নতুন ব্যবস্থার জন্য উদ্যোগ প্রয়োজন

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
আমরা তো ভাবতে ভালোবাসি যে মানুষের ভাগ্য মানুষের হাতের ভেতরই রয়েছে। মানুষই তার ভাগ্য গড়ে, সে জন্য বলা সম্ভব হয়েছে যে মানুষ অনেক বড় তার ভাগ্যের চেয়ে। আরো অনেক ধারণার মতোই ভাগ্যের এ ধারণাটাও সত্য বটে, আবার মিথ্যাও। এমন মানুষ অবশ্যই আছেন যাঁরা নিজের ভাগ্য নিজের হাতেই গড়ে তুলেছেন, ঠিক প্রাতঃস্মরণীয় না হলেও তাঁরা ব্যতিক্রম বৈকি; কেননা অধিকাংশ মানুষই একটা ব্যবস্থা ও অবস্থার অধীনে বসবাস করে। সেটাকে মেনে নিতে বাধ্য হয়, বসবাসের এই ঘটনাকে ভাগ্য বলুন আর যাই বলুন, এটা সত্য। একে ভাগ্য বলতে অসুবিধা কী? এই ব্যবস্থা ও অবস্থাকে তো আমরা পরিষ্কারভাবে জানি না, সম্ভব নয় জানা। অথচ সে-ই তো নিয়ন্ত্রণ করবে আমাদের, যেন সে আমাদের কপাল। এই ভাগ্যকে দুই প্রকার বলা চলে_একটি ব্যক্তিগত, অপরটি সমষ্টিগত। সমষ্টিগত ভাগ্য যতটা বদলায়, ব্যক্তিগত ভাগ্য বদলায় সে তুলনায় অনেক কম। সমষ্টিগতভাবে মানুষ এগোয়, এগোয় মানুষের মিলিত চেষ্টাতেই; মিলিত হস্তক্ষেপেই সভ্যতা এগিয়েছে এবং এগোবে। কিন্তু ব্যক্তির কী দশা? একে তো দেখবার তেমন কেউ নেই, সে তো আবার যাকে সভ্যতা বলছি তারই অধীন। ব্যক্তির ভাগ্য বদলানোটা বড়ই কঠিন যদি না সে সৌভাগ্যবান হয়ে জন্মায়। তাই তো দেখি ব্যতিক্রম যাঁরা, যাঁদের বলা যায় বড়মাপের মানুষ তাঁরাও ভাগ্য নিয়ে বিলক্ষণ খেদোক্তি করছেন। যেমন ধরা যাক ওমর খৈয়াম ও হ্যামলেটের কথা। এঁরা দুজন দুই দেশের মানুষ, দুজনের মধ্যে বয়সের ব্যবধান ৬০০ বছরের, স্বভাবগত ব্যবধান আকাশ-পাতালের। ওমর খৈয়াম একাদশ শতাব্দীর ইরানের কবি ও দার্শনিক, হ্যামলেট শেক্সপিয়রের কল্পিত চরিত্র, সপ্তদশ শতাব্দীতে ‘জন্ম’। ওমর খৈয়ামের লোকপ্রসিদ্ধি প্রেমিক হিসেবে, হ্যামলেট রাজবিদ্রোহী এবং মেয়েদের প্রতি অত্যন্ত বিরক্ত। ওমর খৈয়াম বলছেন তাঁর প্রেমের কথা, আর হ্যামলেটের সার্বক্ষণিক চিন্তা অন্যায়কে কিভাবে বিতাড়ন করা যায় তা নিয়ে। কিন্তু দুজনেরই মাথা গিয়ে ঠেকে কপালের ছাদে, উভয়েই তাঁরা আক্ষেপ করেন নিজ নিজ ভাগ্য নিয়ে।

