বাঁধন এখন দন্ত চিকিৎসক

আজ রাাতে চ্যানেল আইতে প্রচার হবে ধারাবাহিক নাটক ‘চৈতা পাগল’। এতে মদিনা চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাঁধন। কথা হলো তার সঙ্গে
হ আনন্দ প্রতিদিন প্রতিবেদক
খুব শব্দ, আপনি কোথায়?
গাড়িতে। আমার এক বান্ধবীর বিয়ে। ওখানেই যাচ্ছি।
‘চৈতা পাগল’-এর মদিনার কথা বলুন।
সে গ্রামের মেম্বারের [সোহেল খান] মেয়ে। গ্রামে মেম্বার অনেক প্রভাবশালী। কিন্তু মেয়েটা সবার সঙ্গেই মিলেমিশে থাকার চেষ্টা করে। কিন্তু গৃহশিক্ষক জুলহাসের [রওনক হাসান] সঙ্গে সবসময় খারাপ ব্যবহার করে মদিনা। যদিও জুলহাসের সঙ্গেই তার বিয়ে ঠিক হয়েছে।
আপনার গ্রাম বিক্রমপুর জেলায়। নাটকটির কাজ তো সেখানেই হয়েছে…
বিক্রমপুরে হলেও আমাদের পাশের গ্রাম লৌহজংয়ে নাটকটির দৃশ্যায়ন হয়েছে। আর আমাদের গ্রাম শ্রীপুর। কিন্তু কাজের ফাঁকে যাওয়া হয়নি। কারণ সকাল ৬টায় ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে ৯টায় পেঁৗছাতাম। আবার রাতে ঢাকায় ফিরতাম।
ঢাকার মেয়ে হয়ে ‘চৈতা পাগল’ নাটকে নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় সংলাপ বলতে সমস্যা হচ্ছে?
হয়নি মানে! প্রথমে নাটকটি পাবনার ভাষায় হওয়ার কথা ছিল। লেখক বৃন্দাবন দাস সেভাবেই লিখেছিলেন। কিন্তু পরিচালক মাহফুজ আহমেদ এটাকে নোয়াখালীর ভাষায় অনুবাদ করে ফেললেন! উফ, কী যে কষ্ট! এই প্রথম নোয়াখালীর ভাষায় কথা বলছি। এত কঠিন কোনো জেলার ভাষা হতে পারে আগে জানতাম না!
অন্যদেরও কি একই সমস্যা হচ্ছে?
হ্যাঁ। মাহফুজ আহমেদ ছাড়া কারও বাড়িই নোয়াখালী নয়। তাই সংলাপ দিতে গিয়ে সবাইকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। মজার বিষয় হলো, আমরা তাজা আম খেতে পারছি! চিত্রায়ন শুরুর সময় গাছের আম কাঁচা ছিল আর এখন পেকে গেছে!
বাংলাদেশ ডেন্টাল কলেজ থেকে দন্ত চিকিৎসায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। চেম্বার খুলবেন কবে?
আপাতত একজন চিকিৎসকের সঙ্গে কিছুদিন কাজ করব। তারপর নিজেরটা ভাবব।

[ad#co-1]