ডিজিটাল বাংলাদেশ ॥ পঞ্চসার ইউনিয়নে পাইলট প্রকল্প শুরু

মুন্সীগঞ্জে ইউপির সেবার মান উন্নয়নে পাঁচ উপসচিব কাজ করছেন
জনগণকে সম্পৃক্ত করে ইউনিয়ন পরিষদের স্থায়ী কমিটিগুলো শক্তিশালী ও কার্যকর করতে সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়ন পরিষদকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে কাজ শুরু করছেন সরকারের ৫ উপসচিব। তৃণমূল থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাসত্মবায়নের অংশ হিসেবে ২২তম ম্যাট প্রশিণে এই কর্মকর্তারা এখানে এসে মাসাধিকাল ধরে দফায় দফায় সভা করে জনগণকে সচেতন এবং সেবা বুঝে নিতে নানাভাবে কাজ করছেন।

স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ আলোকে গঠিত ১৩টি স্থায়ী কমিটি গঠনের বিধান রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সেবা জনগণের দোরগড়ায় পৌঁছে দেয়া এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে সেবা প্রদানকারী সরকারী বিভিন্ন সংস্থা-শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও স্যানিটেশনসহ সকল বিভাগের মধ্যে সমন্বয় সাধন এবং জনগণ যাতে তাদের সেবার চাহিদা ইউনিয়ন পরিষদকে অবহিত করতে পারে, তার উপায় বের করার কৌশল রপ্ত করতে শনিবার এক ব্যতিক্রমী কর্মশালা হয়েছে।

পঞ্চসার ইউপি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোশারফ হোসেন। ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় পাঁচ উপসচিব এই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের শিা, স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, স্যানিটেশন ও পয়ঃনিষ্কাশনের জরিপকৃত ফল উপস্থাপন করেন। এছাড়া সুনির্দিষ্ট বিষয়ে প্রশিণার্থীগণ সংশিস্নষ্ট বিষয়ে তথ্য উপস্থাপন করেন। পরে ৩টি দলে বিভক্ত হয়ে জণপ্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, সরকারী প্রতিনিধি তাদের মতামত ব্যক্ত করেন। জেলা প্রশাসক বলেন, পঞ্চসারের এই মডেলটি যাতে গোটা দেশে ছড়িয়ে দেয়া যায়, সে ল্যে কাজ করতে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান। এই কর্মশালায় অংশ নেয়া ব্র্যাকের কর্মসূচী সংগঠক সেলিম রেজা জানান, এক রকম ইউনিয়নবাসীকে বাসত্মবতার নিরিখে হাতেকলমে বুঝিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন টিমের পাঁচ উপসচিব। অংগ্রহণকারী স্থানীয় ভট্টাচার্যের বাগ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিকিা অনিমা রানী দাস জানান, স্কুল দেয়া তথ্যানুযায়ী এলাকার শতভাগ শিশুর স্কুলে যাওয়াও নিশ্চিত এবং ড্রপ আউট প্রতিরোধে কাজ করবে এই স্থায়ী কমিটি। এতে শিার হারও বাড়বে। এই টিমে থাকা পাঁচ উপ সচিব- নাসির উদ্দিন, বিলস্নাল হোসেন, সুশানত্ম কুমার সাহা, দিলীপ কুমার সাহা ও রশিদ আহম্মেদ জানান, স্থায়ী কমিটিগুলো কার্যকর করা গেলে ইউনিয়ন পরিষদের সেবার মান বৃদ্ধিসহ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। ইউনিয়ন পর্যায়ে যেসকল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাদের মান বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। জনগণ এতে নানাভাবে উপকৃত হবে।

[ad#co-1]

Comments are closed.