ওমর খৈয়াম বলছেন, হায় প্রিয়, তুমি আর আমি যদি ভাগ্যের সঙ্গে গোপন চুক্তি করতে পারতাম, তাহলে কি আমরা দুঃখাচ্ছন্ন হতভাগ্য এই জগৎটাকে ভেঙে চুরমার করে ফেলতাম না, এবং তাকে নতুন করে সাজাতাম না, আমাদের হৃদয়ের ছাঁচে ফেলে? কিন্তু খৈয়াম জানেন সেটা হওয়ার নয়, ভাগ্য তাঁর সঙ্গে কিছুতেই হাত মেলাবে না; তাই তো এত দুঃখ, অমন অশান্তি। রাজপুত্র হ্যামলেটের ভাষা ভিন্ন, অবস্থানও স্বতন্ত্র। তিনি নিতান্ত একাকী এবং অভীষ্ট লক্ষ্যকে তিনি রুক্ষ পাথর কুঁদে তৈরি করতে চান। কিন্তু পারেন না, কেননা নিয়তি তাঁর বিপক্ষে।
এঁরাই, এই অসামান্য মানুষরাই যদি নিয়তিকে মানতে বাধ্য হন তাহলে আমরা কী করে ভাগ্যকে অস্বীকার করি? এই যে নিয়তি এটির সম্পর্কে নানা মত আছে, ধারণাও রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন। কেউ বলেন এ হচ্ছে পূর্বজন্মের শাস্তি; কারো ধারণা এটি পূর্বনির্ধারিত বিধিলিপি, জন্মের আগেই ঠিক হয়ে থাকে। কারো কারো মতে, এই লিপি বছরে বছরে নবায়িত হয়, কেউবা অনুমান করেন, এ হচ্ছে একটি সতত ঘূর্ণায়মান চক্র, একটি অদৃশ্য শক্তি একে ঘোরাচ্ছে। এসব হচ্ছে ধারণার ব্যাপার। কিন্তু অত্যন্ত প্রত্যক্ষরূপে যে ভাগ্যটি আমাদের নিয়ন্ত্রিত করছে তার তৎপরতা আমরা প্রতিনিয়তই টের পাই। এটি হচ্ছে ব্যবস্থা ও অবস্থা; অর্থাৎ কি না ব্যবস্থার অধীনে আমাদের নিজ নিজ অবস্থান।

২. যে নামেই ডাকি না কেন এটাই আমাদের বিধিলিপি। প্রত্যক্ষরূপে এ হচ্ছে আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজ, যার বাইরে যে যাব এমন উপায় নেই। চেষ্টা করলে অনেক সময় বরঞ্চ ক্ষত-বিক্ষত হতে হয়। রাষ্ট্র ও সমাজই নির্দিষ্ট করে দেয় আমাদের কার কী অবস্থান হবে, কে থাকবে ভালো, কার অবস্থা হবে খারাপ। রাষ্ট্র নিজেও যে স্বাধীন তা নয়, সেও রয়েছে একটি বিশ্বব্যাপী প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থার অধীনে, যে ব্যবস্থাকে বলা যায় পুঁজিবাদ। পুঁজিবাদ হচ্ছে সেই একচ্ছত্র ঈশ্বর যে সারা বিশ্বকে এখন নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু পুঁজিবাদ নিজেই এ বিপদে পড়েছে। গরিবদের সে ধমকে-ধামকে শাসনের ভেতর রেখেছে ঠিকই, কিন্তু ধনীদের সঙ্গে পেরে উঠছে না। ধনীরা বিশ্বজুড়ে লুটপাটের মোচ্ছব বসিয়ে থাকে; অভ্যাসবশত নিজের দেশের মানুষকেও ছাড়ে না, তাদের ওপরও শোষণ-নিপীড়নের দৌরাত্দ্য চালাতে থাকে। ব্যাপারটা এতদূর এগিয়েছে যে বাইরের পৃথিবীতে নানা রকমের যুদ্ধ তো বাধানো হয়েছেই, ধনী দেশগুলোর ভেতরও ভীষণ অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

হাতের জোরেই মানুষের ভাগ্য বদলায়, পুঁজিবাদ এই রকমের বাণী প্রচার করে থাকে। কিন্তু সে হাত কার হাত? হাতটা আসলে গরিবেরই। তারাই শ্রম দেয়। তাদের শ্রমের জোরেই পণ্যের উৎপাদন ঘটে। আর ধনী যারা তাদেরও কাজ আছে, সেটা হলো মুনাফার ওপর চোখ রাখা। তারা উৎপাদন বোঝে না, মুনাফা বোঝে। আর মুনাফা বাড়ানোর জন্য তাদের হাতে ব্যবহৃত চমৎকার দুটি যন্ত্র হলো ব্যাংক এবং শেয়ারবাজার। এই দুই যন্ত্রের সঙ্গে উৎপাদনের কোনো সম্পর্ক নেই। এখানে টাকাই টাকার জন্ম দেয়।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে আইরিশ কবি ডবি্লউবি ইয়েটস ভবিষ্যৎদ্রষ্টার মতো একটি কবিতা লিখেছিলেন, নাম দিয়েছিলেন, ‘থিঙস ফল অ্যাপার্ট’। তিনি দেখতে পাচ্ছিলেন কেন্দ্র ব্যবস্থাটাকে ধরে রাখতে পারছে না, সব কিছু ভেঙে ভেঙে পড়ছে, পৃথিবীতে যা নেমে এসেছে তা নৈরাজ্য ছাড়া অন্য কিছু নয়। মনে হচ্ছিল তিনি পশ্চিমে খ্রিস্টীয় সভ্যতার পতন দেখতে পাচ্ছিলেন। কিন্তু আসলে যার পতনের চিহ্ন দেখা যাচ্ছিল সেটা অন্য কিছু নয় পুঁজিবাদী ব্যবস্থা ছাড়া। সেই ব্যবস্থাটাই ভেঙে পড়বে এমন মনে হচ্ছিল। ভাঙেনি। জোড়াতালি দিয়ে টিকিয়ে রাখা হয়েছে। তারপর পুঁজিবাদী বিশ্বে ভয়ঙ্কর মন্দা দেখা দিল। সভ্যতাবিধ্বংসী আরো একটা যুদ্ধ ঘটে গেল। পুঁজিবাদের চিকিৎসকেরা নানা রকমের ওষুধপত্র দিয়ে গরিব মানুষের জন্য কিছু সুবিধার আয়োজন করে পুঁজিবাদকে রক্ষা করেছে। এখনকার চিকিৎসকেরা বলছে, এবারের বিপর্যয় সামলে ওঠা কঠিন হবে। তার মানে কী? বিশ্বব্যাপী বিপন্ন হবে কোটি কোটি মানুষের ভাগ্য, এমনিতেই ভাগ্য যাদের অপ্রসন্ন ছিল, সে-ভাগ্য এখন আরো নির্মম আকার ধারণ করবে। ভাগ্যের চক্রটা পুঁজিবাদী, তাকে ভাঙতে না পারলে মানুষের মুক্তি নেই।

