পুরো সময়টাই মনে রাখার মতো

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে নিঝুম অরণ্যে ছবির আন্তর্জাতিক উদ্বোধনী প্রদর্শনী হলো চ্যানেল আইতে। পাশাপাশি এখন স্টার সিনেপ্লেক্সে দেখানো হচ্ছে ছবিটি। এর কাহিনি, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন মাহবুব জামিল। ছবিটি পরিচালনা করেছেন মুশফিকুর রহমান। এতে অভিনয় করেছেন বাঁধন। কথা হলো তাঁর সঙ্গে।
‘নিঝুম অরণ্যে’ ছবিতে কবে কাজ করেছিলেন?
ছবিটির কাজ করেছিলাম প্রায় আড়াই বছর আগে। ২০০৬ সালে ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায় আমি দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছিলাম। তখন কথা ছিল দারুচিনি দ্বীপ ছবিতে প্রতিযোগিতার সেরা তিনজনই অভিনয় করবে। পরীক্ষার কারণে তা পারিনি। এরপর নিঝুম অরণ্যে ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব পাই। গল্প পড়ে আমিও মুগ্ধ হয়ে যাই।

আপনার প্রথম ছবি মুক্তি পেয়েছে। কেমন লাগছে?
রোববার ছবিটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী হলো স্টার সিনেপ্লেক্সে। তখন আমার মধ্যে খুব বেশি মানসিক চাপ কাজ করছিল। বুধবার টিভিতে দেখানোর সময় চাপটা আরও বেড়ে যায়। মনে হচ্ছিল, কিছুক্ষণের মধ্যেই পরীক্ষার রেজাল্ট বের হবে; কেমন হবে—ভালো, নাকি খারাপ। তবে ছবিটি দেখানো শেষ হওয়ার পর অনেকেই ফোন করে প্রশংসা করেছেন। মুঠোফোনে অসংখ্য বার্তা পেয়েছি। ভালোই লাগছে। ছবিটা শুধু স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, আরও কয়েকটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেলে বেশি দর্শক দেখতে পেত।

ছবিটির কাজ কোথায় করেছিলেন?
চট্টগ্রাম, কাপ্তাই, রাঙামাটি, গাজীপুর আর ঢাকাতে। সজল আর আমার এটাই ছিল প্রথম ছবি। তাই আমরাও প্রচুর পরিশ্রম করেছি। সারা দিন কাজ করার পর রাতে এসে আমরা দুজন ক্যামেরাম্যান জেড এইচ মিন্টুর সঙ্গে বসতাম। পরদিনের চিত্রনাট্য পড়তাম, দৃশ্যগুলো কীভাবে ধারণ করা হবে, সেগুলো তিনি বুঝিয়ে দিতেন। ওই দিনের কাজে কোনো ভুল হলে সেটা নিয়ে আলোচনা করতেন। কাজ করার পুরো সময়টাই ছবির গল্পের মধ্যে ছিলাম। আর কাজটা হয়েছিল আড়াই বছর আগে, তখন কিন্তু আমিও ছিলাম একেবারেই নতুন।

ছবিতে কাজ করার কোনো অভিজ্ঞতার কথা বলুন।
ছবিতে কাজ করার পুরো সময়টাই মনে রাখার মতো। লোকেশনগুলো ছিল চমৎকার। আমরা খুব উপভোগ করেছিলাম। এখন দর্শকদের ভালো লাগলেই আমাদের সব পরিশ্রম সার্থক হবে।

[ad#co-1]