দিন আমার মেয়ের পিছে লেগে ছিল। কোথাও গেলে পথ আগলে ধরত। প্রেম নিবেদন করত। বলত আমি তোমায় বিয়ে করব। কিন্তু ওর কথায় সাড়া না দেয়ায় শেষ পর্যনত্ম আজরাইল সেজে আমার মেয়ের প্রাণটাকে কেড়ে নিল…।” মেয়ের শোকে কাতর মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালি গ্রামের ইভটিজিংয়ের বলি হাসনা রহমান সিনথিয়ার মা শিউলি বেগম শুক্রবার নিজ ঘরে এভাবেই প্রলাপ করছিলেন। সাংবাদিকদের দেখে প্রশ্ন করেন “আসছে ২৩ আগস্ট আমার সিনথির জন্মদিন। জন্মদিন পালনের জন্য কেকও অর্ডার দেয়া হয়েছিল। কিন্তু আজরাইলটা আমার মেয়ের জীবন নিয়া গেছে, এখন কেক কাটবে কে? কার মুখে আমি কেক তুলে দেব। লেখালেখি করে কি করবেন। আমার সিনথিকে এনে দিতে পারবেন?” সিনথিয়াদের বাড়িতে এখন চলছে শোকের মাতম। আহাজারিতে এলাকার বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে।

বাড়ৈখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী সিনথিয়ার আত্নহননে গ্রেফতারকৃত বখাটে জাহাঙ্গীর শেখকে শুক্রবার জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তবে আত্নহনন মামলার অপর দু’আসামি বখাটের বাবা জামাল শেখ ও ভাই জাকির শেখকে শুক্রবারও পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। শ্রীনগর থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন জানান, শুক্রবার ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে জাহাঙ্গীর শেখকে মুন্সীগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় মুন্সীগঞ্জের ৩ নং আমলী আদালতে বখাটের রিমান্ডের শুনানি হয়নি। পরে আদালত আগামী সোমবার ওই রিমান্ডের শুনানির দিন ধার্য করে তাকে জেল হাজতে পাঠায়। এদিকে সিনথিয়াকে উত্ত্যক্তকারী জাহাঙ্গীরের ফাঁসির দাবিতে আজ শনিবার বেলা ১১টায় ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের হাসাড়া বাজারের পাশে মানববন্ধন আহ্বান করেছে সিনথির সহপাঠী ও এলাকার সর্বসত্মরের জনগণ।

সিনথিয়ার বাড়িতে এখন কান্নার রোল পাড়া-পড়শী, আত্মীয়স্বজন ছুটে এসেছেন এই শোকের ভাগীদার হতে। শুধু শোকই নয়, বান্ধবীর অবর্তমানে তার পরিবারকে সানত্ম্বনা দিয়ে এসে নিজেরাই হয়েছে বাকরম্নদ্ধ। সানত্ম্বনার ভাষা ভুলে গিয়ে স্কুলবান্ধবী মাহাবুবা আক্তার পলি, সানজিদা রহমান স্মৃতি, আফরিনা ইসলাম বৃষ্টি, আফরোজা ইসলাম, মানসুরা ইসলাম দৃপ্তি, আফরিনা সুলতানা, নুসরাৎ জাহান প্রভা, মোসাবি্বর ইসলাম, নূর জাহান আক্তারসহ অনেকেই বাকরম্নদ্ধ হয়ে কেঁদেছেন। তাদের একটাই দাবি বখাটে জাহাঙ্গীর ও দায়ী পরিবারের সদস্যদের বিচার । তাঁরা জানান, শুধু জাহাঙ্গীরই নয়, তার আরও দুই ভাই এলাকায় বখাটে বলে পরিচিত। জাহাঙ্গীরের চেহারা নাকি ভয়ঙ্কর। তাই সিনথি তাকে অনেক ভয় পেত। তার নাম শুনলে অন্য পথে চলার চেষ্টা করত।

ঢাকায় বসবাসরত সিনথির চাচাত বোন সায়মন আক্তার এ ঘটনার খবর পেয়ে বাড়িতে এসেছে সিনথির পরিবারের পাশে দাঁড়াতে। তিনি জানালেন, ২০০৫ সালে আমি এ বাড়ৈখালি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী থাকাকালে জাহাঙ্গীর আমার পিছনেও লেগেছিল। কিন্তু অবস্থা অাঁচ করতে পেরে বাবা মা আমাকে বিয়ে দিয়ে দিলে আমি ওই বখাটের হাত হতে রক্ষা পাই। সায়মন আরও জানালেন, সিনথি প্রায়ই আমাকে বলত তুমি বাড়িতে এসে আমাকে নিয়ে যাও। আব্বু আম্মুকে বলো আমাকে ঢাকা দিয়ে দিতে।

