যুবলীগের আলোচনা সভা

জাপানের রাজধানী টোকিও’র তোসিমা কুমিন সেন্টারে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ জাপান শাখা এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। ৪ এপ্রিল রবিবার আলোচনা সভা পরিচালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ বাছেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপির নাম প্রচার করা হলেও প্রধান অতিথির আসন অলঙ্কৃত করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী। একইভাবে বিশেষ অতিথি হিসেবে ড. আওলাদ হোসেন (প্রধানমন্ত্রীর এপিএস) নাম প্রচার করা হলেও তিনিও উপস্থিত থাকেননি। অপর বিশেষ অতিথি জাতীয় সংসদের হুইপ মির্জা আজম এমপি, জাতীয় সংসদের হুইপ সাগুফতা ইয়াসমীন এমিলি এমপি এবং মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম খান। মঞ্চে আরো আসন অলঙ্কৃত করেন মাজহারুল ইসলাম (সভাপতি), বিএম শাহজাহান, (সাধারণ সম্পাদক) কাজী মাহফুজ লাল, সালেহ মোঃ আরিফ, খন্দকার আসলাম হীরা, আবু হোসেন রনি, সলিমুল্লাহ কাজল, মোতাহার হোসেন, মাসুদুর রহমান মাসুদ, মোঃ সেলিম, বাদল চাকলাদার, আক্তার হোসেন এবং মোল্লা অহিদুল ইসলাম প্রমুখ। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মীর হোসেন মিলন, টিএম নাহিদ, মাসুদুর রহমান মাসুদ, মোতাহার হোসেন, সলিমুল্লাহ কাজল, মোল্লা অহিদুল ইসলাম, এমআই মিলন, খন্দকার আসলাম হীরা, বিএম শাহজাহান, সালেহ্ মোঃ আরিফ, কাজী মাহফুজ এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। সাগুফতা ইয়াসমীন এমিলি ইমপি মুন্সীগঞ্জবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রবাসীদের দেশের সোনার ছেলে উপাধি দিয়ে বলেন, প্রবাসীরাই দেশকে প্রকৃত ভালোবাসে। তারা সবকিছু ত্যাগ করে প্রবাস জীবনযাপন করে দেশে রেমিটেন্স করে বর্তমান সরকার প্রবাসীদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করতে বদ্ধপরিকর। মির্জা আজম এমপি বলেন, জিয়া কখনো মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। জিয়া আইএসআইয়ের হয়ে সব সময় কাজ করেছে। তার মধ্যে কোনো দেশপ্রম ছিল না, ছিল পাকিস্তানপ্রেম। জিয়া মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের খতম করার খেলায় মত্ত ছিলেন। এ ছাড়া তিনি তার বক্তব্যের পুরোটাই খালেদা জিয়া এবং তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন।

[ad#co-1]