হুমায়ুন আজাদের অপ্রকাশিত সাক্ষাৎকার-২

বাংলাদেশের বিখ্যাত লেখকদের অন্যতম ছিলেন অধ্যাপক হুমায়ূন আজাদ। । হুমায়ুন আজাদের এই সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করা হয়েছিলো নিউইয়র্কে ২০০২ সালে নিউইয়র্কস্থ বাংলা টিভির পক্ষ থেকে । প্রিন্ট মিডিয়ায় এটি প্রকাশিত হয়নি। তাকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে সাক্ষাৎকারটি মরণোত্তর প্রকাশ করা হয় উত্তর আমেরিকায় সর্বাধিক প্রচারিত ঠিকানার ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ সংখ্যায়-যা ১৯ ফেব্রুয়ারিতে বাজারে এসেছে। এই সাক্ষাতকারে তিনি বাংলাদেশের রাজনীতি, সমাজনীতি, শিল্প- সাহিত্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন।

প্রশ্ন: আমেরিকাকে ভোগ করা যায়, ভালাবাসা যায় না- এ কথাটি আপনি কেন বলেছেন- বলবেন কি?

হুমায়ুন আজাদ : আমি কথাটি এভাবে বলছি- নিউইয়র্ক এমনই রূপসী, যাকে সবাই ভোগ করতে চায় কিন্তু কেউ ভালবাসে না। আমি কিন্তু নিউইয়র্ককে মনে মনে খুব ভালবাসি। যদিও আমি বাংলাদেশে থাকি। নিউইয়র্ক আমার স্বপ্নের নগরীগুলোর একটি। যেমন আমি পছন্দ করি লন্ডন, আমি পছন্দ করি প্যারিস। নিউইয়র্ক ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্য কোন নগরী আমি পছন্দ করি না। ওয়াশিংটন আমার স্বপ্নের মধ্যে নেই। ওয়াশিংটনকে আমি কখনো সৃষ্টিশীল বা শৈল্পিক নগরী মনে করি না। নিউইয়র্ক একটি সত্যিই একজন তরুণী রাণীর মত, অপূর্ব রূপসী, অসম্ভব সুন্দর, অসাধারণ। আমি যখন নিউইয়র্কে সাবওয়ে দিয়ে যাই, যখন আমি নিউইয়র্কের পথে হাঁটি তখন অনুভব করি। এখন তো নিউইয়র্কে আমার অনুরাগীর সংখ্যা বেশি, আমি ইচ্ছে করলে গাড়িতেই চড়তে পারি। আমি যখন এডেনবোরতে ছিলাম তখন আমি নিজে ড্রাইভ করেছি। নিউইয়র্কে আমি ইচ্ছে করলে এক বছর থাকতে পারি বিভিন্ন বাসায় বাসায়- আমার অনুরাগীদের কাছে। নিউইয়র্কের জন্য আমার গভীর মায়া রয়েছে। আরেকটি শহরের প্রতি আমার মায়া রয়েছে সেটি হচ্ছে ঢাকা। ৯/১১ এর পর আমি বলেছিলাম-এটা একটি বিভৎস কাজ, আমি নিন্দা জানিয়েছিলাম। কিন্তু অন্যান্য বুদ্ধিজীবী, যারা খুবই বুদ্ধিমান তারা কিন্তু আমার বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছিলেন। তারা ঘটনার জন্য নিন্দা জানাননি। আমার দু:খ লেগেছে- যারা এমন দুটো সুন্দর দালানকে কেউ ধ্বংস করতে পারে! টুইন টাওয়ার আমার কাছে ছিলো সৌন্দর্য্যের প্রতীক।

প্রশ্ন: আপনার নারী উপন্যাসটি কেন ব্যান্ড করে দেয়া হলো?