একই বিদ্যালয়ে ২০০২ সালে অধ্যয়নরত সিনথিয়ার ফুফাতো বোন নিমি্ন ওয়াদুদ বলেন, ওর (জাহাঙ্গীর) পুরো ফ্যামিলিটাই বখাটে। হাসাড়া বাড়ৈখালিুরম্নটের বেবিচালক খোকন জানালেন, জাহাঙ্গীর হচ্ছে একটা লুচ্চা। কোন মেয়েমানুষ দেখলেই তার দিকে কুনজরে তাকাত। তার পাশে গিয়ে অশস্নীল ভাষায় কথা বলত।

বাড়ৈখালি ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বললেন, দীর্ঘদিন ধরে জাহাঙ্গীর সিনথিকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল । মাস তিনেক পূর্বে সিনথিয়া স্কুলে যাবার পথে তাকে অশস্নীল ভাষায় কথা বলে উত্ত্যক্ত করলে সে ঘটনা স্কুল কমিটিকে জানায় । সিনথির পিতা বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হওয়ায় তাকে বিদ্যালয় হতে ঘটনা জানালে সে স্কুল পরিচালনা পরিষদকে এ ঘটনার সমাধানের জন্য বলেন। পরিচালনা পরিষদ জাহাঙ্গীর ও তার পরিবারকে বিচারের সম্মুখীন করে। জাহাঙ্গীরের বড় ভাই জাকির হোসেন তার ভাই এলাকায় থাকবে না বলে লিখিত দিয়ে ভাইকে জিম্মায় নেয়। সে মতে জাহাঙ্গীর দীর্ঘদিন এলাকায় ছিল না । কিছু দিন আগে সে এলাকায় এসে সিনথিয়ার পেছনে আবারও লেগে পড়ে।

সিনথিয়ার বাবা হাফিজুর রহমান জানান, গত কিছু দিন ধরে জাহাঙ্গীর এলাকায় এসে আবারও তাঁর মেয়েকে উত্ত্যক্ত করতে শুরম্ন করে। বুধবার স্কুলে প্রি-টেস্ট পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে সিনথিকে রাসত্মায় একা পেয়ে জাহাঙ্গীর তার যা-তা ভাষায় গালি গালাজ করে। এ ঘটনা জানাজানি হলে ওইদিনই প্রধান শিক্ষকের কক্ষে সালিশ বৈঠক বসে। সিনথির বাবা অভিযোগ করেছেন, কতিপয় ব্যক্তি জাহাঙ্গীরের পক্ষ নিয়ে তার বাবা জামাল হোসেনের সাথে এসে জাহাঙ্গীরকে শেষ সুযোগ দেবার জন্য পুলিশের উপস্থিতিতে মুচলেকা দিয়ে তাকে জিম্মায় নেয়। জিম্মার এক ঘণ্টা পরে জাহাঙ্গীর বাড়ির কাছে এসে সিনথিকে আবারও গালাগালি করে। এতে সিনথিয়া ভীত হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। সকলের অগোচরে তার চাচার ঘরে গিয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে সে আত্মহত্যা করে।
মামলার তদনত্মকারী কর্মকর্তা শ্রীনগর থানার এসআই আমিনুল জানান, প্রাথমিক তদনত্মে নিশ্চিত হয়েছেন, জাহাঙ্গীর তার সম্ভ্রমহানি ঘটাতে পারে ভেবেই সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। পুলিশ সুপার সফিকুল ইসলাম শুক্রবার রাতে জানান, বিষয়টি অতি গুরম্নত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ঐ বিদ্যালয়টিতে ইভটিজিং প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এর পরও এমন ঘটনা ছিল অনাকাঙ্ৰিত। পুলিশ ঘটনার দিন দুপুরে বিদ্যালয়ের সালিশ বৈঠকে জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করতে চেয়েছিল। কিন্তু ম্যানেজিং কমিটি এবং সালিশের লোকজনই তাকে গ্রেফতার করতে দেয়নি, মুচলেকা নিয়ে শেষবারের মতো সুযোগ দেয়া হয়েছে। তিনি জানান, স্কুল কলেজগুলোতে আতঙ্ক কাটাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

জনকন্ঠ
———————————————————-

‘আজরাইলডা মেয়ের জীবন কাইড়া নিল’