ভাগ্য সম্পর্কে এ কথাটাও অবশ্যই স্মরণীয় যে জগতের অধিকাংশ বস্তুর মতো এই বস্তুটিও নিরপেক্ষতা জিনিসটা যে কী তা একেবারেই জানে না। হয় সে পক্ষে থাকে, নয় তো বিপক্ষে, আর যখন মনে হবে নিশ্চলভাবে দাঁড়িয়ে আছে, নিতান্তই উদাসীন, তখন নিশ্চিত হওয়া যাবে যে দুর্বলের জন্য সে যে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে এমনটা মোটেই নয়। আর দুর্বলকে উদ্ধার না করার অর্থই তো প্রবলের প্রতি পক্ষপাত প্রদর্শন। এমনটাই ঘটে যাচ্ছে। বিপন্ন মানুষ নিতান্ত অসহায়। জগতে কেউ নেই যে তাকে সাহায্য করবে, তাকে তাই মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হয় ভাগ্যের, ভাগ্য যদি সুপ্রসন্ন হয় তবে কারণ ঘটে উৎফুল্ল হওয়ার, এমনকি যদি কোনোক্রমে বিপদ থেকে রক্ষা পায় তাহলেও ভাগ্যকেই সে ধন্যবাদ দেয়, বলে নিতান্তই ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছে, নইলে সর্বনাশ অবধারিত ছিল।