হুমায়ুন আজাদ : নারী উপন্যাসটি ব্যান্ড করা হয়েছিলো- সম্ভবত ১৯৯৫ সালের নভেম্বর মাসে। আমি উচ্চ বিচারালয়ে যাই এবং ২০০০ সালের ৭ মার্চ বইটি মুক্তি পায়। মজার বিষয় হলো- বইটি যদি সরকার নিষিদ্ধ করতে চায়, তাহলে প্রথমে জানানো উচিত বইটির লেখককে, আপনার কি মত? আত্মপক্ষ সমর্থন করার কিছু আছে কি? আমাকে তার কিছুই জানানো হয়নি। নিষিদ্ধ করার পরও আমাকে জানানো হয়নি। আমি পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছি, আমার বইটি নিষিদ্ধ করা হলো। আমি যখন উচ্চ বিচারালয়ে মামলা করি, তখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব যিনি আমার অনুরাগী, তিনি আমাকে সমস্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে দিয়েছিলেন। আমি দেখতে পাই কয়েকজন অশিক্ষিত আমলা, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কয়েকজন কর্মকতা ও ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কিছু লোকের মতামত নেয়া হয়েছে। নারীতো বিশাল একটি বই এবং এটা কিন্তু সুখপাঠ্য না। তারা দশটি কারণ দেখিয়ে বলেছে- বইটি নিষিদ্ধ করা যায়। অথচ তারা বইটি পড়েনি। নারী বইটি পড়ার শক্তি বাংলাদেশের কোন সচিবের, কোন মন্ত্রীর নেই। বইটির নাম নারী হলেও বইটি নারীদের জন্যও উপভোগ্য নয়। তারা যে কারণগুলোর কথা উল্লেখ করেছিলো, তার চেয়ে মারাত্মক বিষয় এ বইতে ছিলো। তারা সেগুলোর কথা উল্লেখ করেনি, কারণ তারাতো বইটি পড়েনি। তারা যে কোন একটি বাক্যের কথা উল্লেখ করেছে। মজার বিষয় হলো- বাংলাদেশের আমলাতন্ত্র কি রকম। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে- এই বইটির প্রথম সংস্করণ নিষিদ্ধ করা হলো। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নামক যে প্রতিষ্ঠানটি রয়েছে, তারা শুধু প্রথম সংস্করণ লেখাটি দেখেছে অন্য কিছু দেখেনি। ইতিমধ্যে কিন্তু দ্বিতীয়, তৃতীয় সংস্করণ বের হয়ে গিয়েছে। তথ্য মন্ত্রণালয়ের যে সব সচিবরা রয়েছেন তারা মনে করেছে সব সংস্করণই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আমার আইনজীবী যখন উচ্চ বিচারালয়ে এটি উপস্থাপন করলেন তখন বিচারপতি তা গ্রহণ করতে রাজি হননি। ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলামের মত ব্যারিস্টার- তিনি ছয় ঘন্টা ধরে যুক্তি দিয়েছেন। যে বইটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে তাতে সংবিধান লংঘন করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। উচ্চ বিচারালয়ে যাবার পর প্রায় সাড়ে চার বছর এ বিষয়ে আর কোন আলোচনা হয়নি, আদালতে ওঠানো হয়নি। আমি বার বার আমার আইনজীবীসহ আদালতে গিয়েছি। এক সময় সব আশা ছেড়েই দিয়েছিলাম। ধরে নিয়েছিলাম এই বইটি হয়ত প্রকাশিতই হবে না। তারপর হঠাৎ এক দিন আমার আইনজীবী বিষয়টি উপস্থাপন করলেন এবং বিচারপতিও রাজি হলেন এবং দুই তিন দিনের মধ্যে রায় হয়ে গেল। রায়টিও ছিলো খুব মজার। ঐ সময় আমি আদালতে বসে ছিলাম। আমি বুঝতেও পারিনি। আমার পাশে একজন বসেছিলেন, তিনি বললেন, স্যার আপনার পক্ষে রায় হয়ে গিয়েছে। আমি কিন্তু উৎফুল্ল হয়নি। কারণ বিচারপতি যেভাবে রায় দিয়েছেন সেটা আমার কাছে খুব একটা উৎসাহব্যঞ্জক বলে মনে হয়নি।

প্রশ্ন: বইটি নিষিদ্ধ করার কারণ কি রাজনীতি না ফতোয়াবাজদের কারসাজি?

হুমায়ুন আজাদ:
এটা হলো আমাদের সরকারের প্রতিক্রিয়াশীলতার প্রকাশ। তবে বইটি যখন নিষিদ্ধ করা হয় তখন শুনা গেল- এর পিছনে যে সরকার সম্পূর্ণ জড়িত তা কিন্তু নয়। এখানে হয়ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে কেউ বুঝিয়েছেন, নিশ্চয় ডানপন্থীরা এ কাজটি করেছে। তখন যিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ছিলেন তিনি হয়ত মাধ্যমিক পাশও নন। তারপক্ষে তো আমার বই পড়া সম্ভব নয়। আমি যখন মামলাটি করি তখন হাইকোর্টের গেটে একজন আমার সঙ্গে দেখা করলেন। তিনি আমাকে বললেন- জানেন আমিও আবেদন করেছিলাম আপনার বইটি নিষিদ্ধ করার জন্য। আমি তার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। কিছুই বলিনি।

প্রশ্ন: আপনি তো এক সময় পত্রপত্রিকায় কলাম লিখতেন- এখন লিখছেন না কেন?

