মুন্সীগঞ্জে ফের আ.লীগের সংঘর্ষ-বোমাবাজি

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্ল¬াকান্দি এলাকায় আওয়ামী লীগের দুই গ্র”পের মধ্যে আবারো সংঘর্ষ ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। এলাকার কয়েকটি গ্রামে ছড়িয়ে পড়া এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ আহত হয়েছে।

এদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ ও বোমার আঘাতে আহত ২৫ জনকে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার এড়াতে বাকিরা গোপনে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিয়েছে।

বুধবার সকাল থেকে রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত থেমে থেমে সংঘর্ষ চলছিল বলে স্থানীয়রা জানালেও র‌্যাব বলেছে বিকাল ৪টার দিকে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

র‌্যাব-১১ মুন্সীগঞ্জ ক্যাম্পের কর্মকর্তা কমান্ডার মিলন মাহমুদ সাংবাদিকদের জানান, ঘটনাস্থলে র‌্যাব সদস্যরা টহলে রয়েছে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই মোল্ল¬াকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোস্তফা মোল্লা ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহ আলম মল্লিকের মধ্যে এই বিরোধ।

এর জেরে এ নিয়ে দু দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল।

সকাল ১০ টার দিকে মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মাকহাটী এলাকায় শাহ আলমের সমর্থকদের সঙ্গে প্রতিপক্ষ মোস্তফা মোল্লার পক্ষের আজিজ মল্লিক ও আতিক মল্লি¬কের লোকজনের গোলাগুলি হয়। সংঘর্ষের সময় দুপক্ষই বেশ কয়েকটি বোমা ফাটায়।

পরে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে মহেষপুর গ্রামে। শাহ আলমের পক্ষের স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা পাভেল ও তার সমর্থকরা প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালায়।

বেলা ১১ টার দিকে একই ইউনিয়নের আমঘাটা, কংশপুরা ও নয়াকান্দি গ্রামেও দুপক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

স্থানীয়রা জানান, পাশের আধারা ইউনিয়নের বিএনপি নেতা রহমত আলী মোল্ল¬ার সমর্থকরা শাহ আলমের পক্ষে যোগ দেয়।

সংঘর্ষের সময় দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলি ও বোমাবাজির ফলে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

আহতদের মধ্যে আছেন- খালেক (৩৫), তার ভাই আলেক (৩২) ও মালেক (৩০), কানন (২২), জব্বার (৩৮), কলিম (২৫), জাহাঙ্গীর (২৭), নুর হোসেন (৩২), সাদ্দাম (২৪), জসিম (২২), হজু (২৪), বাবু (২০), সামাদ (২৬), নিবারুন্নেসা (৩৫), আলমগীর (২৭), মনসুর (২৬) ও কালাম (৩০)।

অন্যদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

রাতে সদর থানার ওসি শহীদুল ইসলাম জানান, পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক আছে। ঘটনায় জড়িত কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি।

ওসি জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

গত সোমবার বিকালে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। পরদিন প্রায় ৩০০ জনকে আসামি করে দুই পক্ষ থানায় পাল্টা-পাল্টি মামলা করে।

বিডি নিউজ 24
—————————————————————-
মুন্সীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ৪০ জন আহত

সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মাকহাটীতে গতকাল বুধবার আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে আবারও গুলি ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছে। ২৫ জনকে গুলি ও বোমার স্পিøন্টার বিদ্ধ অবস্থায় ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। সকাল থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত থেমে থেমে সংঘর্ষ হয়। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। র‌্যাবের মুন্সীগঞ্জ ক্যাম্পের কমান্ডার মিলন মাহমুদ জানান, র‌্যাব বিকাল ৪টা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোস্তফা মোল্লা ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহ আলম মল্লিক গ্রুপের মধ্যে বিরোধের সূত্র ধরেই এই ঘটনা ঘটে বলে এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় গ্রামবাসী অন্যত্র আশ্রয় নেয়। বোমা বিস্ফোরণে আমঘাটা, কংসপুরা, নয়াকান্দি, চরডুমুরিয়া ও আধারা গ্রাম প্রকম্পিত হয়ে উঠে। এর আগে গত সোমবার বিকালে আওয়ামী লীগের দুইপক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়।

