মুন্সীগঞ্জের দু'বিদ্যালয়ে সাময়িক পরীক্ষা হয়নি

একযোগে সারা দেশে মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ২য় সাময়িক পরীক্ষা হলেও ব্যতিক্রম মুন্সীগঞ্জের ২টি বিদ্যালয়ে। সিরাজদিখান উপজেলার লতুফদি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাড়ে ৩শ’ শিক্ষাথর্ী পরীক্ষা দিতে এসে নিরাশ হয়ে ফিরে গেছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, পরীক্ষার প্রশ্ন প্রধান শিক্ষকের আলমারিতে ছিল। তিনি অনুপস্থিত থাকায় পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। প্রস্তুতি নিয়ে এসে পরীক্ষা দিতে না পেরে ফিরে যাওয়া শাকিলা আক্তার বলেন, আমি কেন সকল ছাত্রছাত্রীই ক্ষতিগ্রসত্ম হচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক ফারম্নকুল ইসলাম জানান, নিরাপত্তার অভাবে তিনি বিদ্যালয়ে যেতে পারেননি। যে আলমারিতে প্রশ্নের বসত্মা রয়েছে, সেটির ভেতরে বিদ্যালয়ের আরও গুরম্নত্বপূর্ণ কাগজ রয়েছে বলে কাউকে বিশ্বাস করে চাবি দেয়া সম্ভব হয়নি। গত ২২ জুলাই বিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি আজাহার আলীকে প্রধান অতিথি করা নিয়ে এই সঙ্কট সৃষ্টি হয় বলে তিনি জানান। প্রতিষ্ঠার ২০ বছরের মধ্যে প্রথম এমন ঘটনায় এলাকাবাসী বিস্মিত। দীর্ঘ চেষ্টার পর এক সপ্তাহ আগে বিদ্যালয়টি স্বীকৃতি পেয়েছে। একই প্রশ্নে জেলার অন্য বিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষা হলেও জেসি বোস ইনস্টিটিউশনেও পরীক্ষা হচ্ছে না। নির্দিষ্ট কোর্স শেষ করতে না পরায় যথাসময়ে পরীক্ষা শুরম্ন করা যায়নি উলেস্নখ করে জেলা শিক্ষা অফিসার শামসুল ইসলাম খান বলেন, আকস্মিক ভিজিটে এসে জানা যায় এইচএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষার সেন্টার এখানে হওয়ায় কোর্স সম্পন্ন করার ব্যাপারে সমস্যার কথা জানিয়েছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে লতুফদি স্কুলে পরীক্ষা না হওয়ার বিষয়টি তিনি জানেন না বলে জানান।

[ad#co-1]