হুমায়ুন আজাদ : স্বৈরাচার পতনের পর আমার ছয়টি বই প্রকাশিত হবার কথা। তাছাড়া বাংলাদেশে কলাম লেখা মানেই একই কথা বার বার ফিরে ফিরে বলা বা লিখা। একই ঘটনা বার বার আসে। একটি স্বৈরাচারি সরকারের পতনের পর আরেকটি তথাকথিত গণতান্ত্রিক সরকার আসে। তারপর আরেকটি তথাকথিত গণতান্ত্রিক সরকার আসে। কিন্তু বার বার একই ঘটনা ঘটছে এবং এর ফলে একই কথা বলতে হয়। আমাদের যারা প্রধান লেখক রয়েছেন তারা প্রত্যেকটি ঘটনাকে ইনিয়ে বিনিয়ে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে লিখছেন। আমাদের দেশে যে সব কলাম সাহিত্য তৈরী হয়েছে, সেগুলো অত্যন্ত নিম্নমানের। আমাদের দেশের সব কলাম লেখকরা কোন না কোনভাবে কোন দলের অনুসারী। আমি লেখার চেষ্টা করি নিরপেক্ষ কলাম। আমার কলামে আমি চেয়েছি- আমার বক্তব্য কারো পছন্দ হতেও পারে, নাও হতে পারে। এর মধ্যে আমার কলাম নিয়ে ছয়টি বই বেরিয়ে গেল। আমি দেখলাম আমার ছয়টি বই- এর ছয়টি বাক্য কাজে লাগেনি। আমার লেখায় ভাল ভাল পরামর্শ ছিলো। কিন্তু কোন সরকার শুনেনি। আমি প্রচুর কলাম লিখেছি এক সময়, এখনো কলাম লেখার প্রচণ্ড চাপ আছে আমার উপর। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমি আর কলাম লিখবো না। তখন একজন সম্পাদক আমাকে বললেন. আপনি তো নারী বিষয়ে লিখেন, আমাদেরও নারী বিষয়ে লেখা দিন মাঝে মধ্যে। বিষয়টি আমার পছন্দ হয়। আমি ছাত্র জীবন থেকে নারীবাদী সব বই কিনে রেখেছি। আমি যখন এডিনবোরায় ছিলাম, তখনও আমি নারীবাদী বই কিনেছি। কিন্তু কোনটিই আমি ভালভাবে পড়িনি। কোনটি ১০ পাতা পড়েছি, কোনটির ১০০ পাতা পড়েছি। তাছাড়া কলামগুলোতে দেখবেন- প্রত্যেকে কেমন জানি আমি আমি করেন। আমি সকালে ঘুম থেকে উঠলাম, সে দিন রাতে ভাল ঘুম হয়নি- এ ব্যাপার নিয়ে আত্মকথন হচ্ছে আমাদের কলামগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্য। তারা কলামগুলোর মাধ্যমে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা করেন এবং নিজেদের কর্মকাণ্ডে পরিণত করছেন। তাছাড়া কলামগুলো মননশীলতায় ভুগছে। এ কলামগুলোর মধ্যে কোন মননশীলতা নেই। এগুলা হচ্ছে দলের গুণগান করা এবং অন্য দলের নিন্দা করা।

প্রশ্ন: আপনি তথাকথিত গণতন্ত্র বলতে কী বুঝাতে চেয়েছেন?

