হুমায়ুন আজাদের অপ্রকাশিত সাক্ষাৎকার-১

বাংলাদেশের বিখ্যাত লেখকদের অন্যতম ছিলেন অধ্যাপক হুমায়ূন আজাদ। । হুমায়ুন আজাদের এই সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করা হয়েছিলো নিউইয়র্কে ২০০২ সালে নিউইয়র্কস্থ বাংলা টিভির পক্ষ থেকে । প্রিন্ট মিডিয়ায় এটি প্রকাশিত হয়নি। তাকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে সাক্ষাৎকারটি মরণোত্তর প্রকাশ করা হয় উত্তর আমেরিকায় সর্বাধিক প্রচারিত ঠিকানার ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ সংখ্যায়-যা ১৯ ফেব্রুয়ারিতে বাজারে এসেছে। সাক্ষাৎকারটি ধারাবাহিক ভাবে তিন কিস্তিতে প্রকাশ করা হচ্ছে।

সাক্ষাতকারে তিনি বাংলাদেশের রাজনীতি, সমাজনীতি, শিল্প- সাহিত্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। রাজনীতির কথা বলতে গিয়ে বলেছেন, নিজ দেশে বংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর যে ক্ষমতা তা আমেরিকার প্রেসিডেন্টেরও নেই। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি রাজনীতিবিদ, সচিব এবং সরকারি অফিসের উর্ধ্বতন কর্মকতারা দুর্নীতিবাজ। বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রধান বাধা হিসাবে তিনি দুর্নীতিকে চিহ্নিত করেছেন। সাহিত্যের কথা বলতে গিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশে সাহিত্যের জন্য শ্রেষ্ঠ সময় ছিলো ৬০ এর দশক এবং জনপ্রিয় সাহিত্য সম্পর্কে বলেছেন, এগুলো সাবওয়ের সাহিত্য, অপ্রাপ্তবয়ষ্কদের সাহিত্য। নারী বই সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশের মন্ত্রী, এমপি এবং সচিবদের কোন শক্তি নেই নারী বইটি বুঝার।

অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ বাংলাদেশে প্রথাবিরোধী লেখক হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেছিলেন। সমগ্র ছাত্র জীবনেই ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। পরীক্ষাতে প্রথম- দ্বিতীয় স্থানটি নির্ধারিত থাকতো যেন তার জন্যই। লেখালেখিতেও ছিলেন দারুণ মেধাবী। অজস্র লিখেছেন। আর হুমায়ুন আজাদের লেখা মানেই নতুন সেন্সেশন, ভিন্নমাত্রার রোমাঞ্চ। প্রগতিশীলদের কারো কারো কাছে ছিলেন চোখের মনি, আবার ঈর্ষান্বিতও ছিলেন অনেকে। তবে প্রতিক্রিয়াশীল চরম ডানপন্থী এবং ধর্ম ব্যবসায়ীদের সকলের কাছে ছিলেন দু-চোখের বিষ এবং এই গোষ্ঠির হাতে অকালে প্রাণ দিয়ে তার মূল্যও তিনি শোধ করে গেছেন। ঢাকার বিক্রমপুরের রাঢ়িখালে জন্মেছিলেন ১৯৪৭- এর ২৮ এপ্রিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন। বৃটেনের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করা। তার লেখা এবং প্রকাশিত গ্রন্থ সংখ্যা ৬০ এর অধিক।

উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ নারী। যা সরকারি রোষাণলে পড়ে নিষিদ্ধ থাকে সাড়ে চার বছর। এছাড়া অনুবাদ গ্রন্থ দ্বিতীয় লিঙ্গ (মূল লেখক সিমোন দ্যা বোভায়ার)। অন্যান্যের মধ্যে অলৌকিক ইস্টিমার, জ্বালো চিতাবাথ, সব কিছু নারীদের অধিকারে যাবে, কথা সাহিত্য ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল, মানুষ হিসেবে আমার অপরাধ সমূহ, আমার অবিশ্বাস, আমরা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলাম, বাঙলা ভাষার শত্রুমিত্র, কিশোর সাহিত্য লাল নীল দীপাবলী, ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, আব্বুকে মনে পড়ে, আততায়ীদের সঙ্গে কথোপকথোন, রবীন্দ্র নাথের প্রধান কবিতা উল্লেখযোগ্য। তিনি মুক্তিযুদ্ধে রাজাকার- আলবদরদের ভূমিকা নিয়ে পাকসার জমিন সাদ বাদ লিখে ঘাতকদের রোষাণলে এমনভাবে পড়েন যে নিজেকে আর রক্ষা করতে সক্ষম হননি। ২০০৪ সালে বাংলা একাডেমির বইমেলা থেকে বের হয়ে ঘরে ফেরার পথে মেলার অদূরেই আক্রান্ত হন। দীর্ঘদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে কিছুটা সুস্থ হয়ে ওঠলেও সেই আঘাতের চাপেই জার্মানীর মিউনিখে যেয়ে নি:সঙ্গ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন ২০০৪ সালের ১১ আগস্ট। হুমায়ুন আজাদ সশরীরে আমাদের মাঝে না থাকলেও তিনি নিত্য আলোচিত। তার অভাবও দেশপ্রেমে উজ্জীবিত মানুষ প্রতিনিয়ত অনুভব করেন। এ সাক্ষাতকারে তিনি আরো অনেক কথা বলেছেন যা পাঠকদের জন্য এখানে উপস্থাপন করা হলো।

