মুন্সীগঞ্জের ব্যবসায়ী সেরম্ন দু’দিনের রিমান্ডে

মুন্সীগঞ্জে ঘরের ভিটি কেটে অস্ত্র-গুলি রেখে গার্মেন্টস ব্যবসায়ী সেরম্ন ভূইয়া(৩৮)কে ফাঁসিয়ে দেয়ার ঘটনায় তোলপাড় চলছে। বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জ আমলী আদালত ১-এর বিচারক রবিউল আলম সেরম্ন ভূইয়ার দু’দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার তদনত্মকারী কর্মকর্তা মুন্সীগঞ্জ সদর থানার এসআই বিনয় কৃষ্ণ কর বৃহস্পতিবার রামপালের পশ্চিম কাজী কসবায় সেরম্ন মিয়ার বাড়িতে তদনেত্ম যান।

তদনত্মকারী কর্মকর্তাকে এলাকার লোকজন জানায়, সেরম্ন ভূইয়া এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। রামপালের শীর্ষ সন্ত্রাসী বাচ্চু শেখ ওরফে সিটি বাচ্চু এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে এলাকাবাসীর ধারণা। এলাকাবাসী জানান, পশ্চিম কাজী কসবা গ্রামের মরহুম আলতাফ হোসেন ভূইয়ার অবিবাহিত ছেলে গার্মেন্টস ব্যবসায়ী, বিএনপি নেতা সেরম্ন ভূইয়া ওরফে দর্জি সেরম্ন তার মায়ের সঙ্গে একই ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। গত বুধবার ভোরে হাতিমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মনিরম্নজ্জামান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশ তাদের একটি ছাপরাঘর থেকে ১টি দেশীয় তৈরি পাইপগান, পয়েন্ট ২২ বোরের ২০ রাউন্ড গুলি ও শর্টগানের ১টি কার্তুজ উদ্ধার এবং সেরম্ন ভূইয়া গ্রেপ্তার করে।

এলাকাবাসীর মতে, সাজা ভোগকারী ২০-২৫টি মামলার আসামি টপ টেরর সিটি বাচ্চুর এক সময়ের সহযোগী ছিল সেরম্ন ভূইয়া। গত ৭-৮ বছর আগে সেরম্ন ভূইয়া তার সঙ্গ ছেড়ে দেয়। এতে ড়্গিপ্ত ছিল বাচ্চু শেখ। বাচ্চু জেল থেকে বের হয়েই তার পিছু নেয়। পরে সেরম্ন ভূইয়ার খালি একটি ছাপরাঘরের ভিটি কেটে ওই অস্ত্র-গুলি রেখে সেরম্নকে ফাঁসিয়ে দেয় বলে এলাকার লোকজনের ধারণা। এ ব্যাপারে হাতিমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মনিরম্নজ্জামান বলেন, সেরম্নর ঘর থেকেই অস্ত্র-গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনা নিয়ে রামপালে তোলপাড় চলছে। মামলার তদনত্মকারী কর্মকর্তা ঘরের ভিটিকাটা এবং প্রতিবেশীসহ এলাকার লোকজন সেরম্নকে ফাঁসিয়ে দেয়ার ঘটনার কথা বলেছে বলে জানান।

[ad#co-1]