শ্রীনগর কলেজে ভর্তি নিয়ে যা হচ্ছে…

শ্রীনগর সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তিবাণিজ্য জমে উঠেছে। উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ওই ভর্তিবাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত বলে অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন। উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান জিঠু বলেছেন, ভর্তিবাণিজ্যের বিষয়টি সত্য নয়। তবে তদবিরের কারণে কিছু ভর্তি হয়ে থাকতে পারে।

এছাড়া ছাত্রলীগের কলেজ শাখার সভাপতি আজিম হোসেন খানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। বন্ধ পাওয়া গেছে তার মোবাইল ফোন। কলেজ সূত্র জানায়, শ্রীনগর কলেজ এ বছর একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য বাণিজ্য বিভাগে জিপিএ ৩.৮১ ও মানবিক বিভাগে ৩.৩১ নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কারণে পর্যাপ্ত জিপিএ নিয়েও অনেক মেধাবী ও গরিব ছাত্রছাত্রী ভর্তি হতে পারছে না।

অথচ জিপিএ ২ ও ৩ প্রাপ্ত প্রতি ছাত্রছাত্রীকে ৬ থেকে ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ভর্তি করেছে। এতে ভর্তিযোগ্য ছাত্রছাত্রীরা ভর্তি হতে না পারায় ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। পর্যাপ্ত জিপিএ নিয়েও বিশ্বজিৎ ও শম্ভুরাজ নামে দুই ছাত্র ভর্তি হতে না পেরে তারা জানায়, আমরা গরিবের সন্তান, এরকম হলে কিভাবে লেখাপড়া করবো। এ ব্যাপারে সরকারি শ্রীনগর কলেজের অধ্যক্ষ আখতার নাহারের কাছে ভর্তির যোগ্যতা কি ও কতজন ভর্তি করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তা আমার জানা নেই। তবে এসব রেকর্ডে আছে। টাকার বিনিময়ে ভর্তি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখছেন। ভর্তি কমিটির সদস্যরা ভর্তির কাজে ব্যস্ত থাকায় এ মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভর্তি কমিটির এক সদস্য জানান, জিপিএ কমপ্রাপ্ত ভর্তির অযোগ্য কিছু ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়েছে। কেন তাদের ভর্তি করা হলো এর কারণ জানাতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন।

[ad#co-1]