প্রশ্ন: নিউইয়র্ক আপনার কাছে কেমন লাগছে?

হুমায়ুন আজাদ :
আমি নিউইয়র্কে এসেছি নভেম্বরে। আমার শরীর বিকলনগ্রস্ত, মস্তিষ্ক ঠিকভাবে কাজ করছে না। তবুও বলি নিউইয়র্ক শহর সম্পর্কে তো আমার পূর্ব ধারণা ছিলো। আমি নিউইয়র্কে আসিনি সত্যি, কিন্তু নিউইয়র্ক সম্পর্কে আমার জানা ছিলো। নিউইয়র্কে এর মধ্যে বড় ধরনের ঘটনা হচ্ছে ৯/১১ এর ঘটনা। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। নিউইয়র্ক নগরীতে যখন আমার বিমান আসে তখন অনেকক্ষণ উপরে ঘুরেছে, অবতরণ করতে পারেনি। বার বার ঘুরেছে, আমি বার বার দেখেছি নিউইয়র্ক সিটিকে। এটা আমার মনের মধ্যে একটি প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। নিউইয়র্ক চিরকালই আমার প্রিয় শহরগুলোর মধ্যে একটি। নিউইয়র্ককে আমি জানি বিশাল নগরী হিসাবে। একটি মুক্ত নগরী হিসাবে। প্রধান নগরী হিসাবে। এখানকার শিল্প- সাহিত্যের কথা আমার সব সময় মনে পড়ে। আমি মোটেও ভাবিনি নিউইয়র্কে আসবো বলে। কারণ আমি ২৭ বছর বাংলাদেশের বাইরে যাইনি। যদিও ভারতে গিয়েছি দুই বার।

প্রশ্ন: কেন দেশের বাইরে যাননি?

