মুন্সীগঞ্জে কৃষকের বুকে চাপা কান্না

হঠাৎ পদ্মার জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের আঁড়িয়ল বিলের ৭ শতাধিক হেক্টর জমির ধান। ফলে সহস্রাধিক কৃষকের বুকে বইছে এখন ধান হারানোর চাপাকান্না। কৃষকের ঘামঝরা আঁড়িয়ল বিলের ইরি-বোরো এখন কোমড় পানির নিচে। বাধ্য হয়ে তারা তলিয়ে যাওয়া আধাপাকা ধান কেটে ঘরে তুলছেন। কৃষক রহমত মোল্লা বলেন, বছরে একবারই এ বিলে ধান আবাদ করেন তারা। এ বিলের ধানে সারাবছর সংসার চলে তাদের। খরার ধকল কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আইলো জোয়ারের পানি। গতবার এক বিঘা জমিতে ২৫ মণ ধান পাইছি। এবার কোনো ধান বাড়িতে নিতে পারি নাই।

কৃষক জমির হোসেন জানান, তিনি এবার বিলের পাঁচ বিঘা জমিতে ধান আবাদ করেছেন। আবাদের শুরুতে খরার কারণে তার তিন বিঘা জমির ধান চিটা হয়ে গেছে। বাকি দু’বিঘা জমিতে ভালো ধান জন্মেছিল। সবেমাত্র ধানে সোনা রঙ লাগছিল। এ অবস্থায় জোয়ারে পদ্মার পানি বৃদ্ধি পেয়ে সে ধানও তলিয়ে যায়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর, সিরাজদিখান ও ঢাকার দোহারের মধ্যবর্তী এলাকায় দেশের বৃহৎ আঁড়িয়ল বিলের অবস্থান। এ বছর এ বিলে সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে। মাসখানেকের মধ্যেই পুরো ধান ঘরে তুলতো কৃষকরা।

[ad#co-1]