সোমবারের ঝড়ে মাওয়া ঘাট লণ্ডভণ্ড, মুন্সীগঞ্জ বিদ্যুতহীন

সোমবার সন্ধ্যার ঝড়ে মাওয়া ঘাট এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়েছে। ঝড়ের তা-বে মাওয়া ১ নং ফেরিঘাটের পন্টুনের কেবল ছিঁড়ে ২০ ফুট দূরে চলে যায়। ২ নং ঘাটের পন্টুনটি বাতাস ও ঢেউয়ের তোড়ে পদ্মাপারে উঠে যায়। ঝড়ো হাওয়ায় ঘাট এলাকার ১০/১২টি টংদোকান উড়ে গিয়ে পদ্মাগর্ভে চলে যায়। বিআইডব্লিউটিএর উপসহকারী প্রকৌশলী কামাল পাশা ও কারিগরি সহকারী শহিদুর রহমান জানান, রাতভর অনেক চেষ্টা করে ২ নং ঘাটটি সচল করা হয়েছে। রাতে এ রিপোর্ট লেখার সময় ১ নং ঘাটটি সচল করার কাজ চলছিল। এ ল-ভ- অবস্থার কারণে ফেরি পারাপার বিঘি্নত হয়। এদিকে ঝড়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাঁচাঘরসহ অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বসত্দ হয়। বহু গাছপালা উপড়ে যায়।

এদিকে বহু প্রত্যাশিত বৃষ্টি স্বসত্দি দিয়ে গেলেও বিদ্যুত না থাকায় চরম অস্বসত্দিতে পড়ে মুন্সীগঞ্জবাসী। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মুন্সীগঞ্জের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যায়। বাতাসের বেগ বাড়ার সঙ্গে প্রত্যাশিত বৃষ্টি নামে। এতে গরমে নাকাল মুন্সীগঞ্জ শহরবাসীকে বেশ স্বসত্দি দিয়ে যায় ওই বৃষ্টি। সন্ধ্যা ৬টায় বৃষ্টি নামলে দু’আড়াই ঘণ্টা চলে তা। এ বৃষ্টি স্বসত্দি দিয়ে গেলেও সন্ধ্যা থেকেই শহরের মালপাড়া, জগদ্ধাত্রীপাড়া, জমিদারপাড়া, ইদ্রাকপুর, দেওভোগ, শ্রীপলস্নী, খালইস্ট, মালাপাড়, পাচঁঘরিয়াকান্দি, বাগমামুদালীপাড়াসহ গোটা এলাকা বিদ্যুতহীন হয়ে পড়ে। অন্ধকারে ডুবে যায় শহরের এসব এলাকার বাসাবাড়ি। স্বসত্দির বৃষ্টিতে প্রাণ জুড়ালেও বিদু্যতহীন অন্ধকারে ডুবে থাকা শহরবাসীর রাতের কাজকর্ম সারতে হয়েছে হারিকেন ও মোম জ্বালিয়ে। বিদ্যুত না থাকায় সোমবার মধ্যরাতে বাসাবাড়িতে পানি উঠাতে না পারায় পানি সঙ্কট শহরবাসীর মাঝে চরম আকার ধারণ করে।

[ad#co-1]