হুমায়ুন আজাদ: এটা অমার খুবই একটি ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমি যখন যুক্তরাজ্য থেকে পিএইচডি ডিগ্রি শেষ করে ১৯৭৬ সালে দেশে ফিরছিলাম তখন সমস্যাটির সৃষ্টি হয়। আমি অবশ্য বাধ্য হয়েছিলাম বাংলাদেশ বিমানে আসতে। আমরা যখন বিমানে আরাম করে বসলাম। ঐ সময় আমাদের জানানো হলো বিমানের যান্ত্রিক ক্রুটি দেখা দিয়েছে, কয়েক ঘন্টা পর ভয়াবহ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ বিমান আকাশে উড়লো। এরপর ঠিক করেছিলাম আর কখনো বিমানে উঠবো না। তারপরও দেশের বিমানে উঠেছি, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে দেশের বিভিন্ন জায়গা গিয়েছি, ভারতে গিয়েছি। তাছাড়া লেখালেখি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজকর্ম নিয়ে ব্যস্ত থেকেছি। চিন্তা করে দেখেছি বিদেশে গিয়ে কী হবে? নিউইয়র্ক একটি বিশাল নগরী। অত অল্প দিনের মধ্যে তো নিউইয়র্কের রহস্য ভেদ করা অত্যন্ত দূরহ ব্যাপার। আমি এই বিশাল নগরীর মধ্যে রয়েছি, এখনো আমি এই নগরীর অন্তর্ভুক্ত হাইনি। আর আমার অন্তর্ভুতি হবারও খুব একটা ইচ্ছে নেই। আর অন্তর্ভুতি হবার বয়সও আমার নেই। আমার যখন ২৫ বছর বয়স ছিলো আমি তখন লন্ডনে ছিলাম। এডিনবোরোয় ছিলাম। সে কি চাঞ্চল্যকর জীবন। আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসে বাস করেছি। আমার ছাত্রাবাস ছিলো মিশ্র। আমার পাশেই ছিলো একটি তরুণী। তারপাশের ঘরেও ছিলো বিদেশী তরুণী। আমিই ছিলাম একমাত্র বাংলাদেশী ছাত্র। যেখানে চীনা ছিলো, ফরাসী ছিলো, ইংল্যান্ডের ছাত্রছাত্রী ছিলো। বিশাল এক ছাত্রাবাস। দেখতে মনে হতো গুচ্ছের মতো। আর আমি যে জীবন যাপন করেছি তা ছিলো ইউরোপীয়ানদের মত। আমি যাদের সঙ্গে ছিলাম, তাদের সাথে আমার চমৎকার সম্পর্ক ছিলো। মনে হতো বাংলাদেশী জীবন যাপনের মধ্যে আছি। তারপরও মনে হতো আমি যেন পিছিয়ে আছি। এখানে চমৎকার জীবন যাপন, সব কিছুই অত্যাধুনিক কিন্তু বাংলাদেশে সেই জীবন নেই, তাই আমরা পিছিয়ে। যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন তারা লেখাপড়ার পাশাপাশি জীবনকে উপভোগ করছেন, বাংলাদেশে তা হয় না। বাংলাদেশের মানুষ নানা রকম সংকটের মধ্যে তাদের জীবনযাপন অতিক্রম করছেন এবং আমি জানি বাংলাদেশের মহিলারা প্রতিনিয়ত সমস্যার সম্মুখীন। তাদের মধ্যে অনেকেই তাদের জীবনের কথা বলার সময় কান্নাকাটি করেছেন। বিদেশে যে সব বাঙালি রয়েছেন, তারাও তাদের কাজকর্ম নিয়ে ব্যস্ত। তাদের মধ্যে কেউ কেউ রয়েছেন যারা ২০ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত বিদেশে। তারা প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করছেন, সংসারে সময় দিতে পারছেন না। অধিকাংশ মহিলা বাসার মধ্যে বন্দি। এরি মধ্যে আমি সবাইকে আপন করে নিয়েছি। নিউইয়র্কে যেসব বাংলাদেশী রয়েছেন তারা বেশ সুযোগ- সুবিধা পাচ্ছেন কিন্তু মূলধারায় বাংলাদেশী নেই।

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশী মহিলাদের কথা বলছেন তারা ঘরের মধ্যে বন্দী কিন্তু বাংলাদেশে মহিলারা কি স্বাধীন?

হুমায়ুন আজাদ :
বাংলাদেশের অবস্থা খুব মজার। বাংলাদেশে যারা মধবিত্ত, উচ্চ মধ্যবিত্ত শ্রেণী তারাতো অর্থ উপার্জনের জন্য ছুটছেন। তাদের স্বামীরা সকালে ওঠেই কাজে চলে যাচ্ছেন, কাজ শেষে রাতে বাসায় ফিরছেন। বাংলাদেশে দ্রারিদ্র্য রয়েছে, বাংলাদেশে সীমাহীন যন্ত্রণা রয়েছে, যানজটসহ নানা রকম সমস্যা রয়েছে। কিন্তু সেখানে উচ্চবিত্তরা ভালই আছেন। আমরা যারা মধ্যবিত্ত রয়েছি, তারা উদ্বেগহীন জীবন যাপন করি। সোজা কথায় বলা যায়- আমরা একটি চক্রের মধ্যে জীবন যাপন করছি। যেমন আমার বাড়ির কথাই বলি। আমি আমার বাসায় বিদেশী টেলিভিশনগুলো দেখি, আমার মেয়েরাও দেখে। আমার স্ত্রী- পুত্রও দেখে। নিউইয়র্ক সম্পর্কে আমি বাংলাদেশে বসে সংবাদ দেখি। আমি লক্ষ করেছি- নিউইয়র্কে যারা বাস করেন, অনেক সময় তারাও সেই সব খবর পান না। ১১ সেপ্টেম্বর যে নৃশংস ঘটনা ঘটেছে, তার সাথে সাথেই কিছু মিডিয়া থেকে আমাকে ফোন করে মতামত চাওয়া হয়েছিলো। তখন আমি বলেছিলাম আমিতো এখনো কিছু জানি না, আমাকে টেলিভিশন দেখার জন্য বলা হলো। আমি টেলিভিশন খোলার কিছুক্ষণ পরে দেখলাম দ্বিতীয় বিমানটি অট্টালিকা আক্রমণ করলো, আমি সরাসরি দেখতে পেলাম। আমি নিউইয়র্কে এক আত্মীয়কে ফোন করলাম। তারা জানালো তারা জানে না। তারা টিভি খুলে দেখতে পেল সেই বিভৎস পরিস্থিতি। নিউইয়র্কে জীবনের অন্নেষণে এসে যারা এখন স্বচ্ছল, তাদের সবার মন পড়ে আছে বাংলাদেশে। সাধারণ বাংলাদেশীদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। তারা হয়ত নিউইয়র্কে কোন ছোট বাসায় থাকেন, নয়ত কোন বেইসমেন্টে থাকেন, অনেকে হয়ত নিজের কেনা বাড়িতে থাকেন। কিন্তু মনে মনে তারা সবাই বাংলাদেশে রয়েছেন। তাদের সন্তানরা যারা জন্ম নিচ্ছেন, তারা এক সময় মার্কিনী হয়ে ওঠবেন, তারা বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবেন।

