মুন্সীগঞ্জে স্বাস্থ্য বিভাগে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে ও বাড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঢাকা থেকে আগত স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত উর্ধতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় কতিপয় কর্মচারী এই দুনর্ীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে। তাই প্রকৃত মেধাবী ও যোগ্য প্রার্থীরা চাকরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সূত্র বলেছে, লিখিত পরীক্ষার খাতাগুলো যাচাই-বাছাই করলেই থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে। এছাড়া সরকার ঘোষিত প্রতিবন্ধী ও আনসার-ভিডিপি কোটা সংরক্ষণ করা হয়নি। একটি এমএলএসএস (পিয়ন) পদের চাকরির জন্য দর উঠেছে তিন লাখ টাকা।

মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসের আওতাধীন দুই স্টোরকিপার ও একজন করে জুনিয়র মেকানিক, ওয়ার্ড বয়, আয়া, মালী এবং সাতটি এমএলএসএসসহ মোট ১৩টি পদের জন্য শুক্রবার মুন্সীগঞ্জে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৪৬০ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্য থেকে ৬৫ জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। ৩ আগস্ট মৌখিক পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু এর আগেই এই লিখিত পরীক্ষা ও ফল নিয়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। দলে দলে লোকজন আসছে প্রেসক্লাবে। এছাড়াও সরাসরি মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করার কথা রয়েছে চার সুইপার পদে। এ ব্যাপারে মুন্সীগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. এইচএম মোসলেহউদ্দিন কোন মনত্মব্য করতে রাজি হননি।

ঢাকা বিভাগের পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শাখাওয়াত হোসেন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। প্রতিবন্ধী ও আনসার-ভিডিপি কোটা সংরক্ষণের বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে তিনি রবিবার রাত ৮টায় বলেন,’আমরা চেষ্টা করছি।’

[ad#co-1]