ভাঙাগড়ায় বাঁধন

অনবরতই নিজেকে ভাঙছেন বাঁধন। আবিষ্কার করছেন নিত্যনতুনভাবে। লাক্স চ্যানেল আইয়ের পস্নাটফর্ম থেকে তৌকীর আহমেদের পরিচালনায় ‘দারম্নচিনি দ্বীপ’ ছবিতে অভিনয় করার কথা থাকলেও বাদ সাধে পড়াশোনা। তারপর নানা চড়াই-উতরাই পার হয়ে বছর দুয়েক পর মুক্তি পায় তার অভিনয় করা মুশফিকুর রহমান গুলজারের পরিচালনায় ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ছবি ‘নিঝুম অরণ্যে’।

পহেলা বৈশাখে মুক্তি পেল ছবিটি। প্রথম ছবি হিসেবে তার প্রত্যাশা কি পূরণ করতে পেরেছে এর জবাবে বাঁধন বলেন, আসলে মানুষের প্রত্যাশার তো শেষ নেই। সেই হিসেবে আমার প্রত্যাশা যে পূরণ হয়েছে তা বলবো না। কিন্তু ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর চলচ্চিত্রের বড় বড় পরিচালকরা আমাকে ফোন করে আমার অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন। এছাড়া অনেকেই আমাকে তাদের ছবিতে অভিনয়ের জন্য প্রসত্মাব দিয়েছেন। আমি তাদেরকে হ্যাঁ বা না কিছুই বলিনি। আমি আরও ভাল করে দেখতে চাই ছবিটিতে কাজ করে আমি কতটুকু সফল। তারপর সিদ্ধানত্ম নেবো আমি চলচ্চিত্রে নিয়মিত হবো কিনা। এদিকে ধারাবাহিক নাটক নিয়ে বরাবরই অনাগ্রহ থাকলেও বর্তমানে তিনি ধারাবাহিক নাটকেই বেশি ব্যসত্ম। এর কারণটা অবশ্য তিনি ব্যাখ্যা করেছেন এভাবে, আসলে আমি পড়াশোনার কারণে অভিনয়ে খুব বেশি সময় দিতে পারছিলাম না। এ কারণে একপর্বের নাটকের অভিনয়েই আমি বেশি পছন্দ করতাম। তাই বলে এই নয় আমি ধারাবাহিক নাটক অপছন্দ করি। পড়াশোনার ব্যসত্মতার মধ্যেই আমি মোসত্মফা কামাল রাজের পরিচালনায় ‘রং’ নামের একটি নাটকে অভিনয় করেছি। এদিকে চ্যানেল আইতে প্রচার চলছে বাঁধন অভিনীত রোজিনার পরিচালনায় নাটক ‘মেয়েটি ঢাকায় যাচ্ছে’। সমপ্রতি কাজ শেষ হয়েছে মাহফুজ আহমেদের পরিচালনায় ‘চৈতা পাগল’ নাটকটি। এটি খুব শিগগিরই প্রচার শুরম্ন হবে চ্যানেল আইতে। বাংলাভিশনে প্রচার শুরম্ন হতে যাওয়া আলভী আহমেদের পরিচালনায় ‘এয়ারকম’ নাটকের কাজ শেষ হয়েছে সমপ্রতি। এছাড়া কাজ চলছে আরও বেশ কয়েকটি ধারাবাহিক নাটকের। এগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজিবুল ইসলাম রাজিবের ‘অগ্নিরথ’, আরিফ খানের পরিচালনায় নাটক ‘ফুল চাঁদ অমাবশ্যা’, আশুতোষ সুজনের পরিচালনায় নাটক ‘ইউ টার্ন ট্যাক্সি ড্রাইভার’।

[ad#co-1]