মুন্সীগঞ্জে খাল পুনর্খনন প্রকল্পে অনিয়ম

মুন্সীগঞ্জের চরকেওয়ার ইউনিয়নের বাগেরহাট এলাকায় খাল খনন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি উপেক্ষা করে খাল খননকালে গ্রামবাসী বাধা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রকৌশলী ও ঠিকাদার যোগসাজশ করে খনন কাজ করছে বলে গ্রামবাসীর অভিযোগ। এ বিষয়টি মঙ্গলবার জেলা প্রশাসককে অবহিত করেছেন গ্রামবাসী। সূত্র জানায়, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ জেলা ক্ষুদ্রসেচ উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স সোহাগ এন্টারপ্রাইজকে চরকেওয়ার ইউনিয়নের বাগেরহাট গ্রামের কাটা খাল ১.৩০ কিলোমিটার পুনর্খননের কার্যাদেশ প্রদান করে।

সে লক্ষ্যে গত ১৩ মার্চ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান খাল পুনর্খননের কাজ শুরু করে। ১১ দিনে অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হলেও তাতে রয়েছে ব্যাপক অনিয়ম। এ কারণে সোমবার করিম মাস্টার, জয়নাল মাস্টার ও বাচ্চু বেপারিসহ শতাধিক গ্রামবাসী প্রকল্পস্থলে গিয়ে বাধা প্রদান করে নিয়মানুযায়ী কাজ করার জন্য চাপ দেন এবং জেলা প্রশাসককে বিষয়টি অবহিত করেন। গ্রামবাসী জানান, প্রস্তে যে পরিমাণ খনন করার কথা তা তারা করছে না। এমনকি যেখান খনন করা হচ্ছে ওই মাটি ওখানেই রাখা হচ্ছে। এতে মাটি পড়ে গিয়ে আবার খাল ভরাট হয়ে যাচ্ছে।
ডেসটিনি

————————————————————–

মুন্সীগঞ্জে খাল পুন:খনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ গ্রামবাসীর

কাজী দীপু, মুন্সীগঞ্জ: মুন্সীগঞ্জের চরকেওয়ার ইউনিয়নের বাগেরহাট এলাকায় খাল খনন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে। নিয়মনীতি উপেক্ষা করে খাল খননকালে গ্রামবাসীর বাধাঁ দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রকৌশলী ও ঠিকাদার যোগসাজশ করে তাদের ইচ্ছেমতো খনন কাজ করছে বলে গ্রামবাসীর অভিযোগ। এ বিষয়টি গত মঙ্গলবার জেলা প্রশাসককে অবিহত করেছেন গ্রামবাসী। সূত্র জানায়, নারায়নগঞ্জ মুন্সীগঞ্জ জেলা ক্ষুদ্রসেচ উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স সোহাগ এন্টারপ্রাইজকে চরকেওয়ার ইউনিয়নের বাগেরহাট গ্রামের কাটা খাল ১.৩০ কিলোমিটার পুনঃখননের কার্যাদেশ প্রদান করে। সে লক্ষ্যে গত ১৩ মার্চ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান খাল পুনঃখননের কাজ শুরু করে। গত ১১ দিনে অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হলেও তাতে রয়েছে ব্যাপক অনিয়ম। এ কারণে গত সোমবার করিম মাস্টার, জয়নাল মাস্টার ও বাচ্চু বেপারীসহ শতাধিক গ্রামবাসী প্রকল্পস্থলে গিয়ে বাধা প্রদান করে নিয়মানুযায়ী কাজ করার জন্য চাপ দেন এবং জেলা প্রশাসককে বিষয়টি অবহিত করেন।

গ্রামবাসী জানান, প্রস্থে যে পরিমাণ খনন করার কথা তা তারা করছে না। এমনকি যেখান খনন করা হচ্ছে ওই মাটি ওখানেই রাখা হচ্ছে। এতে মাটি পড়ে গিয়ে পুনরায় খাল ভরাট হয়ে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে বিএডিসি (ক্ষুদ্রসেচ) মুন্সীগঞ্জ জোনের সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান খাঁন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রকল্পের কাজ শেষ না হলে অনিয়ম হয়েছে কিনা তা সনাক্ত করা সম্ভব হয়না। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, এলাকার লোকাজন দাবি করা টাকা না পেয়ে মিথ্যে অভিযোগ প্রচার করছে।

আমাদের অর্থনীতি
[ad#co-1]