হুমায়ুন আজাদ : আমাদের দেশেতো গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্রের মধ্যে বাক স্বাধীনতা থাকতে হবে, মানুষের অধিকার থাকতে হবে, মানবাধিকার থাকতে হবে, মানুষের সমস্ত অধিকার রাষ্ট্রকে মেনে নিতে হবে। কিন্তু আমাদের দেশে সেই সব নেই। যে জন্য বলছিলাম- আমাদের দেশে সত্যিকার গণতন্ত্র নেই, এটা হচ্ছে তথাকথিত গণতন্ত্র। যেমন ধরুন- আমাদের দেশে একজন পুলিশ সাধারণ একজন মানুষকে ধরে নিয়ে যায়, তার কিছু করার থাকে না। নিউইয়র্ক সিটির একজন মেয়র রয়েছেন। তিনি কিছুতেই একজন সাধারণ মানুষকে নির্দেশ দিতে পারেন না। একজন মেয়রকে দেখে যদি কোন মানুষ পাত্তা না দেয়- তাতে কিছু আসে যায় না। কিন্তু আমাদের দেশে একজন এমপি, একজন মন্ত্রী, একজন আমলা- তারা তো প্রভূর মত কাজ করেন। সাধারণ মানুষ হচ্ছে তাদের দাস। বুশ এদেশের প্রেসিডেন্ট তার পক্ষে একটি ডলারও অবৈধভাবে গ্রহণ করা সম্ভব নয়। আমাদের দেশে যারা ক্ষমতায় থাকেন তারা বা মন্ত্রীরা বা এমপিরা কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করছেন। বাংলাদেশে কোন দলই সৎ নেই। সব দলেই একই অবস্থা। বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা হচ্ছে আর্থিক অনৈতিকতা। বাংলাদেশ দরিদ্র এ কথা ঠিক। কিন্তু আর্থিক অনৈতিকতা দূর করে দারিদ্র্য যদি সম্পূর্ণ মোচন করা যেতে নাও পারে কিন্তু অনেকটা কমে যাবে। ব্যবস্থা নিতে হবে অবৈধভাবে কারো পকেটে একটি পয়সাও ঢুকবে না। আমাদের মন্ত্রীরা অসৎ, আমাদের সচিবরা অসৎ, দারোগারা অসৎ, কাস্টমস কর্মকর্তারা অসৎ। পৃথিবীতে এমন একটি দেশ কি খুঁজে পাওয়া যাবে যেখানে কোটি কোটি টাকা ব্যাংক থেকে নিয়ে ফেরৎ দেয়া হচ্ছে না এবং তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে শুধু তাদের ব্যাংক খেলাপী বলা হচ্ছে। নির্বাচনে জয় লাভ করার পর সব কিছু সুদ মুক্ত হয়ে যায়- এটা কী আমেরিকায় সম্ভব? আমেরিকায় দেখা যায় রাস্তায় গাড়ি চালাতে গেলে চিন্তা করেন অন্যায় করলে টিকিট খাবে- তারা সব কিছুই আইন অনুযায়ী করার চেষ্টা করেন বা থাকার চেষ্টা করেন। কিন্তু আমাদের দেশে- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বে তার কোন ক্ষমতা নেই কিন্তু তিনি বাংলাদেশে মহা শক্তিশালী- যা আমেরিকার রাষ্ট্রপতিরও নেই। আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ইচ্ছে করলে বোমা মেরে পৃথিবী ধ্বংস করে দিতে পারেন। তিনি ইচ্ছা করলে, তার দল ইচ্ছা করলে, তার আত্মীয় ইচ্ছে করলে, তার কংগ্রেসম্যান, সিনেটর ইচ্ছে করলে অবৈধভাবে টাকা গ্রহণ করার সুযোগ নেই- যা বাংলাদেশে রয়েছে।

প্রশ্ন: এই সব দুর্নীতিবাজ নেতা- নেত্রীর কাছ থেকে মুক্তি পাবার উপায় কী? অন্য দিকে বুদ্ধিজীবীরাও নানাভাবে বিভক্ত এর থেকে মুক্তিরই বা উপায় কী?

হুমায়ুন আজাদ : আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়তো দলভুক্ত হয়ে গিয়েছেন। এখন তারা দলে বিভক্ত। এক দল আওয়ামী লীগ করছেন, আরেক দল বিএনপি করছেন, একদল জামাতের, এমনকি আরেক দল জাতীয় পার্টির। আরো যে সব সাম্যবাদী দল রয়েছে তাদেরও বুদ্ধিজীবী রয়েছেন। তারা কিন্তু দলীয় বুদ্ধিজীবী। আমি কোন দলের অন্তর্ভুক্ত নই। ব্যক্তিগতভাবে কে সৎ- তাতে কিছু যায় আসে না। ব্যক্তিগতভাবে আমরা কেউ সৎও নই, অসৎও নই। কিন্তু ব্যবস্থা আমাদের সৎ করে বা অসৎ করে। সেই জন্য আমাদের সঠিক ব্যবস্থা তৈরী করতে হবে। যাতে কারো পক্ষে অসৎ হবার সুযোগ না থাকে। ডেনমার্কের সঙ্গে যে গোলমাল হয়ে গেল। আমি মনে করি ডেনমার্কের আন্ডার সেক্রেটারি যা বলেছেন, তার কথা সত্য। কারণ আমি বাংলাদেশের কোন মন্ত্রী কোন সচিবকে বিশ্বাস করি না। তারা অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত। এর থেকে উত্তরণের জন্য সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। যিনি সবচেয়ে শক্তিশালী তিনি যদি সৎ না হন, তার অধীনে যারা রয়েছেন তারাও সৎ হবে না।

নিউইয়র্ক থেকে এনা:/the-editor

[ad#co-1]