মুন্সীগঞ্জ হাইস্কুলের ১২৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান

মুন্সীগঞ্জ হাই স্কুলের ১২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে শহরে উৎসব আমেজ বিরাজ করছে। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারত থেকে প্রাক্তন ১১ ছাত্র অংশ নেন। এই উপলক্ষে শুক্রবার থেকে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। সকালে শহরে বিশাল শোভাযাত্রা বের হয়। পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ মোশারফ হোসেন।

এর পরই মূল অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী শুরু হয়। এতে জেলা প্রশাসক ছাড়াও বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন ছাত্র তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহবুবুল আলম, ব্যাংক এশিয়ার ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক সিএসপি নূরুল ইসলাম অনু। সভাপতিত্ব করেন প্রাক্তন ছাত্র সমিতির সভাপতি মাহফুজুর রশিদ নিলু। স্মৃতিচারণ করেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক মৃণালকান্তি দাস, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ হোসেন বাবুল, সিরাজুল কবির, কমোডর (অব.) শামসুল কবির, গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব.) আবুল কালাম আজাদ, অগ্রণী ব্যাংকের জিএম মোঃ এনামুল হক, মোহাম্মদ হোসেন বাবুল, ফখরুল আলম আরমান, এনামুল ইসলাম বাবুল, কৌতুক অভিনেতা টেলিসামাদ, মোঃ জামাল হোসেন, গুলজার হোসেন, গোলাম মতুর্জা চৌধুরী রাজা, ভারত থেকে আসা জ্ঞানরঞ্জন দাস, কালীপদ দাস প্রমুখ।

স্মৃতিচারণের প্রথম পর্বে সভাপতিত্ব করেন মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান। দ্বিতীয় পর্বে মেজর (অব.) জসিমউদ্দিন। ’৬৭ সালে এসএসসি পাস করা ভারতের বাসিন্দা ড. সমীরকুমার মুখার্জি বলেন, সবাই মিলে একত্রিত হতে পেরে ভালো লাগছে। ’৬০ সালের ব্যাচের ছাত্র কৌতুক অভিনেতা টেলিসামাদ ক্লাসে স্যারের নানা স্মৃতি উল্লেখ করতে গিয়ে বলেন, স্যারকে আমি বলেছিলাম ত্রিকোণমুখী হবো। আর তাই হতে পেরেছি স্যারদের দোয়ায়। গায়ক, নায়ক ও চিত্র শিল্পী।

এই অনুষ্ঠানে প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্ররা মিলেমিশে একাকার হয়ে যান। অনুষ্ঠানে অনেক প্রাক্তন ছাত্রের স্ত্রী-সন্তানরাও যোগ দেন। ’৬৫ ব্যাচের ছাত্র আনিসুজ্জামানের স্ত্রী তহুরা জামান বলেন, স্বামীর স্কুলের অনুষ্ঠান হলেও মনে হয়েছে আমারই স্কুল। এই অনুষ্ঠানে ১২৫ বছরের নানা স্মৃতি নিয়ে একটি স্মরণিকা প্রকাশ হয়। রাতে হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আজ শনিবার রয়েছে আলোচনা সভা ও বিনোদন এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
ইত্তেফাক
———————————————————-

মুন্সীগঞ্জ হাই স্কুলের ১২৫ বছর পূর্তিতে উৎসব আমেজ

মুন্সীগঞ্জ হাই স্কুলের ১২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে শহরের উৎসব আমেজ বিরাজ করছে। পড়ে গেছে সাজ সাজ রব। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারত থেকে প্রাক্তন ১১ ছাত্র অংশ নেন এই অনুষ্ঠানে। এই উপল েশুক্রবার থেকে দু’দিনব্যাপী জমকালো অনুষ্ঠান শুরম্নু হয়েছে। সকালে শহরে বিশাল র্যালি বের হয়। পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ মোশারফ হোসেন।

এর পরই মূল অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী শুরম্নু হয়। এতে জেলা প্রশাসক ছাড়াও বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন ছাত্র তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহবুবুল আলম, ব্যাংক এশিয়ার ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক সিএসপি নুরম্নল ইসলাম অনু। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রাক্তন ছাত্র সমিতির সভাপতি মাহফুজুর রশিদ নিলু। স্মৃতিচারণ করেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদফতর সম্পাদক মৃণাল কানত্মি দাস, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ হেআসেন বাবুল, সিরাজুল কবির, কমোডর (অব) শামসুল কবির, গ্রম্নপ ক্যাপ্টেন (অব) আবুল কালাম আজাদ, অগ্রণী ব্যাংকের জিএম মোঃ এনামুল হক, মোহাম্মদ হোসেন বাবুল, ফখরম্নল আলম আরমান, এনামুল ইসলাম বাবুল, কৌতুক অভিনেতা টেলি সামাদ, মোঃ জামাল হোসেন, গুলাজার হোসেন, গোলাম মর্তুজা চৌধুরী রাজা, ভারত থেকে আসা জ্ঞানরঞ্জন দাস, কালীপদ দাস প্রমুখ।

স্মৃতিচারণের প্রথম পর্বে সভাপতিত্ব করেন মেজর (অব) আক্তারম্নজ্জামান। দ্বিতীয় পর্বে মেজর (অব) জসিমউদ্দিন। প্রাক্তন ছাত্র সদর উপজেলার চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান আনিস স্কুল জীবনের সেই স্বর্ণালী দিনগুলো মনে পড়ে যায়। মৃণাল কানত্মি দাস বলেন, স্কুল জীবনের স্মৃতিগুলোর প্রতিটি ক্ষেত্রেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে।

জনকন্ঠ

[ad#co-1]