৩. তা ছিল বৈকি। ভাগ্য তো ঠিক করে দেয় সাফল্য ও বিফলতা। আর ওই যে ব্যবস্থা ও অবস্থান সেটাই তো মানুষের ভাগ্য। হ্যাঁ, ভাগ্য মানুষের ভেতরে থাকে বৈকি। শেক্সপিয়রের হ্যামলেট নাটকে হ্যামলেটের সমবয়স্ক আরো দুজন যুবকের দেখা পাই, যাদের কাঁধেও ওই একই দায়িত্ব ছিল। সেটা হলো পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেওয়া। তিনজনের মধ্যে হ্যামলেটের পক্ষেই দায়িত্ব পালনটা ছিল সর্বাধিক সহজসাধ্য; কেননা তিনি একধারে রাজপুত্র ও জনপ্রিয়। পিতৃঘাতক পিতৃব্যকে হত্যা করে অন্যায়ের প্রতিকার করা তাঁর পক্ষে মোটেই দুঃসাধ্য ছিল না, কাজটা করলে প্রজারা তাঁর সঙ্গেই থাকত। কিন্তু হায়, তা তিনি করতে পারলেন না, কারণ তাঁর চরিত্রের ভেতরকার গঠন। তিনি দেখলেন সমস্যাটা কেবল একটি লোককে হত্যা করা নয়, সমস্যাটা হলো অশুভকে পরাভূত করা। আর সেই অশুভ কেবল তার পিতৃঘাতক পিতৃব্যের ভেতর নেই, অশুভ ভর করেছে তার নিজের মাতা, প্রেমিকা এবং দুই বন্ধুর ভেতরেও; প্রেমিকার পিতাও অশুভের প্রতিভূ বৈকি। অশুভকে জগৎছাড়া করার কাজটা কঠিন ও জটিল, সেটা করতে গিয়েই দ্বিধায় পড়লেন, বিলম্ব করলেন এবং জড়িয়ে পড়লেন জটাজালে, যার জন্য তিনি নিজেও পিতৃহন্তা হয়ে পড়লেন আপন প্রেমিকা ও প্রেমিকার ভ্রাতার। হ্যামলেটের ভাগ্যলিপি কেবল বাইরে লিপিবদ্ধ হয়নি, লেখা হচ্ছিল তার অন্তর্গত দার্শনিক বিবেচনাপ্রবণতা দ্বারা। বাইরের ভাগ্য কাজ করেছে ভেতরের ভাগ্যের সঙ্গে যোগসাজশে। তা করে বৈকি। নানাভাবেই মানুষ মার খায় ভাগ্যের হাতে। মানুষের হাত কাজে লাগে বটে; কিন্তু আবার লাগেও না। যদি দুর্বলতা থাকে ভেতরে। আর সে দুর্বলতাকে যে চরিত্রের দুর্বলতা বলে ঢালাওভাবে চালিয়ে দেব তার কোনো উপায়ই নেই। ব্যতিক্রম বাদ দিয়ে দুর্বলতা তৈরি হয় ওই যে ব্যবস্থা ও অবস্থান তার কারণেই। ব্যবস্থার হাতে বন্দি যে ব্যক্তি তার পক্ষে ভাগ্য বদলানোর সম্ভাবনা কোথায়, কতটুকু? লম্ফ দিলে বরঞ্চ ক্লান্ত হতে হয়। কিন্তু তবু চেষ্টা তো করে মানুষ। নিশ্চেষ্ট থাকে না। যদি নিশ্চল থাকত তাহলে সংসারের চাকা ঘুরত না। হতাশাই হতো প্রধান সত্য; আত্দহত্যার সংখ্যা যেত বেড়ে, বিষণ্ন মানুষের দৃশ্যমানতা নিত্যদিনের প্রাকৃতিক ঘটনায় পরিণত হতো। হাত দিয়ে মানুষ কাজ করে, আশা করে তাতে ভাগ্য বদলাবে, অন্তত যা আছে তার চেয়ে খারাপ হবে না। কিন্তু ব্যবস্থা ও অবস্থানের দরুন বিরূপ যাদের ভাগ্য তারা কেবল উৎপাদনের ক্ষেত্রেই যে হাত লাগায় তা নয়, অন্যের অর্থাৎ অপেক্ষাকৃত ভাগ্যবানদের সেবাও করে। সেই সেবা হতে পারে ব্যক্তিগত, হয়ে থাকে প্রাতিষ্ঠানিক এবং ব্যবসায়িকও।

অনেকের ভাগ্য এমনই বিরূপ যে করবার মতো কোনো প্রকার কাজই মেলে না। বাধ্য হয়ে তারা অন্যের কাছে হাতে পাতে, ভিক্ষা করে। কেউবা ক্ষুদ্রঋণের জালে নিজেকে আটক করে, মহা আনন্দে। ছিনতাই করে কেউ কেউ। সন্ত্রাসীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। আবার একদল আছে ভাগ্যকে তুষ্ট করার জন্য মানত করে, মিলাদ পড়ায়, আঙুলে আংটি ধারণ করে, ছোটে পীরের বাড়িতে। অর্থাৎ ঘুষ দেয়। কেবল যে ভাগ্যকে ঘুষ দেয় তা নয়, ভাগ্যবিধাতা যে কর্তাব্যক্তিরা তাদেরও বশ করতে চায় নানা ধরনের উপঢৌকন দিয়ে, যে কাজের বৃদ্ধি দেখে হইচই করে বলা হয় যে দুনিয়াটা মনে হয় তলিয়েই যাবে দুর্নীতির ভীষণ ভারে।

যত যাই বলি না কেন, মানুষ নিশ্চয়ই শেষ পর্যন্ত তার ভাগ্যের চেয়ে বড়। কিন্তু সে কোন মানুষ? ব্যক্তি তার নিজের চেষ্টায় ভাগ্যের খোলনলচে বদলে ফেলেছে এমন দৃষ্টান্ত অবশ্যই রয়েছে; কিন্তু সেটা হলো ব্যতিক্রমী ঘটনা। আর ব্যতিক্রম তো নিয়মকেই নির্দেশ করে থাকে। নিয়ম হলো ব্যক্তির পক্ষে ভাগ্য বদলানোটা খুবই কঠিন, প্রায় অসম্ভব। ভাগ্য বদলাতে হলে সমষ্টিগত উদ্যোগ দরকার, যে উদ্যোগ ছাড়া ব্যবস্থা বদলাবে না। কিন্তু ব্যবস্থা আসলে কিছুতেই বদলাবে না যদি না নতুন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা যায়। তাই হাত লাগানো চাই নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য, যাতে মানুষের হাত মানুষের কপালের চেয়ে শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। সবার হাত এক না হলে সেটা ঘটবে না। ঐক্য দরকার হবে স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক_উভয় ক্ষেত্রেই।

লেখক : শিক্ষাবিদ ও সমাজবিশ্লেষক

[ad#co-1]