উত্ত্যক্তকারীর ফাঁসি দাবিতে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে আজ মানববন্ধন
সিনথিয়ার বাড়িতে বিমর্ষ সহপাঠীরা। ছবিটি শুক্রবার তোলা
মো. মাসুদ খান, লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ)
‘ও আমার মেয়ের জীবনে আজরাইল হইয়া আইছিল। এত দিন আমার মেয়ের পিছে লাইগ্যাছিল। রাস্তার মাঝে খাড়াইত। প্রেমের কথা কইত। কিন্তু ওর কথায় সাড়া না দেওনে শেষ পর্যন্ত আমার মেয়ের প্রাণডা কাইড়া নিল। আসছে ২৩ আগস্ট আমার সিনথির জন্মদিন। কেকও অর্ডার দেওন হয়ছিল। কিন্তু আজরাইলডা আমার মেয়ের জীবন কাইড়া নিল। এখন কেক কাটবে কে? কার মুখে আমি কেক তুইল্যা দিমু?’ হাসনা রহমান সিনথিয়ার মা শিউলি বেগম শুক্রবারও এভাবেই বিলাপ করছিলেন।

শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালি গ্রামে বখাটে জাহাঙ্গীর হোসেনের ইভ টিজিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে বুধবার রাতে হাসনা রহমান সিনথিয়া আত্দহত্যা করেন। উত্ত্যক্তকারী জাহাঙ্গীরের ফাঁসির দাবিতে আজ শনিবার সকাল ১১টায় ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের হাসাড়া বাজারের কাছে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবে এলাকাবাসী।

সিনথিয়ার বাড়িতে এখনো চলছে শোকের মাতম। ঢাকায় বসবাসরত সিনথিয়ার চাচাতো বোন সায়মন আক্তার খবর পেয়ে বাড়িতে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘২০০৫ সালে আমি বাড়ৈখালি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী থাকাকালে জাহাঙ্গীর আমার পেছনেও লেগেছিল। কিন্তু অবস্থা আঁচ করতে পেরে বাবা-মা আমাকে বিয়ে দিয়ে দিলে আমি ওই বখাটের হাত থেকে রক্ষা পাই। সিনথিয়া প্রায়ই আমাকে বলত, তুমি বাড়িতে এসে আমাকে নিয়ে যাও। আব্বু-আম্মুকে বলো আমাকে ঢাকায় দিয়ে দিতে।’

বাড়ৈখালি ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জাহাঙ্গীর সিনথিয়াকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। মাস তিনেক আগে সিনথিয়া স্কুলে যাওয়ার পথে তাকে অশ্লীল ভাষায় উত্ত্যক্ত করলে সে ঘটনাটি স্কুল কমিটিকে জানায়। সিনথিয়ার বাবা বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির একজন সদস্য হওয়ায় তাঁকে বিদ্যালয় থেকে এ ঘটনা জানানো হয়। তিনি স্কুল পরিচালনা কমিটিকে এ ঘটনার সমাধানের জন্য বলেন। স্কুল পরিচালনা কমিটি জাহাঙ্গীর ও তার পরিবারকে বিচারের সম্মুখীন করে। জাহাঙ্গীরের বড় ভাই জাকির হোসেন তার ভাই এলাকায় থাকবে না বলে লিখিত দিয়ে জাহাঙ্গীরকে জিম্মায় নেয়। এরপর জাহাঙ্গীর দীর্ঘদিন এলাকায় ছিল না। কিছু দিন আগে এলাকায় এসে আবার সিনথিয়াকে উত্ত্যক্ত করতে থাকে।

সিনথিয়ার বাবা হাফিজুর রহমান জানান, কিছু দিন ধরে আবারও জাহাঙ্গীর তাঁর মেয়েকে উত্ত্যক্ত করতে থাকে। বুধবার স্কুলে প্রি-টেস্ট পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে সিনথিয়াকে রাস্তায় একা পেয়ে জাহাঙ্গীর গালাগাল করে। এ ঘটনা জানাজানি হলে ওই দিনই প্রধান শিক্ষকের কক্ষে সালিস হয়। কয়েক ব্যক্তি জাহাঙ্গীরের বাবা জামাল হোসেনের সঙ্গে এসে তাকে শেষ সুযোগ দেওয়ার জন্য পুলিশের উপস্থিতিতে মুচলেকা দিয়ে জাহাঙ্গীরের জিম্মা নেন। এর এক ঘণ্টা পরই জাহাঙ্গীর সিনথিয়াদের বাড়িতে এসে আবারও গালাগাল করে। এতে সিনথিয়া ভীত হয়ে আত্দহত্যার পথ বেছে নেন।

এ ঘটনায় জাহাঙ্গীর, তার ভাই জাকির শেখ ও বাবা জামাল হোসেনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার শ্রীনগর থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার বাড়ৈখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা ক্লাস বর্জন করে বিদ্যালয় আঙিনায় মানববন্ধন করে। এলাকার নারী-পুরুষ জাহাঙ্গীরের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ করেছে। শ্রীনগর থানার এসআই আমিনুল জানান, মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জাহাঙ্গীরকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

কালের কন্ঠ

[ad#co-1]