অব্যবস্থাপনা, ধলেশ্বরী সেতুর টোল প্লাজায় অব্যাহত যানজট ॥ দুর্ভোগ

ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের ধলেশ্বরী-১ ও ২ সেতুর টোল পস্নাজায় অব্যবস্থাপনার কারণে যাত্রী সাধারণকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাছাড়া ব্যসত্মতম এই মহাসড়কের ব্রিজ ২টি টোল হতে আয়ও অসঙ্গতিপূর্ণ বলে অভিযোগ রয়েছে। টোল আদায়কারীর সংখ্যা কম হওয়ায় সেতু দু’টির টোল পস্নাজা হতে দীর্ঘ যানজট হচ্ছে। জটে আটকা পড়ে প্রাইভেটকারসহ যাত্রীবাহী পরিবহনগুলোকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা এখন নিত্যদিনের ঘটনা। অথচ এই মহাসড়কের বুড়িগঙ্গার দুই সেতুতেই টোল দিতেন এমন কোন বিড়ম্বনা চোখে পড়ছে না। বর্তমানে সেতু দু’টিতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ খাস কালেকশনের মাধ্যমে টোল আদায় করছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে এ রম্নটে গাড়ি চলাচল বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই সময় এ যানজট আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

টোল পস্নাজা হতে লম্বা বা অধিক দূরত্ব পর্যনত্ম রাসত্মার মধ্যে কোন প্রকার রোড ডিভাইডার না থাকায় অসহনীয় যানজটে আটকে পড়া যানবাহনগুলোর চালকরা ধৈর্যচু্যত হয়ে লাইন ভেঙ্গে কার আগে কে যাবে এ প্রতিযোগিতায় নেমে পড়লে পুরো হাইওয়ে তখন এলোমেলো গাড়িতে নাকাল হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে হয়ে টোল পস্নাজায় শৃঙ্খলা কাজে নিয়োজিত কর্মীরাও। এদিকে আসন্ন ঈদে ঘরমুখো মানুষের বাড়ি ফেরাকে কেন্দ্র করে এখানে গতবারের চেয়ে ভয়াবহ যানজটের আশঙ্কা করছে এ রম্নটে চলাচলকারী যানবাহনের চালকরা। বাসচালক সুলতান মিয়া জানান, গতবার ঈদে মাওয়া ফেরিঘাটে তেমন কোন যানজটের সৃষ্টি না হলেও ধলেশ্বরী ১ নং ব্রিজের টোল পস্নাজার অব্যবস্থাপনার কারণে ও পর্যাপ্ত সংখ্যক টোল আদায়কারী না থাকায় এখান থেকে ঢাকার বুড়িগঙ্গা পর্যনত্ম যানজট ছড়িয়ে পড়ে।

এ ব্যাপারে মুন্সীগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হুদা বলেন, অনেক সময় নানা অজুহাতে অনেকে টোল দিতে চায় না, এই নিয়ে খেচাখেচি করতে গিয়ে দেখা গেল ৫ মিনিট বিলম্ব হয়ে গেছে। এই সময়ে ৫/৭টি গাড়ি আটকে যায়, আবার খুচরা নিয়েও সমস্যা হয়। এসব কারণেই আসলে যানজট হচ্ছে। টোলকমর্ীদের সংখ্যা কম বা কোন গাফিলতি নেই। টোল আদায়ের রাজস্ব সম্পর্কে বলেন, এই মুহূর্তে কাগজপত্র না দেখে কিছু বলা যাবে না।

[ad#co-1]