পাঠ্যসূচীতে নৃত্যকলা অন্তর্ভুক্ত করার দাবি

আগামী ২৯ এপ্রিল বিশ্ব নৃত্য দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীতে আজ থেকে শুরু হচ্ছে সপ্তাহব্যাপী নৃত্য উৎসব। যৌথভাবে এই উৎসবের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা ও শিল্পকলা একাডেমী। আজকের শিল্পী বিভাগে কথা বলেছেন বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার সভাপতি লায়লা হাসান।

এ বছর বিশ্ব নৃত্য দিবসের স্লোগান ‘নৃত্যের তালে তালে বিশ্ব আজ একসাথে’। এর মাধ্যমে কি বলতে চেয়েছেন?
মানুষে-মানুষে সাম্যের বন্ধন তৈরি করা। দেশের ভৌগলিক গণ্ডি ছাড়িয়ে ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের সঙ্গে সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে তুলতে নৃত্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ বছরের স্লোগানে সাম্যের কথাগুলোই ফুটে উঠেছে। ১৯৯২ সাল থেকে বাংলাদেশে আমরা এ দিবসটি পালন করে আসছি। চলতি বছর ঢাকার পাশাপাশি ফরিদপুর, খুলনা, সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও রাজশাহীতে এই উৎসব পালন করা হচ্ছে। এছাড়াও নৃত্যশিল্পে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাহিজা খানম ঝুনুকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হবে।

নৃত্যশিল্পে অসামান্য অবদানের জন্য চলতি বছর আপনি একুশে পদক পেয়েছেন। এ শিল্পের উন্নয়নে আপনার ব্যক্তিগত কোনো উদ্যোগ কি আছে?

আসলে ব্যক্তিগতভাবে কোনো কিছুই করা সম্ভব নয়। এ কারনে এ দেশে নৃত্যেশিল্পের প্রসারে বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার হয়ে কাজ করতে চাই। তবে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নৃত্যকলা বিভাগ চালু হলে ওই বিভাগে একুশে পদকের জন্য পাওয়া এক লাখ টাকা বৃত্তি হিসেবে প্রদান করব।

আপনাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা কী?

আমাদের সংস্থার মূল লক্ষ্য হলো নৃত্যকে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া। এ কারনে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক শ্রেণীর পাঠ্যসূচীতে নৃত্যকলা অন্তর্ভুক্ত করার জন্য গত কয়েক বছর ধরে সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসছি। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে নৃত্যকলা বিভাগ চালুর দাবি জানিয়েছি।

[ad#co-1]