ওষুধের কাঁচামাল: শিল্পপার্ক স্থাপন এপ্রিলে শুরু

ওষুধশিল্পের কাঁচামাল প্রস্তুতে মুন্সীগঞ্জের বাউসিয়ায় প্রস্তাবিত এপিআই শিল্পপার্ক স্থাপনের কাজ এপ্রিলে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তারা। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবিএম খোরশেদ আলম শুক্রবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আশা করছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রকল্প উদ্বোধন করবেন।”

পার্ক স্থাপনে জমি অধিগ্রহণে প্রয়োজনীয় অর্থ আগামী সপ্তাহে ছাড় করা হবে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার এক বৈঠকে প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন।

বাংলাদেশের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ৯০ ভাগই আমদানি করে থাকে। এ পার্ক স্থাপন হলে প্রতিষ্ঠানগুলো দেশেই কাঁচামাল উৎপাদন করতে পারবে।

২০০ একর জমিতে প্রস্তাবিত এই প্রকল্পে মোট খরচ ধরা হয়েছে ২৩৫ কোটি টাকা, শুরুতে যা ছিল ২১৩ কোটি।

জমির দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রকল্প ব্যয় বেড়েছে বলে জানান প্রকল্প পরিচালক এবিএম মুশফিকুর রহমান।

প্রকল্প সম্পন্ন করার সময় ধরা হয়েছে ২০১১ সালের ডিসেম্বর। প্রস্তাবনা অনুযায়ী এ সময় ছিল ২০১০ সালের ডিসেম্বর।

সময়মতো জমি অধিগ্রহণ করতে না পারায় সময় বাড়ানো হয়েছে বলে জানান মুশফিকুর।

প্রকল্প এলাকায় ৪২টি প্ল্যান্ট স্থাপন করা যাবে।

প্লট বন্দোবস্তের সময় মালিকরা ৬০ ভাগ অর্থ পরিশোধ করতে হবে। তবে প্লটের মূল্য এখনো নির্ধারিত হয়নি বলে জানিয়েছেন মুশফিকুর।

প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় ১৯২ দশমিক ৫৫ একর জমি এখনই অধিগ্রহণের উপযোগী বলে গত ১৮ ফেব্র”য়ারি এক চিঠিতে শিল্প মন্ত্রণালয়কে জানান মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসক।

বাকি জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলায় কিছুদিন সময় লাগবে বলে জানান মুশফিক।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)।

বিসিক ইতোমধ্যে প্রকল্প এলাকায় ভূমি জরিপে, ফিল্ডবুক তৈরির কাজ সম্পন্ন এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সাথে যৌথভাবে এই প্রকল্পের পরিবেশগত দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করছে।

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে বাংলাদেশ ২০১৫ সাল পর্যন্ত স্বত্ত্ব (পেটেন্ট) সুবিধা পাবে। ফলে এ শিল্পে উন্নয়নে বাংলাদেশের বিরাট সম্ভাবনা আছে।

[ad#co-1]