ভণ্ড পীরের চিকিৎসা

জনকণ্ঠের রিপোর্টই সত্য
ভণ্ড চিকিৎসক আমজাদ হোসেনকে আবার রিমান্ডে আনা হয়েছে। পুলিশের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদনে মঙ্গলবার শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমান ১৪ নং মামলায় একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। এছাড়া ১৩ নং মামলায় আমজাদ হোসেন ও গ্রেফতারকৃত তিন সহযোগীর পাঁচ দিন করে রিমান্ড আবেদন করা হয়। কিন্তু আদালত এই মামলায় রিমান্ড দেয়নি। এর আগে আদালত ১২ নং মামলায় চার জনকেই দু’দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে।

এদিকে তদনত্দ কমিটির রিপোর্টের একটি ছায়াকপি আমাদের হাতে এসে পেঁৗছেছে। ১২ এপ্রিল প্রথম আলোতে “ভ-পীর ভয়ঙ্কর চিকিৎসা” শিরোনামে প্রকাশিত সচিত্র প্রতিবেদনটি সম্পর্কে সরকারী এই রিপোর্ট সরকারের উচ্চ পর্যায়ে জমা হয়েছে। এতে জনকণ্ঠের রিপোর্টই সত্য প্রমাণিত হলো। দুই পৃষ্ঠার এই তদনত্দ রিপোর্টে বলা হয়েছে-আলোকচিত্রী (প্রথম আলোর ফটোগ্রাফার কবির হোসেন) তাঁকে (আমজাদ হোসেন) প্রলুব্ধ করে ছবিগুলো অতিরঞ্জিত করে।

রিপোর্টটিতে উলেস্নখ করা হয়_ ‘ছবি তোলা বিষয়ে উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, প্রথম আলোর উক্ত ফাটো সাংবাদিক মাটিতে শুয়ে থাকা শিশুর গায়ে ভ- চিকিৎসকের পা রাখতে বলেন, তার পর ছবি তোলেন। এরপর বাচ্চার পা উল্টো দিক ধরতে বলেন এবং ফটো সাংবাদিক ইচ্ছানুযায়ী বিভিন্ন ভঙ্গিমায় ছবি তোলেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় লোকজন এবং ভ- চিকিৎসকের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, প্রথম আলোর সাংবাদিক/ফটোগ্রাফার বলেন, এভাবে ছবি তুলে সংবাদ প্রকাশ করলে সারা দেশের লোক তাকে ভালভাবে চিনবে এবং তার চিকিৎসায় প্রসার হবে। চিকিৎসার জন্য এরকম ছবি ছাপা হলে লোকজন আকৃষ্ট হয়ে এসব চিকিৎসায় প্রলুব্ধ হয়ে কঠিন রোগের চিকিৎসার জন্য তার কাছে লোকজন আসবে মর্মে আশ্বসত্দ করা হয়। এতে তার আয় অনেক বেড়ে যাবে বলা হয়। এভাবে আমজাদ হোসেনকে ছবি তোলার জন্য উদ্বুদ্ধ করে চিত্রগুলো ধারণ করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে সংবাদপত্রের ছবিগুলো ৪/৫ দিন আগের তোলা বলে জানা যায়। এদিকে জনকণ্ঠের এই সত্য উদঘাটনে বিভিন্ন মহল থেকে অভিবাদন জানানো হয়েছে।

[ad#co-1]