প্রশ্ন: বাংলাদেশে অফুরন্ত সময় বাংলা সাহিত্য চর্চা করার বা বাংলা সংস্কৃতি লালন করার কিন্তু নিউইয়র্কে এসে আপনি লোকজনের সাথে কথা বলেছেন, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়েছেন। এখানে বাংলা সংস্কৃতি বা সাহিত্য চর্চা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?

হুমায়ুন আজাদ : প্রথম কথা হলো শিল্প, সাহিত্য- সংস্কৃতির সাথে তো সব মানুষের সম্পর্ক থাকে না বা যুক্ত থাকে না। কিন্তু নিউইয়র্কে আমি এখন যে অবস্থা দেখতে পাচ্ছি- তা হচ্ছে বাঙালিরা খুবই গৃহকাতর। তাদের মধ্যে কেউ গাড়ি চালাচ্ছেন, কেউ কোন রেস্টুরেন্টে কাজ করছেন- তারা মোটামুটি পরিশ্রম করছেন এবং ভালই আছেন। আরেক ধরনের বাঙালি আছেন যারা অধ্যাপনা করছেন, ভাল চাকরি করেছেন, ভাল ব্যবসা করছেন, তারা কিন্তু বাঙালিদের থেকে বিচ্ছিন্ন এবং এরা অন্তর্ভুক্ত নয়। সে কারণে শিল্প- সাহিত্য থেকেও তারা দূরে। আমার মনে হয় যারা বাঙালি এখানে আছেন তাদের প্রথম প্রজন্ম এ পর্যায়কে অতিক্রম করে যাচ্ছেন, তাদের শেকড় বেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারা কিন্তু এখন সাহিত্য সৃষ্টির কথা ভাবছে না। আমার খুব ভাল লাগছে এ জন্য যে নিউইয়র্ক থেকে চমৎকার পত্রিকা বের হচ্ছে। নিউইয়র্কের পত্রিকাগুলো আমার কাছে বাংলাদেশের পত্রিকাগুলোর তুলনায় সুস্থ মনে হয়। নিউইয়র্কে বাংলাদেশীরা যে টেলিভিশন কেন্দ্র স্থাপন করেছেন- এগুলো সৃষ্টির বহি:প্রকাশ। বাঙালি এখানে প্রথম পর্যায়ে শুধু কর্মী বাঙালি নয়, শুধু শ্রমিক বাঙালি নয়, তারা এখানে কোন রকমে বিভিন্ন স্থানে কাজ করে- আমেরিকার সমাজ সম্পর্কে কিছু না জেনে জীবন যাপন করছেন না- তারা এখন সৃষ্টিশীল, তারা কবিতা লিখছেন, প্রবন্ধ লিখছেন, উপন্যাস লিখছেন, পত্রিকা প্রকাশ করছেন, টেলিভিশন চ্যানেল করছেন, বাংলা ভাষার চর্চা করছেন- এটা বাংলাদেশ এবং বাংলা সাহিত্যের জন্য অবশ্যই আশান্বিত একটি দিক।

নিউইয়র্ক থেকে এনা:/the-editor

[ad#co-1]

One Response

Write a Comment»
  1. porlam. valo laglo. New york jawa’r kahini onek bar shune chilam Abbu’r kase.