ইত্তেফাক
——————————————–

মুন্সীগঞ্জে আ’লীগের দু’পক্ষে ফের গুলি বিনিময়, বোমাবাজি আহত ৪০

আধিপত্য বিস্তারের লড়াই

সদর উপজেলার মোলাকান্দিতে বুধবার আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের মধ্যে আবারও গুলি ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ২৫ জনকে গুলি ও বোমার স্প্রিন্টারবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা গ্রেফতার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা গ্রহণ করছে। সকাল থেকে শুরু হয়ে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়ও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলছিল। ঘটনাস্থলে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তবে পুলিশ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত একজনকেও গ্রেফতার করতে পারেনি। ঘটনাস্থলে র্যাবও টহল দিচ্ছে ।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে মোলাকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোসত্দফা মোলস্না ও জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি শাহ আলম মল্লিক গ্রুপের মধ্যে বিরোধের সূত্র ধরে এ ঘটনা ঘটে বলে এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়। সকাল ১০টার দিকে প্রথমে মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মাকহাটী এলাকায় শাহআলম মল্লিকের লোকজনের সঙ্গে প্রতিপক্ষ মোস্তফা মোল্লার পক্ষে আজিজ মলিস্নক ও আতিক মল্লিকের লোকজনের গোলাগুলি হয়। এ সময়ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এখানে আধাঘণ্টা চলে সংঘর্ষ। পরে আবার পাশের মহেষপুর গ্রাম থেকে ছাত্রলীগ নেতা পাভেলের নেতৃত্বে লোকজন শাহআলম মল্লিকের পক্ষে অবস্থান নেয়। এ হামলায় উভয়পক্ষের ১০/১২ জনের মতো আহত হয়। এদিকে বেলা ১১টার দিকে একই ইউনিয়নের আমঘাটা, কংশপুরা ও নয়াকান্দি গ্রামে ফরহাদ খান ও কল্পনা আক্তারের সঙ্গে পাশের আধারা ইউনিয়নের বিএনপি নেতা রহমত আলী মোল্লা লোকজন একত্রিত হয়ে প্রতিপক্ষ মোস্তফা মোল্লা, আজিজ মল্লিক ও রিপনের লোকজনের ওপর হামলা চালালে উভয়পক্ষে গোলাগুলি শুরু হয়। এ সময় উভয়পক্ষ বোমা ফাটায়। এক ঘণ্টাব্যাপী গুলি ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটালে গোটা এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে দিনভর দফায় দাফায় উত্তেজনা ও সশস্ত্র মহড়া দেয়।

দু’গ্রুপের আহতদের মধ্যে সহোদর তিন ভাই খালেক, আলেক ও মালেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অপর আহতদের মধ্যে কানন, জব্বার, কলিম, জাহাঙ্গীর, নুর হোসেন, সাদ্দাম, জসিম, হজু, বাবু, সামাদ, নিবারুন্নেসা, আলমগীর, মনসুর ও কালামকে পুলিশের চোখ এড়িয়ে গোপনে চিকিৎসার জন্য অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার টানা ৩ ঘণ্টা ধরে থেমে থেমে মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের ৫টি গ্রামে ওই গোলাগুলি ও বোমাবাজিতে লিপ্ত হয় জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি শাহ আলম মল্লিক ও মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা মোল্লার সমর্থিত ক্যাডার বাহিনী। আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে দু’গ্রুপের মধ্যে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা দেড়টা অবধি দফায় দফায় বোমাবাজি হয়েছে। এ সময় ওই ইউনিয়নের গ্রামগুলোর শত শত নারী ও পুরুষ আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি শুরু করে। গ্রামবাসীরা নিজ নিজ বসতভিটা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেয়। বোমার বিস্ফোরণে মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের আমঘাটা, কংসপুরা, নয়াকান্দি, চরডুমুরিয়া ও আধারা গ্রাম প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।

এর আগে সোমবার বিকেলে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। এ সময়ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় পরের দিন প্রায় ৩০০ জনকে আসামি করে দুই পক্ষ থানায় পাল্টা-পাল্টি মামলা দায়ের করে।

জনকন্ঠ
———————————————————–

মুন্সীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষে আহত ৩০

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চল মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের চরডুমুরিয়া বাজারে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে দফায় দফায় সংঘর্ষের এক দিন পর গতকাল বুধবার সকাল থেকে আবারও সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে। আহত সবাই গ্রেপ্তার এড়াতে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা মোল্লা, বর্তমান চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান মলি্লক ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রিপন হোসেনের নেতৃত্বাধীন লোকজনের সঙ্গে চরডুমুরিয়া বাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ বাধে। দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় বোমা ও ককটেল বিস্ফোরণ, গোলাগুলি ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সদর থানার ওসি শহীদুল ইসলাম ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরহাদ খানের নেতৃত্বে এক গ্রুপ গত মঙ্গলবার রাত থেকে আধারা ইউনিয়নের নয়াকান্দি গ্রামে জড়ো হতে থাকে। সকালের দিকে তারা অস্ত্র ও বোমাসহ বিপক্ষ গ্রুপের আমঘাটা গ্রামে অবস্থানরত সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোস্তফা মোল্লা গ্রুপের লোকজনের ওপর হামলা করে। পরে উভয় গ্রুপের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। শাহ আলম মলি্লকের লোকজন আধারা ইউনিয়নের বিএনপির লোকজন নিয়ে এলে আবারও দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

এদিকে মুন্সীগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফাঁকা গুলি বর্ষণ করলে উভয় গ্রুপের লোকজন পিছু হটতে শুরু করে। এর পর থেকে গ্রাম পুরুষশূন্য হয়ে পড়ে। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মোস্তফা মোল্লা গ্রুপের গুলিবিদ্ধ খালেক ও ইসলামের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। বিকেলে র‌্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে যায়।

সদর থানার ওসি শহীদুল ইসলাম জানান, ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে এলাকায় শক্তি প্রদর্শন করার জন্য আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।

গত সোমবার একই এলাকায় এ দুই গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়।

কালের কন্ঠ

[ad#co-1]