মুন্সীগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলায় ছাত্রলীগ নেতাসহ গুলিবিদ্ধ ৬

সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মহেষপুর গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ফেরার পথে সন্ত্রাসীদের হামলায় সদর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়কসহ কমপক্ষে ৬ জন গুলিবিদ্ধসহ ২০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে মাথায় গুলিবিদ্ধ উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম পাভেল (৩২),আতিকুল্লা দেওয়ান (৩২),মোবারক হোসেন (৩৫),শফিকুল ইসলাম (৪০) ও দুলালকে (২০) গুরুতর অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বাকিদের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই হামলা চালানো হয় বলে জানা যায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়তে থাকে এবং লাঠিসোঁটা দিয়ে হামলা চালায়। এই সময় ৬ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক জখম হয়। বিয়ের অনুষ্ঠানে আসা শত শত মানুষ আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি শুরু করে। পরে আশপাশের লোকজন আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। ছাত্রলীগ নেতা পাভেলের গ্রামের বাড়ি মহেষপুর গ্রামে। একটি সড়ক নির্মাণকে কেন্দ্র করে পাভেলের সাথে স্থানীয় কাশেম সরদারের দ্বন্দ্বের জের ধরে এই হামলা হয়েছে বলে ধারাণা করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, মহেষপুর গ্রামে একটি সড়ক নির্মাণকে কেন্দ্র করেই দেওয়ান বাড়ির সাথে সরদার বাড়ির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এর জের ধরেই গতকাল সরকার বাড়ির লোকজন এই হামলা চালায়।

ইত্তেফাক
————————————————————-

মুন্সীগঞ্জে ছাত্রলীগ দু’গ্রুপে বন্দুকযুদ্ধ ॥ আহ্বায়কসহ গুলিবিদ্ধ ৬

সদর উপজেলার চরাঞ্চলের মহশেপুর গ্রামে বন্দুকযুদ্ধে ৬ গুলিবিদ্ধসহ ২০ জন আহত হয়েছে। মাথায় গুলিবিদ্ধ গুরুতর আহত সদর উপজেলা ছাত্রলীগ আহ্বায়ক খায়রম্নল ইসলাম পাভেলকে (৩০) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গুলিবিদ্ধ সালাম (২৮), বেলাল (২৫), শামসুল হক (৩০), মোবারক (৩২) ও মহিউদ্দিনসহ (২৮) আহতদের ঢাকা ও স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে আধিপত্য বিসত্মারকে কেন্দ্র দু’গ্রম্নপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এক পর্যায়ে তুমুল গোলাগুলি শুরম্ন হয়। গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গুলি ও বোমার শব্দে আশপাশের গ্রামগুলোর মানুষও ছোটাছুটি শুরম্ন করে। প্রত্যদশর্ী শাহিন মিয়া জানান, সংঘর্ষের সময় বৃষ্টির মতো গুলি বর্ষণ হয়। এ সময় অনেকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।

সদর থানার ওসি মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান, ছাত্রলীগের সরকার ও দেওয়ান গ্রম্নপের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি ও পরে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়। এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম মাওলা তপন জানান, পরিকল্পিতভাবে কৌশলে বিএনপি ও জামায়াত ছাত্রলীগের নেতা-কমর্ীদের ওপর গুলিবর্ষণ করেছে। এতে ছাত্রলীগের ৪ নেতাকমর্ী আহত হয়।

এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জনকন্ঠ

[ad#co-1]