ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ সড়কে যাত্রীদের দুর্ভোগ

মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর সেতু সংযোগ সড়ক নির্মাণে বাস্তবমুখি পদক্ষেপ নেয়ার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ মুন্সীগঞ্জবাসী। মুক্তারপুরে ধলেশ্বরী নদীর উপর ষষ্ঠ বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সেতু নির্মাণের ২ বছর পেরিয়ে গেলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ হয়নি। মুন্সীগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন মুক্তারপুর সেতু হওয়ার পর সংযোগ সড়ক না হওয়ায় এর সুফল ব্যাহত হচ্ছে। মুক্তারপুর থেকে পঞ্চবটি পর্যন্ত অপ্রশস্ত সড়কে অতিমাত্রায় যানবাহন চলাচল বেড়ে গেছে।

মুক্তারপুর শিল্পনগরীর বিভিন্ন সিমেন্ট ফ্যাক্টরির বড় ট্রাকগুলো রাস্তায় বের হলেই অপ্রশস্ত সড়কে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে করে ৪০-৫০ মিনিটের সড়ক পাড়ি দিতে যাত্রীদের কখনও কখনও ৩-৪ ঘণ্টা রাস্তায় যানজটে আটকে থাকতে হয়। প্রতিদিনই এমন অসহনীয় দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে যাত্রীদের ঢাকায় যাতায়াত করতে হয়।

রাজধানীর জনসংখ্যার চাপ ও মুন্সীগঞ্জ জেলা সদরের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করার লক্ষে ২০০৮ সালের ১৮ই জানুয়ারি ২০৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ধলেশ্বরী নদীর উপর মুক্তারপুরে ষষ্ঠ বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সেতুটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেয়া হয়। ২০০৫ সালের ২৭শে জানুয়ারি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় একই বছরের ৭ই জুলাই। মুন্সীগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের এ কাঙ্ক্ষিত সেতু পেলেও বিকল্প সংযোগ সড়ক কিংবা মুক্তারপুর থেকে পঞ্চবটি পর্যন্ত সড়ক প্রশস্ত না হওয়ায় এ সেতুর সুফল ভোগ করতে পারছেন না। ওই সময় বিকল্প সংযোগ সড়ক হিসেবে কাঠপট্টি টানা ব্রিজ থেকে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া হয়ে একটি সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘদিনেও তা বাস্তবায়িত না হওয়ায় দীর্ঘ যানজটের কবলে পড়ে যাত্রীদের অসহনীয় দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

[ad#co-1]