একের পর এক সংঘর্ষের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে একের পর এক সংঘর্ষের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংসদ ও আওয়ামী লীগের নেতারা। গতকাল বুধবার জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সভায় স্থানীয় সাংসদ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এম ইদ্রিস আলী বলেন, কাঠপট্টি ঘাট থেকে তালতলা যাওয়ার পথে নৌযানে ডাকাতি যাতে না হয়, সেই দিকে পুলিশকে লক্ষ রাখতে হবে। মোল্লাকান্দিতে একের পর এক সংঘর্ষের ঘটনায় তিনি প্রচণ্ড ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এম ইদ্রিস আলী পুলিশের উদ্দেশে বলেন, মোল্লাকান্দিতে ফের সহিংস ঘটনা ঘটলে তাতে যে জড়িত থাকবেন, তিনি যত বড় নেতাই হন না কেন তাঁর বিরুদ্ধে মামলা নিতে হবে। তিনি ২৬ জুন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচন ও ২৭ জুন হরতালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি যাতে না ঘটে, সেই দিকে লক্ষ রাখতে পুলিশ ও প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।

সভায় সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আফসার উদ্দিন ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, মোল্লাকান্দিতে গত সোমবারের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ এক পক্ষের মামলা নিয়েছে। আরেক পক্ষের মামলা নেয়নি। তিনি এ ব্যাপারে সাংসদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। মিরকাদিম পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ হোসেন বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করলে কেউ তদবির করতে যাবেন না—আগে আমাদের এই প্রতিজ্ঞা করতে হবে।’

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মুন্সিগঞ্জের পরিদর্শক সন্ধ্যারানী মিস্ত্রি জেলায় মাদকের সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন।

পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ডাকাতিতে এই জেলার লোক জড়িত থাকে না। বরিশাল ও পার্শ্ববর্তী জেলার লোকজন ডাকাতি করে। তবে মাদকের বিস্তারের একটি পরিসংখ্যান তিনি তুলে ধরেন। জেলা প্রশাসক মো. আজিজুল আলম বলেন, ‘আমাদের যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হবে।’ এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সম্প্রতি বেশ কয়েকবার সংঘর্ষ হয়।

[ad#co-1]